ঢাকা ০১:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
শাকিবের নতুন সিনেমা: নায়িকা কে? সাবিলাকে নিয়ে গুঞ্জনে যা বললেন প্রযোজক প্রথমবার জুটি বাঁধলেন তৌসিফ-মালাইকা, আসছে নতুন নাটক ‘আমার রাজ্যে তুমি’ চট্টগ্রাম বন্দরে জলদস্যু আতঙ্ক: ১৮ দিনে ৩ জাহাজে হামলা, লুট প্রায় ১০ কোটি টাকার মালামাল ২০২৭ বিশ্বকাপের ১২ ভেন্যু চূড়ান্ত, ফাইনাল হতে পারে ওয়ান্ডারার্স বা নিউল্যান্ডসে ‘আসিফ-আখতারদের মেস ভাড়া তুলতে মানুষের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করতাম’—রাশেদ খাঁন ‘জুলাই ব্যবসা’ মন্তব্যে নতুন বিতর্ক: যা বললেন এমপি ডা. মাহমুদা মিতু সেউতা অভিবাসন সংকট: জরুরি বৈঠকে বসছে ইইউ, সীমান্ত নিরাপত্তায় জোর গাজীপুরে ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, খালু গ্রেপ্তার ১৮ বছরেও মেলেনি ফ্ল্যাট, ডোম-ইনোর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে নিঃস্ব শতাধিক পরিবার দুপুরের মধ্যেই তিন জেলায় ঝড়-বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

চিকিৎসক সংকটে ধুঁকছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যা হাসপাতাল, সেবা পেতে ভোগান্তিতে রোগীরা

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে দীর্ঘদিনের চিকিৎসক সংকটের কারণে ব্যাহত হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাবে রোগী ও স্বজনদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। জটিল রোগীদের অনেককেই উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। চিকিৎসক সংকটের পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা ও জনবল ঘাটতিও বাড়িয়েছে রোগীদের দুর্ভোগ।

শাহাবাজপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মাহতাব উদ্দিন নাতনিকে নিয়ে শিশু বিশেষজ্ঞের খোঁজে হাসপাতালের একতলা থেকে আরেকতলায় ঘুরেও কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসকের দেখা পাননি। দীর্ঘ অপেক্ষার পর হতাশ হয়ে তিনি বলেন, “শিশু ডাক্তারকে খুঁজছি, কিন্তু কোথায় পাব বুঝতে পারছি না।”

মাহতাব উদ্দিনের মতো প্রতিদিনই অসংখ্য রোগী ও স্বজনকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি সংকট রয়েছে মেডিসিন, সার্জারি ও শিশু বিভাগে। ফলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না পেয়ে অনেক রোগীকেই অন্য হাসপাতালে যেতে হচ্ছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসকদের অনুমোদিত ৮৫টি পদের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ৩৮ জন। শূন্য রয়েছে ৪৭টি পদ। সিনিয়র কনসালট্যান্টের ১০টি পদের মধ্যে দায়িত্বে আছেন মাত্র দুজন। জুনিয়র কনসালট্যান্টের ১৪টি পদের মধ্যে কর্মরত সাতজন। এছাড়া আটটি ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসারের পদের মধ্যে রয়েছেন মাত্র দুজন এবং ২৮ জন সহকারী সার্জনের বিপরীতে কর্মরত আছেন ১০ জন। প্যাথলজিস্ট, রেডিওলজিস্ট ও সহকারী রেজিস্ট্রারের একাধিক পদও দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ৪-৫ বছরের মধ্যে অর্থনীতিতে দৃশ্যমান পরিবর্তনের আশা, উদ্যোক্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, গত এক মাসে সাতজন চিকিৎসক বদলি হলেও নতুন যোগ দিয়েছেন মাত্র একজন। এতে সার্জারি ও মেডিসিন বিভাগে চিকিৎসাসেবা আরও ব্যাহত হচ্ছে।

চর অনুপনগরের বাসিন্দা আজিজুর রহমান জানান, অসুস্থ মাকে হাসপাতালে ভর্তি করার একদিন পরই রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “এখানে ভর্তি করে লাভ কী, যদি চিকিৎসাই না পাওয়া যায়?”

অন্যদিকে বহির্বিভাগেও প্রতিদিন চিকিৎসকদের ওপর বাড়তি চাপ পড়ছে। হাসপাতালের এক চিকিৎসক জানান, সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টার মধ্যে প্রায় ২০০ রোগী দেখতে হয়। দুপুর ১টার দিকেও তার কক্ষের সামনে আরও ৩০ থেকে ৪০ জন রোগী অপেক্ষা করছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  উন্মোচনের আগেই ফাঁস আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের সম্ভাব্য ফিচার, থাকছে শক্তিশালী চিপ ও ক্যামেরায় বড় আপগ্রেড

চিকিৎসক সংকটের পাশাপাশি হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা নিয়েও অভিযোগ করেছেন রোগী ও স্বজনরা। সদর উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের আসিয়া খাতুন বলেন, স্বামীর চিকিৎসার জন্য তিন দিন ধরে হাসপাতালে অবস্থান করছেন। কিন্তু হাসপাতালের টয়লেট ও আশপাশের পরিবেশের দুর্গন্ধে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে। তার অভিযোগ, “গত তিন দিন ধরে টয়লেট পরিষ্কার করতে কাউকে আসতে দেখিনি।”

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মাহবুব হাসান বলেন, ২৫০ শয্যার হাসপাতালে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ রোগী ভর্তি থাকেন। এছাড়া বহির্বিভাগে প্রতিদিন গড়ে দুই হাজারের বেশি রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। সীমিত জনবল দিয়ে এত বিপুলসংখ্যক রোগীকে সেবা দিতে চিকিৎসকদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক জোরদারে ফলপ্রসূ আলোচনা: ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর

তিনি বলেন, “২৫০ শয্যার বিপরীতে প্রয়োজনীয় জনবল এখনো পাইনি। কয়েকজন চিকিৎসক পদোন্নতির কারণে বদলি হয়েছেন। বিশেষ করে সার্জারি ও মেডিসিন বিভাগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় সেবায় প্রভাব পড়ছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।”

পরিচ্ছন্নতা কর্মীর সংকটের কথাও তুলে ধরে তিনি জানান, সরকারি রাজস্ব খাতে মাত্র তিনজন এবং মাস্টাররোলে আটজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী রয়েছেন। অথচ হাসপাতালটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য অন্তত ৩০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী প্রয়োজন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. জমির মো. হাসিবুস সাত্তার বলেন, বর্তমানে সার্জারি, মেডিসিন ও শিশু বিভাগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তীব্র সংকট রয়েছে। রোগীর চাপের তুলনায় চিকিৎসক কম থাকায় কাঙ্ক্ষিত সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি জানান, শূন্য পদে দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে। নতুন চিকিৎসক যোগ দিলে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার মান উন্নত হবে বলে আশা করছেন তিনি।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

শাকিবের নতুন সিনেমা: নায়িকা কে? সাবিলাকে নিয়ে গুঞ্জনে যা বললেন প্রযোজক

চিকিৎসক সংকটে ধুঁকছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যা হাসপাতাল, সেবা পেতে ভোগান্তিতে রোগীরা

আপডেটের সময়: ০৮:৪৯:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে দীর্ঘদিনের চিকিৎসক সংকটের কারণে ব্যাহত হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাবে রোগী ও স্বজনদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। জটিল রোগীদের অনেককেই উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। চিকিৎসক সংকটের পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা ও জনবল ঘাটতিও বাড়িয়েছে রোগীদের দুর্ভোগ।

শাহাবাজপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মাহতাব উদ্দিন নাতনিকে নিয়ে শিশু বিশেষজ্ঞের খোঁজে হাসপাতালের একতলা থেকে আরেকতলায় ঘুরেও কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসকের দেখা পাননি। দীর্ঘ অপেক্ষার পর হতাশ হয়ে তিনি বলেন, “শিশু ডাক্তারকে খুঁজছি, কিন্তু কোথায় পাব বুঝতে পারছি না।”

মাহতাব উদ্দিনের মতো প্রতিদিনই অসংখ্য রোগী ও স্বজনকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি সংকট রয়েছে মেডিসিন, সার্জারি ও শিশু বিভাগে। ফলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না পেয়ে অনেক রোগীকেই অন্য হাসপাতালে যেতে হচ্ছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসকদের অনুমোদিত ৮৫টি পদের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ৩৮ জন। শূন্য রয়েছে ৪৭টি পদ। সিনিয়র কনসালট্যান্টের ১০টি পদের মধ্যে দায়িত্বে আছেন মাত্র দুজন। জুনিয়র কনসালট্যান্টের ১৪টি পদের মধ্যে কর্মরত সাতজন। এছাড়া আটটি ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসারের পদের মধ্যে রয়েছেন মাত্র দুজন এবং ২৮ জন সহকারী সার্জনের বিপরীতে কর্মরত আছেন ১০ জন। প্যাথলজিস্ট, রেডিওলজিস্ট ও সহকারী রেজিস্ট্রারের একাধিক পদও দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  উন্মোচনের আগেই ফাঁস আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের সম্ভাব্য ফিচার, থাকছে শক্তিশালী চিপ ও ক্যামেরায় বড় আপগ্রেড

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, গত এক মাসে সাতজন চিকিৎসক বদলি হলেও নতুন যোগ দিয়েছেন মাত্র একজন। এতে সার্জারি ও মেডিসিন বিভাগে চিকিৎসাসেবা আরও ব্যাহত হচ্ছে।

চর অনুপনগরের বাসিন্দা আজিজুর রহমান জানান, অসুস্থ মাকে হাসপাতালে ভর্তি করার একদিন পরই রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “এখানে ভর্তি করে লাভ কী, যদি চিকিৎসাই না পাওয়া যায়?”

অন্যদিকে বহির্বিভাগেও প্রতিদিন চিকিৎসকদের ওপর বাড়তি চাপ পড়ছে। হাসপাতালের এক চিকিৎসক জানান, সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টার মধ্যে প্রায় ২০০ রোগী দেখতে হয়। দুপুর ১টার দিকেও তার কক্ষের সামনে আরও ৩০ থেকে ৪০ জন রোগী অপেক্ষা করছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  ৪-৫ বছরের মধ্যে অর্থনীতিতে দৃশ্যমান পরিবর্তনের আশা, উদ্যোক্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

চিকিৎসক সংকটের পাশাপাশি হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা নিয়েও অভিযোগ করেছেন রোগী ও স্বজনরা। সদর উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের আসিয়া খাতুন বলেন, স্বামীর চিকিৎসার জন্য তিন দিন ধরে হাসপাতালে অবস্থান করছেন। কিন্তু হাসপাতালের টয়লেট ও আশপাশের পরিবেশের দুর্গন্ধে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে। তার অভিযোগ, “গত তিন দিন ধরে টয়লেট পরিষ্কার করতে কাউকে আসতে দেখিনি।”

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মাহবুব হাসান বলেন, ২৫০ শয্যার হাসপাতালে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ রোগী ভর্তি থাকেন। এছাড়া বহির্বিভাগে প্রতিদিন গড়ে দুই হাজারের বেশি রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। সীমিত জনবল দিয়ে এত বিপুলসংখ্যক রোগীকে সেবা দিতে চিকিৎসকদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  রোহিঙ্গা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে কক্সবাজারে সার্জিও গোর, সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধি দল

তিনি বলেন, “২৫০ শয্যার বিপরীতে প্রয়োজনীয় জনবল এখনো পাইনি। কয়েকজন চিকিৎসক পদোন্নতির কারণে বদলি হয়েছেন। বিশেষ করে সার্জারি ও মেডিসিন বিভাগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় সেবায় প্রভাব পড়ছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।”

পরিচ্ছন্নতা কর্মীর সংকটের কথাও তুলে ধরে তিনি জানান, সরকারি রাজস্ব খাতে মাত্র তিনজন এবং মাস্টাররোলে আটজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী রয়েছেন। অথচ হাসপাতালটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য অন্তত ৩০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী প্রয়োজন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. জমির মো. হাসিবুস সাত্তার বলেন, বর্তমানে সার্জারি, মেডিসিন ও শিশু বিভাগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তীব্র সংকট রয়েছে। রোগীর চাপের তুলনায় চিকিৎসক কম থাকায় কাঙ্ক্ষিত সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি জানান, শূন্য পদে দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে। নতুন চিকিৎসক যোগ দিলে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার মান উন্নত হবে বলে আশা করছেন তিনি।