ঢাকা ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
তত্ত্বাবধায়ক সরকারসহ আরও দুই অনুচ্ছেদে গণভোটের প্রস্তাব বিএনপির বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে কাভার্ডভ্যানের চাপায় মা-ছেলের মৃত্যু ৫৪ দেশের প্রতিনিধিদের ভোটে ডংফাং স্কলারশিপের অ্যাম্বাসেডর ডা. আউয়াল পরিসংখ্যান নয়, প্রভাবই গুরুত্বপূর্ণ: নিজেকে সর্বকালের সেরা বলতে নারাজ কোহলি শাহরুখকে দেখার আশায় মান্নাতের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতাম: রাজকুমার রাও জয়ের জন্মদিনে শাকিব-অপুর ভালোবাসার বার্তা সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর: যুবলীগ নেতা শাহ আলম অনিক গ্রেপ্তার নারায়ণগঞ্জে দোকানে ডাকাতি, দেশীয় অস্ত্রসহ ৫ জন গ্রেপ্তার কুবির লাইব্রেরিতে আসন নিয়ে বিরোধ, পরে দফায় দফায় সংঘর্ষে আহত ৮ নদী-খালের বেদখল জমি উদ্ধারে কঠোর সরকার: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

জাতিসংঘ সফরে বাংলাদেশের স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: মাহদী আমিন

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৫:৫৫:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১১ সময় দেখুন

চার দিনের ব্যস্ত কূটনৈতিক কর্মসূচি শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিয়ে একাধিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক, উচ্চপর্যায়ের আলোচনা ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে এ কথা জানিয়েছেন তাঁর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার পর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে মাহদী আমিন বলেন, সফরজুড়ে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, অগ্রাধিকার, সার্বভৌমত্ব ও সম্ভাবনার বিষয়গুলো বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরা হয়েছে।

মাহদী আমিন জানান, নিউইয়র্কে চার কর্মদিবসে প্রধানমন্ত্রী মোট ৩০টি কর্মসূচিতে অংশ নেন। এর মধ্যে ছিল বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ১১টি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাসংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মসূচি। এসব আলোচনায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জনশক্তি রপ্তানি, জ্বালানি নিরাপত্তা, আঞ্চলিক সহযোগিতা, রোহিঙ্গা সংকট, স্বাস্থ্য, জলবায়ু পরিবর্তন ও আন্তর্জাতিক শান্তির মতো বিষয় গুরুত্ব পায়।

আরও পড়ুনঃ  রোববারই মিলবে ঘরোয়া ক্রিকেটের নতুন পরিচয়, থাকছে ৬ ফ্র্যাঞ্চাইজি

জাতিসংঘে প্রথম ভাষণ

সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম ভাষণ। সেখানে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং তরুণ ও নারীদের জন্য সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা ও নীতির কথা তুলে ধরেন তিনি।

মাহদী আমিনের ভাষ্য, জাতিসংঘে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বশান্তি, ফিলিস্তিন, রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন ও টেকসই উন্নয়ন নিয়েও বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেছেন।

রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও সফরে একাধিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। এর আগে মাহদী আমিন জানিয়েছিলেন, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন

একাধিক দেশের সঙ্গে বৈঠক

সফরের বিভিন্ন পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন দেশের নেতা ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। আলোচনায় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জনশক্তি রপ্তানি, জ্বালানি নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক সহযোগিতার মতো বিষয় উঠে আসে।

মাহদী আমিন বলেন, জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সফরকালে বাংলাদেশ বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছ থেকে সহযোগিতা ও সমর্থনের আশ্বাস পেয়েছে। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মানবিক ভূমিকারও প্রশংসা করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

সফরসঙ্গী দলের আকার নিয়েও আলোচনা

প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী দলের আকার তুলনামূলক ছোট ছিল বলেও উল্লেখ করেন মাহদী আমিন। এর আগে তিনি জানিয়েছিলেন, সরকারি সফরসঙ্গী দলে ৩৫ জন সদস্য ছিলেন। বাণিজ্যিক ফ্লাইটে প্রধানমন্ত্রীর যাতায়াতের বিষয়টিও সফরের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে তুলে ধরা হয়।

আরও পড়ুনঃ  নিউইয়র্কে প্রথম দিনে ১০ কর্মসূচিতে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম ছালেহ (সালেহ শিবলী) বলেন, সফরের মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিবর্তনের একটি দিকও প্রতিফলিত হয়েছে। তাঁর দাবি, অতীতের মতো বিমানবন্দরে বড় ধরনের দলীয় জমায়েতকে প্রধানমন্ত্রী উৎসাহিত করেননি।

এখন নজর বাস্তবায়নে

মাহদী আমিন বলেন, সফরে উপস্থাপিত বিভিন্ন নীতি, পরিকল্পনা ও কর্মসূচিকে এখন বাস্তবায়নের দিকে নেওয়াই সরকারের পরবর্তী কাজ।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, জাতিসংঘ সফরের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের স্বার্থ ও অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরার পাশাপাশি দেশের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সুযোগ আরও বাড়বে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

তত্ত্বাবধায়ক সরকারসহ আরও দুই অনুচ্ছেদে গণভোটের প্রস্তাব বিএনপির

জাতিসংঘ সফরে বাংলাদেশের স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: মাহদী আমিন

আপডেটের সময়: ০৫:৫৫:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চার দিনের ব্যস্ত কূটনৈতিক কর্মসূচি শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিয়ে একাধিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক, উচ্চপর্যায়ের আলোচনা ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে এ কথা জানিয়েছেন তাঁর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার পর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে মাহদী আমিন বলেন, সফরজুড়ে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, অগ্রাধিকার, সার্বভৌমত্ব ও সম্ভাবনার বিষয়গুলো বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরা হয়েছে।

মাহদী আমিন জানান, নিউইয়র্কে চার কর্মদিবসে প্রধানমন্ত্রী মোট ৩০টি কর্মসূচিতে অংশ নেন। এর মধ্যে ছিল বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ১১টি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাসংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মসূচি। এসব আলোচনায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জনশক্তি রপ্তানি, জ্বালানি নিরাপত্তা, আঞ্চলিক সহযোগিতা, রোহিঙ্গা সংকট, স্বাস্থ্য, জলবায়ু পরিবর্তন ও আন্তর্জাতিক শান্তির মতো বিষয় গুরুত্ব পায়।

আরও পড়ুনঃ  অবসরে যাওয়া চাকরিজীবীদের মধ্যে যারা নতুন পে স্কেলের সুবিধা পাবেন না

জাতিসংঘে প্রথম ভাষণ

সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম ভাষণ। সেখানে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং তরুণ ও নারীদের জন্য সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা ও নীতির কথা তুলে ধরেন তিনি।

মাহদী আমিনের ভাষ্য, জাতিসংঘে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বশান্তি, ফিলিস্তিন, রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন ও টেকসই উন্নয়ন নিয়েও বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেছেন।

রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও সফরে একাধিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। এর আগে মাহদী আমিন জানিয়েছিলেন, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  সম্পদ কমলেও ভারতের ধনী অভিনেতাদের শীর্ষে শাহরুখ

একাধিক দেশের সঙ্গে বৈঠক

সফরের বিভিন্ন পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন দেশের নেতা ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। আলোচনায় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জনশক্তি রপ্তানি, জ্বালানি নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক সহযোগিতার মতো বিষয় উঠে আসে।

মাহদী আমিন বলেন, জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সফরকালে বাংলাদেশ বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছ থেকে সহযোগিতা ও সমর্থনের আশ্বাস পেয়েছে। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মানবিক ভূমিকারও প্রশংসা করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

সফরসঙ্গী দলের আকার নিয়েও আলোচনা

প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী দলের আকার তুলনামূলক ছোট ছিল বলেও উল্লেখ করেন মাহদী আমিন। এর আগে তিনি জানিয়েছিলেন, সরকারি সফরসঙ্গী দলে ৩৫ জন সদস্য ছিলেন। বাণিজ্যিক ফ্লাইটে প্রধানমন্ত্রীর যাতায়াতের বিষয়টিও সফরের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে তুলে ধরা হয়।

আরও পড়ুনঃ  উৎপাদন বাড়লেও মৎস্য খাতে প্রবৃদ্ধি কমছে, বিপন্ন নদী-হাওরের মাছ

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম ছালেহ (সালেহ শিবলী) বলেন, সফরের মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিবর্তনের একটি দিকও প্রতিফলিত হয়েছে। তাঁর দাবি, অতীতের মতো বিমানবন্দরে বড় ধরনের দলীয় জমায়েতকে প্রধানমন্ত্রী উৎসাহিত করেননি।

এখন নজর বাস্তবায়নে

মাহদী আমিন বলেন, সফরে উপস্থাপিত বিভিন্ন নীতি, পরিকল্পনা ও কর্মসূচিকে এখন বাস্তবায়নের দিকে নেওয়াই সরকারের পরবর্তী কাজ।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, জাতিসংঘ সফরের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের স্বার্থ ও অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরার পাশাপাশি দেশের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সুযোগ আরও বাড়বে।