ঢাকা ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগভিত্তিক লংমার্চ ঘোষণা সচিবালয় অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের মিছিল, পুলিশের বাধায় থেমে গেল ঘেরাও কর্মসূচি পরিবর্তনের দাবিতে রাজপথে তরুণরা: বিশ্বজুড়ে সরকারবিরোধী আন্দোলনের নতুন বাস্তবতা জুলাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৪১৬ জনের, আহত ৬২৯ ঢাকা সফরের শেষ দিনে লালবাগ কেল্লা পরিদর্শনে মার্কিন নৌবহর প্রধান আবারও বাড়ল সোনা-রুপার দাম, আজ থেকেই কার্যকর নতুন মূল্য শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক বক্তব্যের সুযোগ দেওয়া ভারতের পরিকল্পিত সিদ্ধান্ত: রিজভী  রাজধানীর চারপাশের নদীদূষণ রোধে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা, মৃত বেড়ে ৯৫ নদী রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর, দূষণকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙনে নিঃস্ব শতাধিক পরিবার, ক্ষোভ—‘রিলিফ নয়, নদীভাঙন ঠেকান’

টানা ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে জামালপুরের বকশীগঞ্জদেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। মাত্র এক সপ্তাহেই নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে অন্তত ৩০টি বসতবাড়ি, আর গৃহহীন হয়ে পড়েছে শতাধিক পরিবার।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার পাথরের চর বাজারের পূর্বপাড়গোয়ালকান্দা এলাকা। নদীর তীব্র স্রোতে প্রতিদিনই বদলে যাচ্ছে দুই গ্রামের মানচিত্র। ভাঙনের মুখে রয়েছে পাথরের চর বাজার, বিজিবি ক্যাম্প, মসজিদ, সড়ক এবং খেলার মাঠ।

আরও পড়ুনঃ  জীবননগরে নকল হারপিক তৈরির অভিযোগে কারখানাকে লাখ টাকা জরিমানা

স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর নদীভাঙন চললেও স্থায়ী প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতিবছরই অসংখ্য পরিবার বসতভিটা হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছে।

নদীভাঙনে সর্বস্ব হারানো জরিনা বেগম বলেন, “আমাদের পায়ের নিচে মাটি নেই, মাথার ওপর ছাদ নেই। আমরা রিলিফের পোটলা চাই না, নদীভাঙন ঠেকান। কাজ করে খেতে পারব।”

আরেক ক্ষতিগ্রস্ত আলী আহমদ জানান, প্রতিবছর বর্ষায় নদীভাঙনে মানুষ নিঃস্ব হয়ে পড়লেও স্থায়ী সমাধানের বদলে শুধু সাময়িক ত্রাণই মেলে। তার দাবি, ভাঙন রোধে কার্যকর উদ্যোগই এখন সবচেয়ে জরুরি।

আরও পড়ুনঃ  ‘দ্য ওডিসি’র দাপট: ৩০ মিনিটেই শেষ বিএফআই আইম্যাক্সের সব টিকিট

স্থানীয় বাসিন্দা তারা মিয়া বলেন, চোখের সামনে নদী তাদের ঘরবাড়ি ও সহায়-সম্পদ গিলে খাচ্ছে, অথচ প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেই। অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ২০৪৫ সালের ঢাকা: ৮ মেট্রোরেল, ৬ এক্সপ্রেসওয়ে ও ২১ পরিবহন হাবের মহাপরিকল্পনা

এদিকে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। তবে এখনো প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ ও অনুমোদন মেলেনি।

জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনের পর প্রকল্পের জন্য অর্থ বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যক্রম শুরু করা হবে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগভিত্তিক লংমার্চ ঘোষণা

জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙনে নিঃস্ব শতাধিক পরিবার, ক্ষোভ—‘রিলিফ নয়, নদীভাঙন ঠেকান’

আপডেটের সময়: ০৮:৩৬:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

টানা ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে জামালপুরের বকশীগঞ্জদেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। মাত্র এক সপ্তাহেই নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে অন্তত ৩০টি বসতবাড়ি, আর গৃহহীন হয়ে পড়েছে শতাধিক পরিবার।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার পাথরের চর বাজারের পূর্বপাড়গোয়ালকান্দা এলাকা। নদীর তীব্র স্রোতে প্রতিদিনই বদলে যাচ্ছে দুই গ্রামের মানচিত্র। ভাঙনের মুখে রয়েছে পাথরের চর বাজার, বিজিবি ক্যাম্প, মসজিদ, সড়ক এবং খেলার মাঠ।

আরও পড়ুনঃ  সৌদি উপপররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফর শুরু, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ

স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর নদীভাঙন চললেও স্থায়ী প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতিবছরই অসংখ্য পরিবার বসতভিটা হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছে।

নদীভাঙনে সর্বস্ব হারানো জরিনা বেগম বলেন, “আমাদের পায়ের নিচে মাটি নেই, মাথার ওপর ছাদ নেই। আমরা রিলিফের পোটলা চাই না, নদীভাঙন ঠেকান। কাজ করে খেতে পারব।”

আরেক ক্ষতিগ্রস্ত আলী আহমদ জানান, প্রতিবছর বর্ষায় নদীভাঙনে মানুষ নিঃস্ব হয়ে পড়লেও স্থায়ী সমাধানের বদলে শুধু সাময়িক ত্রাণই মেলে। তার দাবি, ভাঙন রোধে কার্যকর উদ্যোগই এখন সবচেয়ে জরুরি।

আরও পড়ুনঃ  আগস্টে বাড়ল এলপিজির দাম, ১২ কেজি সিলিন্ডার ১,৫৯৮ টাকা

স্থানীয় বাসিন্দা তারা মিয়া বলেন, চোখের সামনে নদী তাদের ঘরবাড়ি ও সহায়-সম্পদ গিলে খাচ্ছে, অথচ প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেই। অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  জীবননগরে নকল হারপিক তৈরির অভিযোগে কারখানাকে লাখ টাকা জরিমানা

এদিকে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। তবে এখনো প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ ও অনুমোদন মেলেনি।

জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনের পর প্রকল্পের জন্য অর্থ বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যক্রম শুরু করা হবে।