ঢাকা ০৪:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
শেখ হাসিনার পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ স্বজনদের অনেকে দেশের বাইরে শিকলমুক্ত গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়তে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: তথ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা পেল ইসি, শিগগির আসছে তফসিল ফেসবুক পোস্টে আওয়ামী লীগের রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা প্রবীণ নেতার জনগণের অধিকার আদায়ে ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের ঘোষণা জামায়াত আমিরের মৃত্যুদণ্ডের বিধান থাকায় জুলাই হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য দেয়নি জাতিসংঘ ২-৩ দিনের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে: জ্বালানি মন্ত্রী মিরাজের সেঞ্চুরিতে আত্মবিশ্বাস বাড়বে, বললেন টাইগার অলরাউন্ডার নতুন মার্কিন হামলা হলে উপসাগরীয় জ্বালানি স্থাপনায় আঘাতের হুঁশিয়ারি ইরানের ম্যাচ চলাকালে বজ্রপাত, প্রাণ গেল ফুটবলারের
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙনে নিঃস্ব শতাধিক পরিবার, ক্ষোভ—‘রিলিফ নয়, নদীভাঙন ঠেকান’

টানা ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে জামালপুরের বকশীগঞ্জদেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। মাত্র এক সপ্তাহেই নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে অন্তত ৩০টি বসতবাড়ি, আর গৃহহীন হয়ে পড়েছে শতাধিক পরিবার।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার পাথরের চর বাজারের পূর্বপাড়গোয়ালকান্দা এলাকা। নদীর তীব্র স্রোতে প্রতিদিনই বদলে যাচ্ছে দুই গ্রামের মানচিত্র। ভাঙনের মুখে রয়েছে পাথরের চর বাজার, বিজিবি ক্যাম্প, মসজিদ, সড়ক এবং খেলার মাঠ।

আরও পড়ুনঃ  গোহাইল রোডে স্বস্তির ছোঁয়া, শুরু হলো জরুরি সংস্কার

স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর নদীভাঙন চললেও স্থায়ী প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতিবছরই অসংখ্য পরিবার বসতভিটা হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছে।

নদীভাঙনে সর্বস্ব হারানো জরিনা বেগম বলেন, “আমাদের পায়ের নিচে মাটি নেই, মাথার ওপর ছাদ নেই। আমরা রিলিফের পোটলা চাই না, নদীভাঙন ঠেকান। কাজ করে খেতে পারব।”

আরেক ক্ষতিগ্রস্ত আলী আহমদ জানান, প্রতিবছর বর্ষায় নদীভাঙনে মানুষ নিঃস্ব হয়ে পড়লেও স্থায়ী সমাধানের বদলে শুধু সাময়িক ত্রাণই মেলে। তার দাবি, ভাঙন রোধে কার্যকর উদ্যোগই এখন সবচেয়ে জরুরি।

আরও পড়ুনঃ  সততা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান অ্যাটর্নি জেনারেলের

স্থানীয় বাসিন্দা তারা মিয়া বলেন, চোখের সামনে নদী তাদের ঘরবাড়ি ও সহায়-সম্পদ গিলে খাচ্ছে, অথচ প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেই। অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  স্বর্ণের দামে বড় উল্লম্ফন, ২২ ক্যারেটের ভরি এখন ২ লাখ ২৩ হাজার টাকা

এদিকে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। তবে এখনো প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ ও অনুমোদন মেলেনি।

জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনের পর প্রকল্পের জন্য অর্থ বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যক্রম শুরু করা হবে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

শেখ হাসিনার পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ স্বজনদের অনেকে দেশের বাইরে

জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙনে নিঃস্ব শতাধিক পরিবার, ক্ষোভ—‘রিলিফ নয়, নদীভাঙন ঠেকান’

আপডেটের সময়: ০৮:৩৬:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

টানা ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে জামালপুরের বকশীগঞ্জদেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। মাত্র এক সপ্তাহেই নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে অন্তত ৩০টি বসতবাড়ি, আর গৃহহীন হয়ে পড়েছে শতাধিক পরিবার।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার পাথরের চর বাজারের পূর্বপাড়গোয়ালকান্দা এলাকা। নদীর তীব্র স্রোতে প্রতিদিনই বদলে যাচ্ছে দুই গ্রামের মানচিত্র। ভাঙনের মুখে রয়েছে পাথরের চর বাজার, বিজিবি ক্যাম্প, মসজিদ, সড়ক এবং খেলার মাঠ।

আরও পড়ুনঃ  গোহাইল রোডে স্বস্তির ছোঁয়া, শুরু হলো জরুরি সংস্কার

স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর নদীভাঙন চললেও স্থায়ী প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতিবছরই অসংখ্য পরিবার বসতভিটা হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছে।

নদীভাঙনে সর্বস্ব হারানো জরিনা বেগম বলেন, “আমাদের পায়ের নিচে মাটি নেই, মাথার ওপর ছাদ নেই। আমরা রিলিফের পোটলা চাই না, নদীভাঙন ঠেকান। কাজ করে খেতে পারব।”

আরেক ক্ষতিগ্রস্ত আলী আহমদ জানান, প্রতিবছর বর্ষায় নদীভাঙনে মানুষ নিঃস্ব হয়ে পড়লেও স্থায়ী সমাধানের বদলে শুধু সাময়িক ত্রাণই মেলে। তার দাবি, ভাঙন রোধে কার্যকর উদ্যোগই এখন সবচেয়ে জরুরি।

আরও পড়ুনঃ  মাত্র ৮৫ রান করেই শিরোপা, টি-টোয়েন্টি ফাইনালে ইতিহাস গড়ল গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্স

স্থানীয় বাসিন্দা তারা মিয়া বলেন, চোখের সামনে নদী তাদের ঘরবাড়ি ও সহায়-সম্পদ গিলে খাচ্ছে, অথচ প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেই। অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  কক্সবাজারে ভারী বর্ষণে পাহাড়ধস, মেরিন ড্রাইভে যান চলাচলে বিঘ্ন

এদিকে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। তবে এখনো প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ ও অনুমোদন মেলেনি।

জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনের পর প্রকল্পের জন্য অর্থ বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যক্রম শুরু করা হবে।