২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় জাতিসংঘের তথ্য-অনুসন্ধানী (ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং) প্রতিবেদনে উল্লেখ করা প্রত্যক্ষদর্শীদের পরিচয় বাংলাদেশকে দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে এখনো মৃত্যুদণ্ডের বিধান বহাল থাকায় এসব প্রত্যক্ষদর্শীর তথ্য সরবরাহ করা হয়নি বলে ট্রাইব্যুনালকে জানিয়েছেন প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, মোহাম্মদ আলী আরাফাতসহ সাতজনের বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় তিনি এ তথ্য জানান।
যুক্তিতর্কে প্রসিকিউটর বলেন, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর (ওএইচসিএইচআর) জানিয়েছে, তাদের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং প্রতিবেদনে ব্যবহৃত প্রত্যক্ষদর্শীদের পরিচয় বাংলাদেশকে দেওয়া হবে না, যতক্ষণ না আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন থেকে মৃত্যুদণ্ডের বিধান বাতিল করা হয়।
তিনি বলেন, জাতিসংঘের প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য না পাওয়ায় প্রসিকিউশন নিজস্ব সাক্ষীদের আদালতে উপস্থাপন করেছে।
প্রসিকিউটর আরও জানান, ওএইচসিএইচআরের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং প্রতিবেদনে ২০২৪ সালের ১৪ থেকে ১৭ জুলাইয়ের মধ্যে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার ঘটনায় আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সশস্ত্র কর্মীদের জড়িত থাকার বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণ-অভ্যুত্থানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তে জাতিসংঘের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশন একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে বিক্ষোভ চলাকালে প্রায় ১ হাজার ৪০০ জন নিহত হওয়ার তথ্য উল্লেখ করা হয়।
প্রতিবেদকের নাম 




















