ঢাকা ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

দুর্নীতির ১৫ মামলায় মির্জা আব্বাসসহ সব আসামি খালাস

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৯:২৬:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৮ সময় দেখুন

 

রাজধানীর ১৮টি পরিত্যক্ত সরকারি বাড়ি বিক্রিতে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা ১৫ মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসকে খালাস দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে এসব মামলার অন্য আসামিরাও খালাস পেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক মুহাম্মদ কামরুল হাসান খান এ রায় ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুনঃ  আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.), দেশজুড়ে নানা কর্মসূচি

মামলাগুলোতে অভিযোগ ছিল, দরপত্র প্রক্রিয়ায় কারচুপি ও অনিয়মের মাধ্যমে রাজধানীর ১৮টি পরিত্যক্ত বাড়ি পছন্দের ব্যক্তিদের কাছে বিক্রি করে সরকারের ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ টাকা আর্থিক ক্ষতি করা হয়েছে।

২০০৭ সালে মামলা

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০০৭ সালের ২৯ মার্চ এ ঘটনায় পৃথক ১৫টি মামলা করে। মামলাগুলোতে মির্জা আব্বাসসহ মোট ২১ জনকে আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে একই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  চার দিনে রিজার্ভ বাড়ল ১১৯ মিলিয়ন ডলার, ছাড়াল ৩৭ বিলিয়ন

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, রাজউকের মাধ্যমে এসব সরকারি বাড়ি বিক্রির ক্ষেত্রে দরপত্রে অনিয়ম ও কারচুপির মাধ্যমে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল।

অন্য আসামিরাও খালাস

মির্জা আব্বাসের সঙ্গে মামলাগুলোতে এস এম জাফর উল্লাহ, মো. এমদাদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী, গোলাম নবী, কাজী রিয়াজুল মনির, জিয়াউদ্দিন আহমেদ, আব্দুস সাদেক, হুমায়ন খান, মীর মোশাররফ হোসেন, ইকবাল উদ্দিন চৌধুরী ও মো. শহীদ আলমসহ আরও কয়েকজন আসামি ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  রাষ্ট্রপতির ঠাকুরগাঁও সফর স্থগিত, নতুন তারিখ হতে পারে শিগগিরই

এ ছাড়া আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, আহমেদ আকবর সোবহান, মেহেদী হাসান, শফিকুর রহমান কিরন, নুরুচ্ছাফা, মো. শুকুর মিয়া, হাসনা আহমেদ ও আলী হায়দার চৌধুরী পৃথক মামলায় আসামি ছিলেন। আদালতের রায়ে তারাও খালাস পেয়েছেন।

দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর এসব মামলার নিষ্পত্তি হলো।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

দুর্নীতির ১৫ মামলায় মির্জা আব্বাসসহ সব আসামি খালাস

আপডেটের সময়: ০৯:২৬:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

 

রাজধানীর ১৮টি পরিত্যক্ত সরকারি বাড়ি বিক্রিতে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা ১৫ মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসকে খালাস দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে এসব মামলার অন্য আসামিরাও খালাস পেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক মুহাম্মদ কামরুল হাসান খান এ রায় ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুনঃ  কিশোরগঞ্জ ও জামালপুরের দায়িত্ব পেলেন প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী

মামলাগুলোতে অভিযোগ ছিল, দরপত্র প্রক্রিয়ায় কারচুপি ও অনিয়মের মাধ্যমে রাজধানীর ১৮টি পরিত্যক্ত বাড়ি পছন্দের ব্যক্তিদের কাছে বিক্রি করে সরকারের ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ টাকা আর্থিক ক্ষতি করা হয়েছে।

২০০৭ সালে মামলা

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০০৭ সালের ২৯ মার্চ এ ঘটনায় পৃথক ১৫টি মামলা করে। মামলাগুলোতে মির্জা আব্বাসসহ মোট ২১ জনকে আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে একই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু না হওয়ায় ইইউ রাষ্ট্রদূতের উদ্বেগ

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, রাজউকের মাধ্যমে এসব সরকারি বাড়ি বিক্রির ক্ষেত্রে দরপত্রে অনিয়ম ও কারচুপির মাধ্যমে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল।

অন্য আসামিরাও খালাস

মির্জা আব্বাসের সঙ্গে মামলাগুলোতে এস এম জাফর উল্লাহ, মো. এমদাদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী, গোলাম নবী, কাজী রিয়াজুল মনির, জিয়াউদ্দিন আহমেদ, আব্দুস সাদেক, হুমায়ন খান, মীর মোশাররফ হোসেন, ইকবাল উদ্দিন চৌধুরী ও মো. শহীদ আলমসহ আরও কয়েকজন আসামি ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  এসএসসি পাসের পর কলেজে ভর্তির স্বপ্ন, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল আকিমুনের

এ ছাড়া আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, আহমেদ আকবর সোবহান, মেহেদী হাসান, শফিকুর রহমান কিরন, নুরুচ্ছাফা, মো. শুকুর মিয়া, হাসনা আহমেদ ও আলী হায়দার চৌধুরী পৃথক মামলায় আসামি ছিলেন। আদালতের রায়ে তারাও খালাস পেয়েছেন।

দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর এসব মামলার নিষ্পত্তি হলো।