ঢাকা ১১:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

ব্যাংক খাত সংস্কারে বিশ্বব্যাংকের ৪৫০ মিলিয়ন ডলারের ঋণ

দেশের আর্থিক খাতের সুরক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করা, তদারকি সক্ষমতা বাড়ানো এবং ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে সহায়তার জন্য বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণচুক্তি করেছে বাংলাদেশ।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের সহজ শর্তে ঋণ প্রদানকারী সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (আইডিএ) মধ্যে ‘ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টর সাপোর্ট প্রজেক্ট-২’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ডিরেক্টর জ্যঁ পেসমে নিজ নিজ পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

আরও পড়ুনঃ  এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেলের জরুরি নির্দেশনা

প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ ৩২৮ মিলিয়ন স্পেশাল ড্রয়িং রাইটস (এসডিআর) পাবে, যা ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ। প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০৩১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের (এফআইডি) তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।

প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের আর্থিক খাতের সুরক্ষাব্যবস্থা জোরদার করা, নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর তদারকি সক্ষমতা বাড়ানো এবং ব্যাংক খাতের পুনর্গঠনে সহায়তা করা।

আরও পড়ুনঃ  আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ২২ ক্যারেটের গহনা ২ লাখ ২৪ হাজার টাকা

ঋণের শর্ত

চুক্তি অনুযায়ী, উত্তোলিত ঋণের স্থিতির ওপর বার্ষিক ১ দশমিক ৫ শতাংশ সুদ দিতে হবে। এ ছাড়া অনুত্তোলিত অর্থের ওপর বছরে সর্বোচ্চ শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ হারে কমিটমেন্ট ফি প্রযোজ্য হবে।

তবে ইআরডির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, চলতি অর্থবছরসহ দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশকে এ প্রতিশ্রুতি ফি থেকে অব্যাহতি দিয়ে আসছে বিশ্বব্যাংক।

আরও পড়ুনঃ  নভেম্বর মাসের জন্য জেট ফুয়েলের নতুন দাম

ঋণ পরিশোধের মেয়াদ ২৫ বছর। এর মধ্যে প্রথম পাঁচ বছর গ্রেস পিরিয়ড বা ঋণ পরিশোধে রেয়াতি সময় হিসেবে নির্ধারিত রয়েছে।

ইআরডি জানায়, বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের বৃহত্তম বহুপক্ষীয় উন্নয়ন সহযোগী। সংস্থাটির অর্থায়ন অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং জ্বালানি খাতের অগ্রগতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে।

সর্বশেষ এ ঋণচুক্তির মাধ্যমে দেশের আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদারে বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের চলমান সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ব্যাংক খাত সংস্কারে বিশ্বব্যাংকের ৪৫০ মিলিয়ন ডলারের ঋণ

আপডেটের সময়: ০৭:৪৪:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

দেশের আর্থিক খাতের সুরক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করা, তদারকি সক্ষমতা বাড়ানো এবং ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে সহায়তার জন্য বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণচুক্তি করেছে বাংলাদেশ।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের সহজ শর্তে ঋণ প্রদানকারী সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (আইডিএ) মধ্যে ‘ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টর সাপোর্ট প্রজেক্ট-২’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ডিরেক্টর জ্যঁ পেসমে নিজ নিজ পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

আরও পড়ুনঃ  কর্মক্ষম মানুষের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারছে না বাংলাদেশ: বিশ্বব্যাংক

প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ ৩২৮ মিলিয়ন স্পেশাল ড্রয়িং রাইটস (এসডিআর) পাবে, যা ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ। প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০৩১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের (এফআইডি) তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।

প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের আর্থিক খাতের সুরক্ষাব্যবস্থা জোরদার করা, নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর তদারকি সক্ষমতা বাড়ানো এবং ব্যাংক খাতের পুনর্গঠনে সহায়তা করা।

আরও পড়ুনঃ  ৭ নভেম্বর সারাদেশের পোশাক কারখানায় ছুটি, বিজিএমইএর ঘোষণা

ঋণের শর্ত

চুক্তি অনুযায়ী, উত্তোলিত ঋণের স্থিতির ওপর বার্ষিক ১ দশমিক ৫ শতাংশ সুদ দিতে হবে। এ ছাড়া অনুত্তোলিত অর্থের ওপর বছরে সর্বোচ্চ শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ হারে কমিটমেন্ট ফি প্রযোজ্য হবে।

তবে ইআরডির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, চলতি অর্থবছরসহ দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশকে এ প্রতিশ্রুতি ফি থেকে অব্যাহতি দিয়ে আসছে বিশ্বব্যাংক।

আরও পড়ুনঃ  নভেম্বর মাসের জন্য জেট ফুয়েলের নতুন দাম

ঋণ পরিশোধের মেয়াদ ২৫ বছর। এর মধ্যে প্রথম পাঁচ বছর গ্রেস পিরিয়ড বা ঋণ পরিশোধে রেয়াতি সময় হিসেবে নির্ধারিত রয়েছে।

ইআরডি জানায়, বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের বৃহত্তম বহুপক্ষীয় উন্নয়ন সহযোগী। সংস্থাটির অর্থায়ন অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং জ্বালানি খাতের অগ্রগতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে।

সর্বশেষ এ ঋণচুক্তির মাধ্যমে দেশের আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদারে বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের চলমান সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।