পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত লাখো মুসল্লি ইতোমধ্যে মিনায় পৌঁছেছেন। রোববার (২৪ মে) এশার নামাজের পর থেকেই হাজিরা ‘তাবুর নগরী’ খ্যাত মিনার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন।
মিনায় রওনা হওয়ার আগে হজযাত্রীরা ইহরামের কাপড় পরে হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমে অংশ নেন। শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, ৮ জিলহজ হাজিরা মিনায় অবস্থান করবেন এবং সেখানে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবেন।
এরপর ৯ জিলহজ হাজিরারা আরাফাতের ময়দানের উদ্দেশে রওনা দেবেন। সেখানে হজের খুতবা প্রদান করবেন মসজিদে নববীর প্রধান ইমাম ও খতিব শায়েখ আলি বিন আবদুল রহমান আল-হুদাইফি। খুতবার পর হাজিরা একসঙ্গে জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করবেন এবং সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতে অবস্থান করবেন।
সূর্যাস্তের পর হাজিরারা মুজদালিফায় যাবেন। সেখানে মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় শেষে খোলা আকাশের নিচে রাত যাপন করবেন। পরদিন ১০ জিলহজ সকালে মিনায় ফিরে বড় জামরায় কঙ্কর নিক্ষেপ, পশু কোরবানি এবং মাথা মুণ্ডন বা চুল ছোট করার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন।
১১ ও ১২ জিলহজ হজের বাকি আনুষ্ঠানিকতা শেষে হাজিরা মিনা ত্যাগ করবেন।
চলতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ১৬ থেকে ১৮ লাখ মুসলমান হজ পালন করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ থেকে এ বছর প্রায় সাড়ে ৭৮ হাজার হজযাত্রী সৌদি আরবে গেছেন।
হজকে কেন্দ্র করে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সৌদি প্রশাসন। দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, হাজিদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে ইবাদত পালনের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















