আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ৭৯ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ৩-২ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে মিশর। নাটকীয় এই পরাজয়ের পর ম্যাচ পরিচালনা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মিশরের প্রধান কোচ হোসাম হাসান। তার অভিযোগ, রেফারিংয়ের কারণে তাদের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন ভেঙে গেছে এবং দলটি স্পষ্টভাবে অবিচারের শিকার হয়েছে।
ম্যাচের শুরু থেকেই দারুণ খেলতে থাকা মিশর প্রথম ১৫ মিনিটেই লিড নেয়। দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান ২-০ করলে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের শেষ আটে ওঠার আশা আরও জোরালো হয়। তবে শেষদিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে তিনটি গোল করে জয় তুলে নেয় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে হোসাম হাসান বলেন, “আজ আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। আমাদের প্রতি অবিচার করা হয়েছে। আমি এটিকে শুধু দুর্ভাগ্য বলতে চাই না।”
মিশরের অভিযোগ, ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকার সময় মোস্তাফা জিকোর একটি বৈধ গোল বাতিল করা হয়। পরে জিকো আরেকটি গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করলেও শেষ পর্যন্ত সেটি জয়ের জন্য যথেষ্ট হয়নি।
অন্যদিকে আর্জেন্টিনা প্রথমে ক্রিস্তিয়ান রোমেরোর গোলে ব্যবধান কমায়। এরপর প্রথমার্ধে পেনাল্টি মিস করা লিওনেল মেসি নিজের অষ্টম গোল করে সমতা ফেরান। ম্যাচের শেষদিকে এনজো ফার্নান্দেজ জয়সূচক গোল করার আগে বিল্ড-আপে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার হামদি ফাথির জার্সি টেনে ধরেছিলেন বলে দাবি করে মিশর। তাদের মতে, ওই ঘটনায় পেনাল্টি পাওয়া উচিত ছিল।
হোসাম হাসান বলেন, “আমরা কোনো সম্মান বা ফেয়ার প্লে দেখিনি। আমাদের একটি পেনাল্টি দেওয়া হয়নি, ভিএআরেও সেটি দেখা হয়নি। দ্বিতীয় একটি গোলও অবিশ্বাস্যভাবে বাতিল করা হয়েছে। অথচ সবাই স্পষ্টভাবে দেখেছে জার্সি টেনে ধরা হয়েছিল।”
রেফারিং নিয়ে নিজের হতাশা প্রকাশ করে মিশর কোচ আরও বলেন, এই টুর্নামেন্টে তিনি আর কোনো ম্যাচ দেখবেন না। তার ভাষায়, “এটাই আমার প্রতিবাদ জানানোর নিজস্ব উপায়।”
প্রতিবেদকের নাম 




















