ঢাকা ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রাজশাহীতে আরএমপির বিশেষ চেকপোস্ট, ৯৬ মামলা ও ৫৭ যানবাহন আটক পাংশায় ইয়াবাসহ দুই নারী ইউপি সদস্য আটক, উদ্ধার ৩০ পিস ইনসাফ ও মানবিক মর্যাদার সমাজ প্রতিষ্ঠাই মহানবীর শিক্ষা: রাষ্ট্রপতি কলম্বো টেস্ট থেকে রিয়াল-সোসিয়েদাদ, টিভিতে আজকের খেলার সূচি জন্মসনদেই শিক্ষার্থীদের নগদ অ্যাকাউন্ট, বিডিআরআইএসের সঙ্গে চুক্তি তিস্তা মহাপরিকল্পনার ভিত্তিপ্রস্তর ২০২৭ সালে: ত্রাণমন্ত্রী রংপুরে ৪ খুন: আদালতে সীমান্তের জবানবন্দি, মিলেছে আসামিদের বক্তব্যের সঙ্গে বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবি, নিখোঁজ ৫ জেলেকে উদ্ধারে তৎপরতা আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.), দেশজুড়ে নানা কর্মসূচি সালমান শাহ হত্যা মামলা: জজ আদালতেও ডনের জামিন প্রত্যাখ্যান
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্মিলিত দায়িত্ব: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকট সমাধান করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্মিলিত রাজনৈতিক ও নৈতিক দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের একার পক্ষে এই সংকটের বোঝা বহন করা সম্ভব নয়।

রোববার (২৩ আগস্ট) রাজধানীতে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) ও অক্সফাম ইন বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে ‘রোহিঙ্গা সংকটের ১০ বছর: মানবিক সহায়তা থেকে টেকসই সমাধানের পথে’ শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের প্রায় এক দশক পূর্তি শুধু অতীত পর্যালোচনার সময় নয়; বরং নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার সময়। টেকসই সমাধান ছাড়া আরেকটি দশক পার হতে দেওয়া উচিত নয়।

আরও পড়ুনঃ  বঙ্গভবনে আজ রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেবেন মির্জা ফখরুল

তিনি বলেন, ২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের ব্যাপক অনুপ্রবেশের পর থেকে বাংলাদেশ মানবিক কারণে তাদের আশ্রয় দিয়ে আসছে। বর্তমানে দেশে ১২ লাখেরও বেশি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। এতে বাংলাদেশের অবকাঠামো, পরিবেশ, জনসেবা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি হয়েছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আশ্রয় ও মানবিক সহায়তা দিতে পারে, কিন্তু যে সংকট বাংলাদেশ সৃষ্টি করেনি, তার সমাধান একা বাংলাদেশের পক্ষে সম্ভব নয়। আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে গেলে রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠী উভয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

আরও পড়ুনঃ  জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের শ্রদ্ধা

তিনি আন্তর্জাতিক অংশীদারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, মানবিক সহায়তায় ক্লান্তি যেন মানবিক পরিত্যাগে পরিণত না হয়। খাদ্য, পুষ্টি, পানি, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও সুরক্ষা রোহিঙ্গাদের জন্য অপরিহার্য।

রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান মিয়ানমারেই খুঁজে বের করতে হবে উল্লেখ করে শামা বলেন, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনই বাংলাদেশের চূড়ান্ত লক্ষ্য। দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ভিত্তিতে প্রত্যাবাসনের যাচাই প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।

আরও পড়ুনঃ  বিমানবন্দর এলাকা থেকে ৪০ ভবঘুরে-ভিক্ষুক আটক

তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সহজতর করতে বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় চ্যানেল, জাতিসংঘ, আঞ্চলিক ব্যবস্থা ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রাখবে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব ভাগাভাগি শুধু সহানুভূতি বা সংহতির বক্তব্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। এর সঙ্গে কার্যকর পদক্ষেপ, পূর্বানুমেয় অর্থায়ন, ধারাবাহিক কূটনৈতিক উদ্যোগ, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা শুধু বেঁচে থাকার জন্য নয়, একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ, ঘর, মর্যাদা এবং শান্তিপূর্ণভাবে নিজ মাতৃভূমিতে ফিরে যাওয়ার অধিকার রাখে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

রাজশাহীতে আরএমপির বিশেষ চেকপোস্ট, ৯৬ মামলা ও ৫৭ যানবাহন আটক

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্মিলিত দায়িত্ব: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আপডেটের সময়: ০৭:৫৩:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকট সমাধান করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্মিলিত রাজনৈতিক ও নৈতিক দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের একার পক্ষে এই সংকটের বোঝা বহন করা সম্ভব নয়।

রোববার (২৩ আগস্ট) রাজধানীতে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) ও অক্সফাম ইন বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে ‘রোহিঙ্গা সংকটের ১০ বছর: মানবিক সহায়তা থেকে টেকসই সমাধানের পথে’ শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের প্রায় এক দশক পূর্তি শুধু অতীত পর্যালোচনার সময় নয়; বরং নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার সময়। টেকসই সমাধান ছাড়া আরেকটি দশক পার হতে দেওয়া উচিত নয়।

আরও পড়ুনঃ  রাজনীতির ময়দান পেরিয়ে বঙ্গভবনে মির্জা ফখরুল, পেলেন ২৫৫ ভোট

তিনি বলেন, ২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের ব্যাপক অনুপ্রবেশের পর থেকে বাংলাদেশ মানবিক কারণে তাদের আশ্রয় দিয়ে আসছে। বর্তমানে দেশে ১২ লাখেরও বেশি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। এতে বাংলাদেশের অবকাঠামো, পরিবেশ, জনসেবা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি হয়েছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আশ্রয় ও মানবিক সহায়তা দিতে পারে, কিন্তু যে সংকট বাংলাদেশ সৃষ্টি করেনি, তার সমাধান একা বাংলাদেশের পক্ষে সম্ভব নয়। আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে গেলে রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠী উভয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

আরও পড়ুনঃ  বিমানবন্দর এলাকা থেকে ৪০ ভবঘুরে-ভিক্ষুক আটক

তিনি আন্তর্জাতিক অংশীদারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, মানবিক সহায়তায় ক্লান্তি যেন মানবিক পরিত্যাগে পরিণত না হয়। খাদ্য, পুষ্টি, পানি, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও সুরক্ষা রোহিঙ্গাদের জন্য অপরিহার্য।

রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান মিয়ানমারেই খুঁজে বের করতে হবে উল্লেখ করে শামা বলেন, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনই বাংলাদেশের চূড়ান্ত লক্ষ্য। দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ভিত্তিতে প্রত্যাবাসনের যাচাই প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।

আরও পড়ুনঃ  জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের শ্রদ্ধা

তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সহজতর করতে বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় চ্যানেল, জাতিসংঘ, আঞ্চলিক ব্যবস্থা ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রাখবে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব ভাগাভাগি শুধু সহানুভূতি বা সংহতির বক্তব্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। এর সঙ্গে কার্যকর পদক্ষেপ, পূর্বানুমেয় অর্থায়ন, ধারাবাহিক কূটনৈতিক উদ্যোগ, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা শুধু বেঁচে থাকার জন্য নয়, একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ, ঘর, মর্যাদা এবং শান্তিপূর্ণভাবে নিজ মাতৃভূমিতে ফিরে যাওয়ার অধিকার রাখে।