জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির বৈঠকে অংশ নেয়নি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির সদস্যসচিব ও রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন জানিয়েছেন, প্রচলিত সংসদীয় পদ্ধতিতে গঠিত এই কমিটির মাধ্যমে সংবিধান সংস্কারের উদ্যোগে এনসিপি অংশ নেবে না।
রোববার ২০সেপ্টেম্বর২০ সেপ্টেম্বর বিকেলে নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার ডাউয়াবাড়ী মনছারের ঘাটে কৃষক সমাবেশ ও গণশুনানি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান আখতার হোসেন।
তিনি বলেন, শুরু থেকেই এনসিপি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি জানিয়ে আসছে। তবে সরকার সে পথে না গিয়ে সংসদের মাধ্যমে সংবিধান সংশোধনের জন্য বিশেষ কমিটি গঠন করেছে। তার মতে, এভাবে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নিলে চলমান সাংবিধানিক সংকটের সমাধানের পরিবর্তে তা আরও জটিল হতে পারে।
আখতার হোসেনের ভাষ্য, গণভোটে সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে যে রায় এসেছে, তা সংবিধান সংস্কার পরিষদের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা উচিত। তিনি দাবি করেন, জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের জন্য এ ধরনের একটি পরিষদ গঠন প্রয়োজন।
গণভোটের ফলাফল নিয়েও সরকারের অবস্থানের সমালোচনা করেন তিনি। আখতার হোসেনের দাবি, গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’ পক্ষের অবস্থান নিয়েছিল। এই রায়ের পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য সংবিধান সংস্কার পরিষদের মাধ্যমে আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সংবিধান সংশোধন কমিটিতে এনসিপির অংশ না নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, সরকার যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের মাধ্যমে আলোচনায় এগিয়ে আসে, তাহলে দলটি সেখানে অংশ নিতে প্রস্তুত। তবে বর্তমান সংসদীয় পদ্ধতিতে গঠিত সংবিধান সংশোধন কমিটির কার্যক্রমে এনসিপি অংশ নেবে না।
এদিকে এনসিপির বয়কটের মধ্যেই ২০ সেপ্টেম্বর সংসদে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির মতবিনিময় শুরু হয়।
জলঢাকার ওই কর্মসূচিতে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ও দিনাজপুর অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক আবু সাঈদ লিওনসহ দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিবেদকের নাম 


























