ঢাকা ১১:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে চরম মানসিক চাপে মার্কিন নৌসেনারা ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ নিয়ে ছাত্রদলের বিক্ষোভ, ইউএনওকে লাঞ্ছিতের অভিযোগ সঞ্চয়পত্রের উৎসে কর পুনর্বহালসহ ৪ দাবি ঢাকা ট্যাক্সেস বারের রিমান্ড শেষে কারাগারে সাবেক যুগ্ম সচিব জগলুল পাশা রাজধানীতে নির্মাণাধীন ভবনের দেয়াল ধসে শিশুর মৃত্যু, আহত ২ গ্যাস সংকটে জামালপুর-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কে চালকদের অবরোধ বগুড়ায় নিষিদ্ধ রাসায়নিক দিয়ে তৈরি ৩০ কেজি জিলাপি ধ্বংস নিজেদের স্বার্থেই শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে ভারত: রিজভী গ্যাস সংকটে চট্টগ্রামে কারখানায় বন্ধ হয়ে যাচ্ছে উৎপাদন দিল্লির আমন্ত্রণে তারেক রহমান কি ভারত সফরে যাবেন?
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

সন্ধ্যার দিকে বিদ্যুতের লোডশেডিং কমে আসবে: প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট চরমে পৌঁছেছে স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি জানিয়েছেন, বুধবার সন্ধ্যার দিক থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে।

বুধবার (১২ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনদুর্ভোগ কমাতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দুর্ঘটনার ওপর কারও নিয়ন্ত্রণ নেই। একই সঙ্গে বিগত সরকারের ভুল নীতির কারণেও বর্তমান সরকারকে সংকটের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

এর আগে মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির চাহিদা ও সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে। এ সংকটের দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ৩০ হাজার মেগাওয়াট হলেও পর্যাপ্ত জ্বালানির অভাবে সব বিদ্যুৎকেন্দ্র চালানো যাচ্ছে না।

তিনি জানান, দেশীয় উৎপাদন ও আমদানি মিলিয়ে দেশে গ্যাসের চাহিদা প্রায় ১ হাজার ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট। অথচ প্রতিবছর দেশীয় কূপগুলোর উৎপাদন প্রায় ১৫০ মিলিয়ন ঘনফুট করে কমছে।

আরও পড়ুনঃ  সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুদকে ইসলামী ব্যাংকের অভিযোগ

বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় সামিটের টার্মিনালে কার্গো খালাস সম্ভব হচ্ছে না বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। এক্সিলারেট টার্মিনাল বর্তমানে আংশিক সক্ষমতায় চলছে। পুরো সক্ষমতায় চালাতে হলে আবার প্রায় ৭২ ঘণ্টার জন্য টার্মিনালটি বন্ধ রাখতে হবে। এ বিষয়ে এক্সিলারেট এনার্জির সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, কখন টার্মিনাল বন্ধ রাখলে জনদুর্ভোগ সবচেয়ে কম হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এ নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও আলোচনা চলছে।

মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে স্বীকার করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ পরিস্থিতির জন্য তিনি বারবার জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কিছুটা সময় লাগছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে গ্যাস খালাস করা সম্ভব হবে এবং গ্যাস সরবরাহও স্বাভাবিক হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ করা না গেলে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতেও সংকট দেখা দেবে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় একটি কৌশল নেওয়া হয়েছে, যা মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর করা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, বুধবার সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হবে।

আরও পড়ুনঃ  সঞ্চয়পত্রের উৎসে কর পুনর্বহালসহ ৪ দাবি ঢাকা ট্যাক্সেস বারের

এলএনজি সরবরাহ বাড়াতে মালয়েশিয়ার সঙ্গেও আলোচনা চলছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। এ বিষয়ে একটি প্রতিনিধি দল সেখানে গেছে। মালয়েশিয়ার কাছ থেকে অন্তত এক কার্গো এলএনজি পাওয়ার আশা করছে সরকার। তবে এটিকে মধ্যমেয়াদি সমাধান হিসেবে দেখছে সরকার।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, সার্বিকভাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি কবে পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে, তা নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। তবে জনদুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। এলএনজি সংগ্রহের বিষয়ে ইউএস-বাংলাদেশ চেম্বারের কাছেও সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আগের সরকারগুলো মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের দিকে না গিয়ে তাৎক্ষণিক সমাধানের পথে এগিয়েছে। ফলে একপর্যায়ে এ ধরনের সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা ছিল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে গ্রীষ্মকালেই বর্তমান পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, চাইলেই রাতারাতি এলএনজি আমদানি বাড়ানো সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর ঘাটতি রয়েছে। নতুন এফএসআরইউ কার্যকর করতে সাধারণত ৩০ থেকে ৩৬ মাস সময় লাগতে পারে। তবে সরকার দুই বছরের কম সময়ে এটি বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে।

আরও পড়ুনঃ  শূন্য পাসের কারণ খুঁজছে সরকার, বাতিল হতে পারে এমপিও

তিনি জানান, তৃতীয় ও চতুর্থ এফএসআরইউ এবং মাতারবাড়ীতে ল্যান্ডবেসড এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

গত ২১ জুলাই একটি এফএসআরইউতে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে দেশে দৈনিক প্রায় ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে যায়। এতে সারাদেশে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দেয়। ১৭ দিন পর এফএসআরইউটি আংশিক সচল হওয়ার পর গ্যাস সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে।

গ্যাস সংকটের পাশাপাশি ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের কবলে পড়েছে দেশের বিভিন্ন কারখানা। অনেক কারখানা উৎপাদনের পরিসর কমিয়ে আংশিকভাবে উৎপাদন চালিয়ে যাচ্ছে।

অন্যদিকে, দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলোর উৎপাদনও কমছে। একটি এফএসআরইউ বন্ধ হওয়ার পর ১৭ দিনের ব্যবধানে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন আরও ৩ কোটি ৩০ লাখ ঘনফুট কমেছে। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় লোডশেডিং সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে চরম মানসিক চাপে মার্কিন নৌসেনারা

সন্ধ্যার দিকে বিদ্যুতের লোডশেডিং কমে আসবে: প্রতিমন্ত্রী

আপডেটের সময়: ০৫:৪২:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট চরমে পৌঁছেছে স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি জানিয়েছেন, বুধবার সন্ধ্যার দিক থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে।

বুধবার (১২ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনদুর্ভোগ কমাতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দুর্ঘটনার ওপর কারও নিয়ন্ত্রণ নেই। একই সঙ্গে বিগত সরকারের ভুল নীতির কারণেও বর্তমান সরকারকে সংকটের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

এর আগে মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির চাহিদা ও সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে। এ সংকটের দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ৩০ হাজার মেগাওয়াট হলেও পর্যাপ্ত জ্বালানির অভাবে সব বিদ্যুৎকেন্দ্র চালানো যাচ্ছে না।

তিনি জানান, দেশীয় উৎপাদন ও আমদানি মিলিয়ে দেশে গ্যাসের চাহিদা প্রায় ১ হাজার ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট। অথচ প্রতিবছর দেশীয় কূপগুলোর উৎপাদন প্রায় ১৫০ মিলিয়ন ঘনফুট করে কমছে।

আরও পড়ুনঃ  ৩৮২ শিক্ষার্থীর সবাই জিপিএ-৫, দেশসেরা ফল নাছিমা কাদির মোল্লা হাইস্কুলে

বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় সামিটের টার্মিনালে কার্গো খালাস সম্ভব হচ্ছে না বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। এক্সিলারেট টার্মিনাল বর্তমানে আংশিক সক্ষমতায় চলছে। পুরো সক্ষমতায় চালাতে হলে আবার প্রায় ৭২ ঘণ্টার জন্য টার্মিনালটি বন্ধ রাখতে হবে। এ বিষয়ে এক্সিলারেট এনার্জির সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, কখন টার্মিনাল বন্ধ রাখলে জনদুর্ভোগ সবচেয়ে কম হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এ নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও আলোচনা চলছে।

মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে স্বীকার করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ পরিস্থিতির জন্য তিনি বারবার জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কিছুটা সময় লাগছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে গ্যাস খালাস করা সম্ভব হবে এবং গ্যাস সরবরাহও স্বাভাবিক হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ করা না গেলে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতেও সংকট দেখা দেবে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় একটি কৌশল নেওয়া হয়েছে, যা মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর করা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, বুধবার সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হবে।

আরও পড়ুনঃ  রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির প্রস্তুতি সম্পন্ন

এলএনজি সরবরাহ বাড়াতে মালয়েশিয়ার সঙ্গেও আলোচনা চলছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। এ বিষয়ে একটি প্রতিনিধি দল সেখানে গেছে। মালয়েশিয়ার কাছ থেকে অন্তত এক কার্গো এলএনজি পাওয়ার আশা করছে সরকার। তবে এটিকে মধ্যমেয়াদি সমাধান হিসেবে দেখছে সরকার।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, সার্বিকভাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি কবে পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে, তা নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। তবে জনদুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। এলএনজি সংগ্রহের বিষয়ে ইউএস-বাংলাদেশ চেম্বারের কাছেও সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আগের সরকারগুলো মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের দিকে না গিয়ে তাৎক্ষণিক সমাধানের পথে এগিয়েছে। ফলে একপর্যায়ে এ ধরনের সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা ছিল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে গ্রীষ্মকালেই বর্তমান পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, চাইলেই রাতারাতি এলএনজি আমদানি বাড়ানো সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর ঘাটতি রয়েছে। নতুন এফএসআরইউ কার্যকর করতে সাধারণত ৩০ থেকে ৩৬ মাস সময় লাগতে পারে। তবে সরকার দুই বছরের কম সময়ে এটি বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে।

আরও পড়ুনঃ  ঈদে মিলাদুন্নবীর তারিখ নির্ধারণে চাঁদ দেখা কমিটির সভা আজ

তিনি জানান, তৃতীয় ও চতুর্থ এফএসআরইউ এবং মাতারবাড়ীতে ল্যান্ডবেসড এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

গত ২১ জুলাই একটি এফএসআরইউতে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে দেশে দৈনিক প্রায় ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে যায়। এতে সারাদেশে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দেয়। ১৭ দিন পর এফএসআরইউটি আংশিক সচল হওয়ার পর গ্যাস সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে।

গ্যাস সংকটের পাশাপাশি ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের কবলে পড়েছে দেশের বিভিন্ন কারখানা। অনেক কারখানা উৎপাদনের পরিসর কমিয়ে আংশিকভাবে উৎপাদন চালিয়ে যাচ্ছে।

অন্যদিকে, দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলোর উৎপাদনও কমছে। একটি এফএসআরইউ বন্ধ হওয়ার পর ১৭ দিনের ব্যবধানে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন আরও ৩ কোটি ৩০ লাখ ঘনফুট কমেছে। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় লোডশেডিং সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)।