ঢাকা ০১:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
শাকিবের নতুন সিনেমা: নায়িকা কে? সাবিলাকে নিয়ে গুঞ্জনে যা বললেন প্রযোজক প্রথমবার জুটি বাঁধলেন তৌসিফ-মালাইকা, আসছে নতুন নাটক ‘আমার রাজ্যে তুমি’ চট্টগ্রাম বন্দরে জলদস্যু আতঙ্ক: ১৮ দিনে ৩ জাহাজে হামলা, লুট প্রায় ১০ কোটি টাকার মালামাল ২০২৭ বিশ্বকাপের ১২ ভেন্যু চূড়ান্ত, ফাইনাল হতে পারে ওয়ান্ডারার্স বা নিউল্যান্ডসে ‘আসিফ-আখতারদের মেস ভাড়া তুলতে মানুষের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করতাম’—রাশেদ খাঁন ‘জুলাই ব্যবসা’ মন্তব্যে নতুন বিতর্ক: যা বললেন এমপি ডা. মাহমুদা মিতু সেউতা অভিবাসন সংকট: জরুরি বৈঠকে বসছে ইইউ, সীমান্ত নিরাপত্তায় জোর গাজীপুরে ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, খালু গ্রেপ্তার ১৮ বছরেও মেলেনি ফ্ল্যাট, ডোম-ইনোর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে নিঃস্ব শতাধিক পরিবার দুপুরের মধ্যেই তিন জেলায় ঝড়-বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

১৮ বছরেও মেলেনি ফ্ল্যাট, ডোম-ইনোর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে নিঃস্ব শতাধিক পরিবার

রাজধানীতে ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান ডোম-ইনো বিল্ডার্স লিমিটেডের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে প্লট ও ফ্ল্যাট মালিকদের সঙ্গে প্রতারণার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, চুক্তির ১০ থেকে ২০ বছর পেরিয়ে গেলেও ভবন নির্মাণ শেষ হয়নি। এতে শতাধিক জমির মালিক ও ফ্ল্যাট ক্রেতা আর্থিক ও মানসিকভাবে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

সম্প্রতি রাজধানীতে এক প্রতিবাদ সমাবেশে ডোম-ইনোর মালিক দম্পতির বিচার এবং দ্রুত প্রকল্পগুলোর সমাধানের দাবি জানান ভুক্তভোগীরা।

৮০ বছরের বেশি বয়সী বুয়েটের সাবেক শিক্ষক সুফিয়া খাতুন জানান, ২০০৭ সালে শান্তিনগরের পারিবারিক প্লটে বহুতল ভবন নির্মাণের জন্য ডোম-ইনোর সঙ্গে চুক্তি করেছিলেন। তিন বছরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রায় সাড়ে ১৮ বছর পেরিয়ে গেলেও ভবন নির্মাণ শেষ হয়নি।

আরও পড়ুনঃ  শিক্ষার্থীর সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, কুয়াকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী সাময়িক বরখাস্ত

তার ভাষায়, দীর্ঘদিনের এই দুশ্চিন্তায় তার চিকিৎসক ছেলে ও দুই বোন মারা গেছেন। বর্তমানে অসমাপ্ত ভবনটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে এবং সেখানে ময়লা পানি জমে পরিবেশও নষ্ট হচ্ছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ডোম-ইনো রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ৮০টি প্রকল্পে একই ধরনের প্রতারণা করেছে। অনেক জমির মালিক নিজেদের বাড়ি ভেঙে কোম্পানির কাছে জমি বুঝিয়ে দেওয়ার পর এখন বছরের পর বছর ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন। অন্যদিকে, শত শত ফ্ল্যাট ক্রেতাও পুরো অর্থ পরিশোধ করেও ফ্ল্যাট বুঝে পাননি।

আরও পড়ুনঃ  সাভারে মশাল মিছিলের সময় ৯ জন গ্রেপ্তার, জব্দ ব্যানার-মশাল ও মোটরসাইকেল

ভুক্তভোগীদের দাবি, ডোম-ইনোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে অন্তত ১৩৬টি মামলা রয়েছে। কয়েকটি মামলায় আদালত কারাদণ্ড, জরিমানা এবং জমির মালিকদের দেওয়া পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বাতিলের আদেশও দিয়েছেন। এছাড়া একাধিক মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও রয়েছে।

এদিকে রাজউকের অনুমোদন ছাড়াই একাধিক প্রকল্পে ভবন নির্মাণের অভিযোগও উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে রাজউকে অভিযোগ করা হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা।

আরও পড়ুনঃ  সরকারি কর্মকর্তাদের পরিচয়ে প্রতারণা: সতর্কবার্তা জারি করল বাংলাদেশ পুলিশ

তাদের দাবি, বিদ্যমান আইনের দুর্বলতার কারণে চুক্তি বাতিল বা দ্রুত প্রতিকার পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই ডোম-ইনোতে প্রশাসক নিয়োগ, প্রকল্পগুলো দ্রুত সম্পন্ন করা এবং ক্ষতিগ্রস্তদের স্বার্থ রক্ষায় আইন সংশোধনের দাবি জানিয়েছেন তারা।

অভিযোগের বিষয়ে ডোম-ইনোর পক্ষ থেকে মানবসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা মো. আফজাল বলেন, বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে মামলা এবং নির্মাণসামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় কাজ শেষ করতে বিলম্ব হচ্ছে। তবে প্রতারণার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি দাবি করেন, প্রতিদ্বন্দ্বীরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব অভিযোগ সামনে আনছেন।

 

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

শাকিবের নতুন সিনেমা: নায়িকা কে? সাবিলাকে নিয়ে গুঞ্জনে যা বললেন প্রযোজক

১৮ বছরেও মেলেনি ফ্ল্যাট, ডোম-ইনোর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে নিঃস্ব শতাধিক পরিবার

আপডেটের সময়: ১১:০০:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানীতে ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান ডোম-ইনো বিল্ডার্স লিমিটেডের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে প্লট ও ফ্ল্যাট মালিকদের সঙ্গে প্রতারণার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, চুক্তির ১০ থেকে ২০ বছর পেরিয়ে গেলেও ভবন নির্মাণ শেষ হয়নি। এতে শতাধিক জমির মালিক ও ফ্ল্যাট ক্রেতা আর্থিক ও মানসিকভাবে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

সম্প্রতি রাজধানীতে এক প্রতিবাদ সমাবেশে ডোম-ইনোর মালিক দম্পতির বিচার এবং দ্রুত প্রকল্পগুলোর সমাধানের দাবি জানান ভুক্তভোগীরা।

৮০ বছরের বেশি বয়সী বুয়েটের সাবেক শিক্ষক সুফিয়া খাতুন জানান, ২০০৭ সালে শান্তিনগরের পারিবারিক প্লটে বহুতল ভবন নির্মাণের জন্য ডোম-ইনোর সঙ্গে চুক্তি করেছিলেন। তিন বছরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রায় সাড়ে ১৮ বছর পেরিয়ে গেলেও ভবন নির্মাণ শেষ হয়নি।

আরও পড়ুনঃ  ‘আসিফ-আখতারদের মেস ভাড়া তুলতে মানুষের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করতাম’—রাশেদ খাঁন

তার ভাষায়, দীর্ঘদিনের এই দুশ্চিন্তায় তার চিকিৎসক ছেলে ও দুই বোন মারা গেছেন। বর্তমানে অসমাপ্ত ভবনটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে এবং সেখানে ময়লা পানি জমে পরিবেশও নষ্ট হচ্ছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ডোম-ইনো রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ৮০টি প্রকল্পে একই ধরনের প্রতারণা করেছে। অনেক জমির মালিক নিজেদের বাড়ি ভেঙে কোম্পানির কাছে জমি বুঝিয়ে দেওয়ার পর এখন বছরের পর বছর ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন। অন্যদিকে, শত শত ফ্ল্যাট ক্রেতাও পুরো অর্থ পরিশোধ করেও ফ্ল্যাট বুঝে পাননি।

আরও পড়ুনঃ  আদালতে আবেগঘন মন্তব্য লতিফ সিদ্দিকীর, ‘ফাঁসি দিয়ে দিন, আমি প্রস্তুত’

ভুক্তভোগীদের দাবি, ডোম-ইনোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে অন্তত ১৩৬টি মামলা রয়েছে। কয়েকটি মামলায় আদালত কারাদণ্ড, জরিমানা এবং জমির মালিকদের দেওয়া পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বাতিলের আদেশও দিয়েছেন। এছাড়া একাধিক মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও রয়েছে।

এদিকে রাজউকের অনুমোদন ছাড়াই একাধিক প্রকল্পে ভবন নির্মাণের অভিযোগও উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে রাজউকে অভিযোগ করা হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা।

আরও পড়ুনঃ  সাভারে মশাল মিছিলের সময় ৯ জন গ্রেপ্তার, জব্দ ব্যানার-মশাল ও মোটরসাইকেল

তাদের দাবি, বিদ্যমান আইনের দুর্বলতার কারণে চুক্তি বাতিল বা দ্রুত প্রতিকার পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই ডোম-ইনোতে প্রশাসক নিয়োগ, প্রকল্পগুলো দ্রুত সম্পন্ন করা এবং ক্ষতিগ্রস্তদের স্বার্থ রক্ষায় আইন সংশোধনের দাবি জানিয়েছেন তারা।

অভিযোগের বিষয়ে ডোম-ইনোর পক্ষ থেকে মানবসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা মো. আফজাল বলেন, বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে মামলা এবং নির্মাণসামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় কাজ শেষ করতে বিলম্ব হচ্ছে। তবে প্রতারণার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি দাবি করেন, প্রতিদ্বন্দ্বীরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব অভিযোগ সামনে আনছেন।