ঢাকা ০৯:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
গাজীপুরে গরুবাহী ট্রাক-বাসের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৩ বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে অভিনেত্রী রিধিকার মরদেহ উদ্ধার অশোভন আচরণের অভিযোগে পুত্রবধূর রাজকীয় উপাধি কেড়ে নিলেন ব্রুনাইয়ের সুলতান খারগ দ্বীপে আবারও ট্যাংকারে অপরিশোধিত তেল তুলছে ইরান ইমাম-মুয়াজ্জিন-সেবায়েতদের সম্মানি বিতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী কিস্তির টাকা নিয়ে বিরোধ, শ্রীপুরে সিএনজি চালককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে রিজভী হরমুজ ঘিরে নতুন কৌশল যুক্তরাষ্ট্রের, ইরানের ওপর বাড়ছে অর্থনৈতিক চাপ পশ্চিম তীরে সেটেলার সহিংসতা বাড়ছে, ইসরায়েলি রাষ্ট্রের মদদের অভিযোগ অ্যামনেস্টির আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম, ২২ ক্যারেটের ভরি এখন ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

কিস্তির টাকা নিয়ে বিরোধ, শ্রীপুরে সিএনজি চালককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

 

গাজীপুরের শ্রীপুরে এনজিওর কিস্তির ১৪ হাজার টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে রুহুল আমিন (৩৮) নামে এক সিএনজি চালককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দিবাগত রাতে উপজেলার বরমী ইউনিয়নের বরমী গ্রামের কুমারভিটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থলের পাশ থেকে রুহুল আমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত রুহুল আমিন একই গ্রামের আতাহার উদ্দিনের ছেলে।

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্ত্রী হালিমা খাতুন (৩৫), শ্বশুর রফিক ফকির (৫৫), মেয়ে রিমা (১৬), শ্যালক শাহজাহান ফকির (২৭) ও চাচা শ্বশুর তাজ উদ্দিনকে (৫০) আটক করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুনঃ  থাইল্যান্ডে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন দুয়ার, চুক্তির আগ্রহ প্রকাশ

রাতে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি

নিহতের স্বজন ও স্থানীয়দের ভাষ্য, শুক্রবার রাত ৮টার দিকে রুহুল আমিন বাড়ি থেকে বের হন। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। শনিবার সকালে বাড়ির পাশেই তাঁর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন পরিবারের সদস্যরা। পরে খবর পেয়ে স্থানীয়রা সেখানে জড়ো হন।

তবে নিহতের স্ত্রী হালিমা খাতুন ও মেয়ে রিমা দাবি করেছেন, রাতে রুহুলের সঙ্গে তাদের কোনো ঝগড়া বা মারামারি হয়নি। রাত ৮টার দিকে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর আর ফেরেননি। সকালে বাড়ির পাশে তাঁর মরদেহ দেখতে পান তারা।

আরও পড়ুনঃ  খারগ দ্বীপে আবারও ট্যাংকারে অপরিশোধিত তেল তুলছে ইরান

কিস্তির টাকা নিয়ে বিরোধের অভিযোগ

নিহতের বোন ফাতেমার অভিযোগ, রুহুল স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন। এনজিওর কিস্তির ১৪ হাজার টাকা নিয়ে শুক্রবার রাতে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে তাঁর বিরোধ হয়। একপর্যায়ে তাঁকে মারধর করা হয় এবং পরে বাড়ির পাশে ফেলে রাখা হয় বলে তিনি জানতে পেরেছেন।

নিহতের বড় ভাই লিটনও একই অভিযোগ করে বলেন, কিস্তির টাকার জন্য তাঁর ভাইকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন মারধর করেন। পরে তাঁকে হত্যা করে বাড়ির পাশে মরদেহ ফেলে রেখে নিখোঁজের ঘটনা সাজানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

তদন্ত করছে পুলিশ

শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক আবুল বাসার বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে রুহুল আমিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের স্বজনেরা শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ করেছেন। প্রাথমিকভাবে নিহতের শিশুকন্যার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  হাওরে জলাবদ্ধতা, ১৯৮ হেক্টর জমিতে আমন চাষ নিয়ে অনিশ্চয়তা

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শাহীনূর আলম জানান, নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের একাধিক চিহ্ন পাওয়া গেছে। মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া নেওয়া হচ্ছে। স্বজনদের অভিযোগ ও তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে হত্যার প্রকৃত কারণ ও ঘটনায় কারা জড়িত, তা তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

গাজীপুরে গরুবাহী ট্রাক-বাসের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৩

কিস্তির টাকা নিয়ে বিরোধ, শ্রীপুরে সিএনজি চালককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

আপডেটের সময়: ০৬:২৭:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

 

গাজীপুরের শ্রীপুরে এনজিওর কিস্তির ১৪ হাজার টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে রুহুল আমিন (৩৮) নামে এক সিএনজি চালককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দিবাগত রাতে উপজেলার বরমী ইউনিয়নের বরমী গ্রামের কুমারভিটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থলের পাশ থেকে রুহুল আমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত রুহুল আমিন একই গ্রামের আতাহার উদ্দিনের ছেলে।

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্ত্রী হালিমা খাতুন (৩৫), শ্বশুর রফিক ফকির (৫৫), মেয়ে রিমা (১৬), শ্যালক শাহজাহান ফকির (২৭) ও চাচা শ্বশুর তাজ উদ্দিনকে (৫০) আটক করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুনঃ  গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া

রাতে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি

নিহতের স্বজন ও স্থানীয়দের ভাষ্য, শুক্রবার রাত ৮টার দিকে রুহুল আমিন বাড়ি থেকে বের হন। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। শনিবার সকালে বাড়ির পাশেই তাঁর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন পরিবারের সদস্যরা। পরে খবর পেয়ে স্থানীয়রা সেখানে জড়ো হন।

তবে নিহতের স্ত্রী হালিমা খাতুন ও মেয়ে রিমা দাবি করেছেন, রাতে রুহুলের সঙ্গে তাদের কোনো ঝগড়া বা মারামারি হয়নি। রাত ৮টার দিকে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর আর ফেরেননি। সকালে বাড়ির পাশে তাঁর মরদেহ দেখতে পান তারা।

আরও পড়ুনঃ  হাওরে জলাবদ্ধতা, ১৯৮ হেক্টর জমিতে আমন চাষ নিয়ে অনিশ্চয়তা

কিস্তির টাকা নিয়ে বিরোধের অভিযোগ

নিহতের বোন ফাতেমার অভিযোগ, রুহুল স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন। এনজিওর কিস্তির ১৪ হাজার টাকা নিয়ে শুক্রবার রাতে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে তাঁর বিরোধ হয়। একপর্যায়ে তাঁকে মারধর করা হয় এবং পরে বাড়ির পাশে ফেলে রাখা হয় বলে তিনি জানতে পেরেছেন।

নিহতের বড় ভাই লিটনও একই অভিযোগ করে বলেন, কিস্তির টাকার জন্য তাঁর ভাইকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন মারধর করেন। পরে তাঁকে হত্যা করে বাড়ির পাশে মরদেহ ফেলে রেখে নিখোঁজের ঘটনা সাজানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

তদন্ত করছে পুলিশ

শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক আবুল বাসার বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে রুহুল আমিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের স্বজনেরা শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ করেছেন। প্রাথমিকভাবে নিহতের শিশুকন্যার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  মিশরে শ্রমিকবাহী দুই পিকআপের সংঘর্ষ, নিহত ১৮

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শাহীনূর আলম জানান, নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের একাধিক চিহ্ন পাওয়া গেছে। মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া নেওয়া হচ্ছে। স্বজনদের অভিযোগ ও তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে হত্যার প্রকৃত কারণ ও ঘটনায় কারা জড়িত, তা তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।