ঢাকা ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
পরমাণু অস্ত্র ঠেকানো নয়, তেলের দাম কম রাখাই এখন প্রধান লক্ষ্য : জেডি ভ্যান্স ডনের অন্তরঙ্গ ছবি নিয়ে যা বললেন সালমান শাহের সাবেক স্ত্রী বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম শাহজালালের কঠোর নিরাপত্তা পেরিয়ে ৩১ রাউন্ড তাজা গুলিসহ বিমানে ব্যবসায়ী ইরান যুদ্ধের প্রভাবে চরম মানসিক চাপে মার্কিন নৌসেনারা ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ নিয়ে ছাত্রদলের বিক্ষোভ, ইউএনওকে লাঞ্ছিতের অভিযোগ সঞ্চয়পত্রের উৎসে কর পুনর্বহালসহ ৪ দাবি ঢাকা ট্যাক্সেস বারের রিমান্ড শেষে কারাগারে সাবেক যুগ্ম সচিব জগলুল পাশা রাজধানীতে নির্মাণাধীন ভবনের দেয়াল ধসে শিশুর মৃত্যু, আহত ২ গ্যাস সংকটে জামালপুর-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কে চালকদের অবরোধ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

দিল্লির আমন্ত্রণে তারেক রহমান কি ভারত সফরে যাবেন?

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৯:১৬:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ২৮ সময় দেখুন

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে আগামী সেপ্টেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন। এই সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে অংশ নিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত সরকার। তবে তিনি সম্মেলনে যোগ দিতে ভারত সফর করবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি বাংলাদেশ।

আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ব্রিকসের নিয়ম অনুযায়ী, বিভিন্ন আঞ্চলিক জোটের নেতাদের সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে আমন্ত্রণ জানানো হয়।

বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য না হলেও আঞ্চলিক জোট বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এ আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। গত জুলাইয়ে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের মাধ্যমে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত কূটনৈতিক চিঠি পাঠানো হয়।

এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণের বিষয়ে এখনো কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়নি।

আরও পড়ুনঃ  নেপালের পাহাড়ে শুরু হলো অপু বিশ্বাসের ‘শিকার’

এর আগে গত সোমবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। সাক্ষাৎ শেষে এ বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানও জানান, এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

পরদিন নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে কোনো নতুন তথ্য পাওয়া গেলে তা জানানো হবে।

ভারতের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে শুধু ব্রিকস আউটরিচ অধিবেশনে অংশ নেওয়ার জন্য নয়, দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্যও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

কেন এত আলোচনা?

ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হতে পারে কি না, সেটিও আলোচনায় রয়েছে।

সাবেক কূটনীতিকদের মতে, দুই দেশের সম্পর্কের সাম্প্রতিক টানাপোড়েন কাটিয়ে উঠতে এ ধরনের একটি বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাদের কেউ কেউ মনে করছেন, সম্মেলনে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হলে সফরটি বাংলাদেশের জন্য আরও কার্যকর হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  বাবার মরদেহ বাড়িতে রেখে পরীক্ষা, ঋতুর জিপিএ-৫; উচ্চশিক্ষা নিয়ে শঙ্কা

বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে ব্রিকসে যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আসছে। ফলে সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

শেখ হাসিনার প্রসঙ্গও আলোচনায়

বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের ক্ষেত্রে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে আছে।

২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। সম্প্রতি নয়াদিল্লি থেকে তার একটি ভার্চুয়াল বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক অস্বস্তি তৈরি হয়।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় উদ্বেগ জানানো হয় এবং বিষয়টি নিয়ে ভারতের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকও করা হয়।

সাবেক কূটনীতিকদের মতে, শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান এবং তার রাজনৈতিক বক্তব্য দুই দেশের সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তবে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পারস্পরিক সম্মান, সমতা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বয়সের বাধা নেই, মেঘনা গ্রুপে এক্সিকিউটিভ পদে চাকরির সুযোগ

অভ্যন্তরীণ রাজনীতিও প্রভাব ফেলছে

বিশ্লেষকদের মতে, ভারত সফরের বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্তে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ভারতবিরোধী অবস্থান এবং সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া নানা প্রশ্নের কারণে সরকার এ বিষয়ে সতর্কভাবে এগোচ্ছে বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা।

তবে একই সঙ্গে তারা বলছেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ। তাই দ্বিপক্ষীয় স্বার্থ, সমতা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ প্রয়োজন।

সব মিলিয়ে, দিল্লির আমন্ত্রণ থাকলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেপ্টেম্বরে ভারত সফর করবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। সফর হলে ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের পাশাপাশি দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হবে কি না, সেটিও কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

পরমাণু অস্ত্র ঠেকানো নয়, তেলের দাম কম রাখাই এখন প্রধান লক্ষ্য : জেডি ভ্যান্স

দিল্লির আমন্ত্রণে তারেক রহমান কি ভারত সফরে যাবেন?

আপডেটের সময়: ০৯:১৬:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে আগামী সেপ্টেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন। এই সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে অংশ নিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত সরকার। তবে তিনি সম্মেলনে যোগ দিতে ভারত সফর করবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি বাংলাদেশ।

আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ব্রিকসের নিয়ম অনুযায়ী, বিভিন্ন আঞ্চলিক জোটের নেতাদের সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে আমন্ত্রণ জানানো হয়।

বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য না হলেও আঞ্চলিক জোট বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এ আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। গত জুলাইয়ে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের মাধ্যমে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত কূটনৈতিক চিঠি পাঠানো হয়।

এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণের বিষয়ে এখনো কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়নি।

আরও পড়ুনঃ  নেপালের পাহাড়ে শুরু হলো অপু বিশ্বাসের ‘শিকার’

এর আগে গত সোমবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। সাক্ষাৎ শেষে এ বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানও জানান, এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

পরদিন নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে কোনো নতুন তথ্য পাওয়া গেলে তা জানানো হবে।

ভারতের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে শুধু ব্রিকস আউটরিচ অধিবেশনে অংশ নেওয়ার জন্য নয়, দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্যও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

কেন এত আলোচনা?

ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হতে পারে কি না, সেটিও আলোচনায় রয়েছে।

সাবেক কূটনীতিকদের মতে, দুই দেশের সম্পর্কের সাম্প্রতিক টানাপোড়েন কাটিয়ে উঠতে এ ধরনের একটি বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাদের কেউ কেউ মনে করছেন, সম্মেলনে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হলে সফরটি বাংলাদেশের জন্য আরও কার্যকর হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  ডেঙ্গুতে হাসপাতালে শ্বেতা তিওয়ারি, চিন্তায় ভক্তরা

বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে ব্রিকসে যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আসছে। ফলে সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

শেখ হাসিনার প্রসঙ্গও আলোচনায়

বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের ক্ষেত্রে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে আছে।

২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। সম্প্রতি নয়াদিল্লি থেকে তার একটি ভার্চুয়াল বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক অস্বস্তি তৈরি হয়।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় উদ্বেগ জানানো হয় এবং বিষয়টি নিয়ে ভারতের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকও করা হয়।

সাবেক কূটনীতিকদের মতে, শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান এবং তার রাজনৈতিক বক্তব্য দুই দেশের সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তবে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পারস্পরিক সম্মান, সমতা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বয়সের বাধা নেই, মেঘনা গ্রুপে এক্সিকিউটিভ পদে চাকরির সুযোগ

অভ্যন্তরীণ রাজনীতিও প্রভাব ফেলছে

বিশ্লেষকদের মতে, ভারত সফরের বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্তে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ভারতবিরোধী অবস্থান এবং সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া নানা প্রশ্নের কারণে সরকার এ বিষয়ে সতর্কভাবে এগোচ্ছে বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা।

তবে একই সঙ্গে তারা বলছেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ। তাই দ্বিপক্ষীয় স্বার্থ, সমতা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ প্রয়োজন।

সব মিলিয়ে, দিল্লির আমন্ত্রণ থাকলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেপ্টেম্বরে ভারত সফর করবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। সফর হলে ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের পাশাপাশি দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হবে কি না, সেটিও কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।