আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) সদস্যদের ফৌজদারি অপরাধ তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬-এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে লেজিসলেটিভ ও সংসদ-বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে আইনটির খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধি ও প্রচলিত অন্যান্য আইন অনুসরণ করে এপিবিএনের সদস্যরা ফৌজদারি অপরাধের তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন। বর্তমানে এপিবিএন সদস্যরা অভিযান চালিয়ে কাউকে গ্রেপ্তার করলে সাধারণত তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়।
প্রস্তাবিত আইনে এপিবিএনের জন্য বিশেষ আদালত ও সংক্ষিপ্ত আদালত গঠন এবং এসব আদালতে বিচার পরিচালনার বিধান রাখার কথাও বলা হয়েছে।
এপিবিএন পুলিশের অধীন একটি বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে পুলিশের একজন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের (অতিরিক্ত আইজিপি) নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, গুরুত্বপূর্ণ ও ভিআইপি ব্যক্তিদের নিরাপত্তা দেওয়া এবং সরকার ঘোষিত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সুরক্ষার দায়িত্ব থাকবে এ বাহিনীর।
এ ছাড়া সন্ত্রাসবাদ, মাদক, মানব পাচার, ধর্ষণ এবং মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় সহায়তা করবে এপিবিএন।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিদ্যমান আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অর্ডিন্যান্স সময়োপযোগী করে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এপিবিএনকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যেই আইনটি বাংলায় নতুন করে প্রণয়নের খসড়া তৈরি করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে জনমতও নেওয়া হয়েছে।
নতুন আইন কার্যকর হলে ফৌজদারি অপরাধের ক্ষেত্রে এপিবিএনের দায়িত্ব ও ক্ষমতার পরিধি আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
প্রতিবেদকের নাম 



















