আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তি Diego Maradona-র মৃত্যুর মামলায় নতুন করে জটিলতা তৈরি হয়েছে। মামলার গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত একটি মেডিকেল রিপোর্টে বড় ধরনের ভুল ধরা পড়েছে।
আর্জেন্টিনার একটি স্বাস্থ্যবীমা কোম্পানি স্বীকার করেছে, ম্যারাডোনার বাবার চিকিৎসা-সংক্রান্ত পরীক্ষার রিপোর্ট ভুল করে তার ছেলে ডিয়েগো আরমান্দো ম্যারাডোনার নামে নথিভুক্ত করা হয়েছিল।
ভুল রিপোর্টেই চিকিৎসা-সংক্রান্ত বিশ্লেষণ
প্রতিবেদন অনুযায়ী, রিপোর্টগুলো আসলে ম্যারাডোনার প্রয়াত বাবা ডিয়েগো সালুস্তিয়ানো ম্যারাডোনার। কিন্তু নামে মিল থাকার কারণে সেগুলো কিংবদন্তি ফুটবলারের নামে চলে যায়।
এই ভুলের প্রভাব পড়ে চলমান মৃত্যুর মামলায়। ম্যারাডোনার চিকিৎসায় কিডনি-সংক্রান্ত বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়ে আদালতে একজন নেফ্রোলজিস্টের সাক্ষ্যও ছিল। কিন্তু পরে জানা যায়, ওই বিশেষজ্ঞের বিশ্লেষণের ভিত্তি ছিল ম্যারাডোনার বাবার মেডিকেল পরীক্ষার ফল।
ফলে বিষয়টি আদালতের কার্যক্রমে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি করেছে এবং বিচার এক সপ্তাহের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।
আগেও থমকে গিয়েছিল বিচার
ম্যারাডোনার মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসকদের ভূমিকা নিয়ে বিচার প্রক্রিয়া আগেও বাধার মুখে পড়েছিল। গত বছর বিচারকদের একজনের স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগে প্রথম বিচার কার্যক্রম ভেস্তে যায়।
নতুন ভুল তথ্য সামনে আসায় মামলাটি আরও জটিল অবস্থায় পড়েছে।
২০২০ সালে মৃত্যু হয় ম্যারাডোনার
২০২০ সালের নভেম্বরে ৬০ বছর বয়সে মারা যান ম্যারাডোনা। মস্তিষ্কে রক্ত জমাট বাঁধার অস্ত্রোপচারের প্রায় দুই সপ্তাহ পর বুয়েনস এইরেসের তিগ্রে এলাকায় ভাড়া নেওয়া একটি বাড়িতে তার মৃত্যু হয়।
তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং ফুসফুসে অতিরিক্ত তরল জমার কথা উল্লেখ করা হয়।
মূল বিষয়: ম্যারাডোনার মৃত্যুর মামলায় গুরুত্বপূর্ণ মেডিকেল প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত রিপোর্ট আসলে তার বাবার হওয়ায় বিচার প্রক্রিয়ায় নতুন করে জটিলতা তৈরি হয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















