ঢাকা ০৩:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বিশ্বকাপ শেষে অনুশীলনে ফিরলেন মেসি, কলম্বাসের বিপক্ষে মাঠে নামতে পারেন ন্যাটোর সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে অভিযোগ উত্তর কোরিয়ার পটিয়ায় কলা চুরির সন্দেহে বাকবিতণ্ডা, পিটিয়ে হত্যা; গ্রেপ্তার ১ রাজধানীর দুই মেট্রো স্টেশনে ‘বোমা সদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ জামায়াতকে নিষিদ্ধের তিন দিনের মাথায় সরকার পালাতে বাধ্য হয়েছিল: ডা. শফিকুর রহমান পাকিস্তানে কয়লাখনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত অন্তত ৩২ বাঁশখালীতে মৎস্যঘের দখল নিয়ে গোলাগুলি, নিহত ১ শিক্ষার্থীর সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, কুয়াকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী সাময়িক বরখাস্ত রাজধানীর পাশে কেরানীগঞ্জে ইয়াবা তৈরির কারখানায় র‌্যাবের অভিযান, আটক ৪ ফিফার নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে বাংলাদেশের গ্রুপেই খেলবে নেপাল
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

বিশ্বের প্রথম উইন্ড-পাওয়ার্ড আন্ডারওয়াটার ডেটা সেন্টার চালু করলো চীন

বিশ্বের প্রথম উইন্ড-পাওয়ার্ড আন্ডারওয়াটার ডেটা সেন্টার চালু করেছে চীন। সাংহাই উপকূলে এই আধুনিক ডেটা সেন্টারটি স্থাপন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

হাইক্লাউড টেকনোলজি এবং চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশনের যৌথ উদ্যোগে এটি নির্মাণ করা হয়েছে।

সাংহাই লিংগাং আন্ডারওয়াটার ডেটা সেন্টার ডেমনস্ট্রেশন প্রকল্পের অধীনে তৈরি এই কেন্দ্রটির সক্ষমতা ২৪ মেগাওয়াট। এটি সাংহাই উপকূল থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের প্রায় ১০ মিটার গভীরে স্থাপন করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলার রায় আজ

চীনের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এটি সাধারণ স্থলভিত্তিক ডেটা সেন্টারের তুলনায় ২০ শতাংশেরও বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে সক্ষম।

সাধারণত ডেটা সেন্টারের সার্ভারগুলো ২৪ ঘণ্টা চালু থাকায় প্রচণ্ড তাপ সৃষ্টি করে, যা নিয়ন্ত্রণে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যয় হয় শীতলীকরণ ব্যবস্থায়। অনেক ক্ষেত্রে মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারের ২৫ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কুলিংয়ে খরচ হয়।

আরও পড়ুনঃ  তিন শর্তে পুনরায় লাইসেন্স পেল আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

সমুদ্রের নিচে স্থাপিত হওয়ায় নতুন এই ডেটা সেন্টারটি প্রাকৃতিকভাবেই ঠান্ডা সমুদ্রজল ব্যবহার করে সার্ভার শীতল রাখতে পারে, ফলে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ খরচ অনেক কমে যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের কারণে ডেটা সেন্টারের বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। জাতিসংঘের পানি, পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সংস্থা ইউএনইউ-আইএনডাব্লিউইএইচ-এর সতর্কবার্তা অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে ডেটা সেন্টারের পানির ব্যবহার ৯.৩ ট্রিলিয়ন লিটারে পৌঁছাতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা কমতেই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধস

নতুন এই প্রযুক্তি সুপেয় পানির ওপর চাপ কমাতে সহায়তা করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে, কারণ এতে শীতলীকরণের জন্য সমুদ্রের নোনা পানি ব্যবহার করা হচ্ছে।


T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বিশ্বকাপ শেষে অনুশীলনে ফিরলেন মেসি, কলম্বাসের বিপক্ষে মাঠে নামতে পারেন

বিশ্বের প্রথম উইন্ড-পাওয়ার্ড আন্ডারওয়াটার ডেটা সেন্টার চালু করলো চীন

আপডেটের সময়: ০৬:৫৬:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

বিশ্বের প্রথম উইন্ড-পাওয়ার্ড আন্ডারওয়াটার ডেটা সেন্টার চালু করেছে চীন। সাংহাই উপকূলে এই আধুনিক ডেটা সেন্টারটি স্থাপন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

হাইক্লাউড টেকনোলজি এবং চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশনের যৌথ উদ্যোগে এটি নির্মাণ করা হয়েছে।

সাংহাই লিংগাং আন্ডারওয়াটার ডেটা সেন্টার ডেমনস্ট্রেশন প্রকল্পের অধীনে তৈরি এই কেন্দ্রটির সক্ষমতা ২৪ মেগাওয়াট। এটি সাংহাই উপকূল থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের প্রায় ১০ মিটার গভীরে স্থাপন করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ডিএমপির তিন থানায় নতুন ওসি, বদলি ৬ পুলিশ পরিদর্শক

চীনের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এটি সাধারণ স্থলভিত্তিক ডেটা সেন্টারের তুলনায় ২০ শতাংশেরও বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে সক্ষম।

সাধারণত ডেটা সেন্টারের সার্ভারগুলো ২৪ ঘণ্টা চালু থাকায় প্রচণ্ড তাপ সৃষ্টি করে, যা নিয়ন্ত্রণে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যয় হয় শীতলীকরণ ব্যবস্থায়। অনেক ক্ষেত্রে মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারের ২৫ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কুলিংয়ে খরচ হয়।

আরও পড়ুনঃ  যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত পাঠানো হলো আরও ২৩ বাংলাদেশিকে

সমুদ্রের নিচে স্থাপিত হওয়ায় নতুন এই ডেটা সেন্টারটি প্রাকৃতিকভাবেই ঠান্ডা সমুদ্রজল ব্যবহার করে সার্ভার শীতল রাখতে পারে, ফলে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ খরচ অনেক কমে যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের কারণে ডেটা সেন্টারের বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। জাতিসংঘের পানি, পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সংস্থা ইউএনইউ-আইএনডাব্লিউইএইচ-এর সতর্কবার্তা অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে ডেটা সেন্টারের পানির ব্যবহার ৯.৩ ট্রিলিয়ন লিটারে পৌঁছাতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  ‘ব্রেইনলেস আওয়ামী লীগের মতো আচরণ করছে বিএনপি’—সারজিস আলমের অভিযোগ

নতুন এই প্রযুক্তি সুপেয় পানির ওপর চাপ কমাতে সহায়তা করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে, কারণ এতে শীতলীকরণের জন্য সমুদ্রের নোনা পানি ব্যবহার করা হচ্ছে।