ঢাকা ০৭:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অবদান অবিস্মরণীয়: স্পিকার

 

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা জাতির ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অধ্যায়। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এই রেজিমেন্টের আত্মত্যাগ ও বীরত্ব ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে এবং এ ইতিহাসকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখা উচিত।

শনিবার (১১ জুলাই) রাজধানীর মহাখালীর রাওয়া ক্লাবে ‘মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ভূমিকা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্পিকার বলেন, ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একজন সৈনিক যতদিন জীবিত থাকবেন, ততদিন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জীবন উৎসর্গ করতে প্রস্তুত থাকবেন। তিনি দাবি করেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে দেশের ১৮টি জেলার মধ্যে একমাত্র সিলেট জেলা শহর মুক্তিবাহিনী একক প্রচেষ্টায় দখল করেছিল এবং সেই অভিযানে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রথম ব্যাটালিয়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আরও পড়ুনঃ  ভ্যাপসা গরমের পর ঢাকায় স্বস্তির বৃষ্টি, থাকতে পারে দুপুর পর্যন্ত

তিনি জানান, ১৫ ডিসেম্বর এমসি কলেজ এলাকায় পরিচালিত ওই অভিযানে তিনি দুটি কোম্পানির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

মুক্তিযোদ্ধা মেজর জিয়াউদ্দিনকে স্মরণ করে স্পিকার বলেন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে তিনি কখনো আপস করেননি। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার চেতনা হলো দেশের স্বার্থে সত্য কথা বলতে দ্বিধা না করা।

আরও পড়ুনঃ  মোদির ভিডিও অপসারণ ইস্যুতে জাকারবার্গকে ৩ দিনের আলটিমেটাম

স্পিকার আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রতিটি সৈনিক ও কর্মকর্তা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন, যা জাতির জন্য গর্বের বিষয়। পাকিস্তানিদের ‘বাঙালিরা মার্শাল রেস নয়’—এই ধারণা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ভুল প্রমাণিত হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী জনগণের প্রভু নয়, বরং জনগণের সেবক। স্বাধীনতার পর থেকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা জাতীয় সংকট—সব ক্ষেত্রেই বাহিনী জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং ভবিষ্যতেও দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় একইভাবে দায়িত্ব পালন করবে।

আরও পড়ুনঃ  এইচএসসি পাসেই চাকরির সুযোগ, ইসলামী ব্যাংক মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে নিয়োগ

স্পিকার বলেন, ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অবদান হয়তো এখনো যথাযথভাবে মূল্যায়িত হয়নি, তবে একদিন দেশের ইতিহাসে জনগণের পক্ষে দাঁড়ানো এই বীর সেনানীদের অবদান যথাযথ স্বীকৃতি পাবে।

রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (রাওয়া) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ আব্দুল হকের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ ও সামরিক ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করেন অতিথিরা।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অবদান অবিস্মরণীয়: স্পিকার

আপডেটের সময়: ০৯:৪৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

 

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা জাতির ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অধ্যায়। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এই রেজিমেন্টের আত্মত্যাগ ও বীরত্ব ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে এবং এ ইতিহাসকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখা উচিত।

শনিবার (১১ জুলাই) রাজধানীর মহাখালীর রাওয়া ক্লাবে ‘মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ভূমিকা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্পিকার বলেন, ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একজন সৈনিক যতদিন জীবিত থাকবেন, ততদিন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জীবন উৎসর্গ করতে প্রস্তুত থাকবেন। তিনি দাবি করেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে দেশের ১৮টি জেলার মধ্যে একমাত্র সিলেট জেলা শহর মুক্তিবাহিনী একক প্রচেষ্টায় দখল করেছিল এবং সেই অভিযানে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রথম ব্যাটালিয়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আরও পড়ুনঃ  ভ্যাপসা গরমের পর ঢাকায় স্বস্তির বৃষ্টি, থাকতে পারে দুপুর পর্যন্ত

তিনি জানান, ১৫ ডিসেম্বর এমসি কলেজ এলাকায় পরিচালিত ওই অভিযানে তিনি দুটি কোম্পানির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

মুক্তিযোদ্ধা মেজর জিয়াউদ্দিনকে স্মরণ করে স্পিকার বলেন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে তিনি কখনো আপস করেননি। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার চেতনা হলো দেশের স্বার্থে সত্য কথা বলতে দ্বিধা না করা।

আরও পড়ুনঃ  এইচএসসি পাসেই চাকরির সুযোগ, ইসলামী ব্যাংক মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে নিয়োগ

স্পিকার আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রতিটি সৈনিক ও কর্মকর্তা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন, যা জাতির জন্য গর্বের বিষয়। পাকিস্তানিদের ‘বাঙালিরা মার্শাল রেস নয়’—এই ধারণা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ভুল প্রমাণিত হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী জনগণের প্রভু নয়, বরং জনগণের সেবক। স্বাধীনতার পর থেকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা জাতীয় সংকট—সব ক্ষেত্রেই বাহিনী জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং ভবিষ্যতেও দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় একইভাবে দায়িত্ব পালন করবে।

আরও পড়ুনঃ  হৃদয় ঝড়ের পর খরুচে সাকিব, ৪৭০ রানের ম্যাচ জিতে ফাইনালে জাফনা

স্পিকার বলেন, ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অবদান হয়তো এখনো যথাযথভাবে মূল্যায়িত হয়নি, তবে একদিন দেশের ইতিহাসে জনগণের পক্ষে দাঁড়ানো এই বীর সেনানীদের অবদান যথাযথ স্বীকৃতি পাবে।

রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (রাওয়া) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ আব্দুল হকের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ ও সামরিক ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করেন অতিথিরা।