ঢাকা ১২:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী এলএনজি আমদানিতে বাড়ল খরচ, মরক্কো থেকে ৭০ হাজার টন সার কেনার সিদ্ধান্ত বৈদেশিক মুদ্রার ঋণ-গ্যারান্টির সব নিয়ম এক সার্কুলারে প্রধানমন্ত্রীর নামে ১৩৭ ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট শনাক্ত নতুন পে স্কেলে প্রধান শিক্ষকের বেতন-ভাতা ছাড়াবে ৫০ হাজার টাকা হরমুজ খুললেই বাংলাদেশি জাহাজকে অগ্রাধিকার দিতে ইরানকে ঢাকার অনুরোধ লালপুর-বাগাতিপাড়ায় সংরক্ষিত আসনের এমপিকে ঢুকতে না দেওয়ার হুমকির অভিযোগ গুদামে রেজিস্টারের চেয়ে বেশি সার, কালীগঞ্জে দুই ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা ৬,৮৮৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নলকূপের পানি পান না করার নির্দেশ গণমাধ্যমের প্রতিবেদন সরানো নিয়ে সংসদে প্রশ্ন, ‘মত প্রকাশের স্বাধীনতা কি চাপে?’
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

সীতাকুণ্ডে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ-ভাঙচুর; মহাসড়ক অবরোধ

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:৫৯:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১২ সময় দেখুন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দলটির দুই পক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ, তিনটি মিনিবাস ভাঙচুর এবং ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে সীতাকুণ্ড পৌর সদরের হাসান গোমস্তা মসজিদ এলাকায় চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের অনুসারী ও দলের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরীর অনুসারীদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্র জানায়, বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার সীতাকুণ্ড পৌর সদরের মুন স্টার ক্লাবে পৃথক কর্মসূচির আয়োজন করে দুই পক্ষ। কর্মসূচি ঘিরে গত দুই দিন ধরেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ উভয় পক্ষকে পৃথক সময়ে কর্মসূচি শেষ করার নির্দেশ দেয়।

মঙ্গলবার সকাল থেকেই আসলাম চৌধুরীর অনুসারীরা মুন স্টার ক্লাব এলাকায় অবস্থান নেন। অন্যদিকে কাজী সালাউদ্দিনের অনুসারীরা ক্লাবের কাছাকাছি হাসান গোমস্তা মসজিদ এলাকায় অবস্থান করছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টে বহাল

দুপুর ১টার দিকে আসলাম চৌধুরীর পক্ষের নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে হাসান গোমস্তা মসজিদ এলাকায় পৌঁছালে সেখানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়। একপর্যায়ে তিনটি মিনিবাস ভাঙচুর করা হয়।

ঘটনার জন্য একে অপরকে দায়ী করেছে দুই পক্ষ। কাজী সালাউদ্দিনের দাবি, আসলাম চৌধুরীর অনুসারীরা ককটেল ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচিস্থলে অবস্থান নেন এবং একপর্যায়ে তার নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা করেন।

তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির জন্য তারা কয়েক দিন আগে উপজেলা প্রশাসন ও থানা-পুলিশের কাছ থেকে অনুমতি নিয়েছিলেন। কিন্তু মঙ্গলবার সকাল থেকেই প্রতিপক্ষের নেতা-কর্মীরা সেখানে অবস্থান নেওয়ায় পরিস্থিতির অবনতি ঘটে।

অন্যদিকে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আসলাম চৌধুরীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট মোহাম্মদ মোরসালিন। তার দাবি, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মুন স্টার ক্লাবে হওয়ার কথা থাকলেও পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় তারা এল কে সিদ্দিকী স্কয়ারে কর্মসূচি শুরু করেন। তাদের নেতা-কর্মীরা কোথাও ককটেল বিস্ফোরণ বা হামলা করেননি; বরং সালাউদ্দিনের অনুসারীরাই বিভিন্ন স্থানে তাদের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা করেছেন।

আরও পড়ুনঃ  শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় আজ

প্রায় এক ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধ

সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের প্রতিবাদে দুপুর ২টার দিকে কাজী সালাউদ্দিনের পক্ষের নেতা-কর্মীরা সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়া বাজার এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দুই লেন অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এতে মহাসড়কে যান চলাচল প্রায় এক ঘণ্টা বন্ধ থাকে।

পরে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে সীতাকুণ্ড থানা ও হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের বুঝিয়ে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেয়। এরপর তারা মিছিল নিয়ে সীতাকুণ্ডের দিকে চলে যান।

সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলমগীর বলেন, কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের অনুসারীরা মহাসড়ক অবরোধ করেছিলেন। পুলিশ গিয়ে তাদের বুঝিয়ে অবরোধ তুলে দেয়। এতে প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল।

আরও পড়ুনঃ  শাহজালাল বিমানবন্দরে সড়ক দুর্ঘটনায় বিমানবাহিনীর ৩ সদস্য নিহত

সাময়িক বন্ধ মিনিবাস চলাচল

সংঘর্ষ ও যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনায় চট্টগ্রাম নগরের অলংকার-সীতাকুণ্ড রুটে মিনিবাস চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে বাস ও হিউম্যান হলার মালিক সমিতি।

সংগঠনটির চট্টগ্রামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. খোরশেদ আলম বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় তাদের তিনটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। যাত্রী ও পরিবহনশ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং যানবাহন রক্ষায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ওই রুটে যাত্রীবাহী যান চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আহতদের বিষয়ে যা জানা গেছে

সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফখরুল ইসলাম জানান, দুই পক্ষের হামলায় দুজন আহত হওয়ার তথ্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের পরিচয় জানা যায়নি।

ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও মহাসড়ক অবরোধের ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী

সীতাকুণ্ডে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ-ভাঙচুর; মহাসড়ক অবরোধ

আপডেটের সময়: ০৬:৫৯:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দলটির দুই পক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ, তিনটি মিনিবাস ভাঙচুর এবং ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে সীতাকুণ্ড পৌর সদরের হাসান গোমস্তা মসজিদ এলাকায় চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের অনুসারী ও দলের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরীর অনুসারীদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্র জানায়, বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার সীতাকুণ্ড পৌর সদরের মুন স্টার ক্লাবে পৃথক কর্মসূচির আয়োজন করে দুই পক্ষ। কর্মসূচি ঘিরে গত দুই দিন ধরেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ উভয় পক্ষকে পৃথক সময়ে কর্মসূচি শেষ করার নির্দেশ দেয়।

মঙ্গলবার সকাল থেকেই আসলাম চৌধুরীর অনুসারীরা মুন স্টার ক্লাব এলাকায় অবস্থান নেন। অন্যদিকে কাজী সালাউদ্দিনের অনুসারীরা ক্লাবের কাছাকাছি হাসান গোমস্তা মসজিদ এলাকায় অবস্থান করছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  রংপুরের চার খুন: সিদ্ধার্থ-মুগ্ধকে দুই দিনে ৬ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ

দুপুর ১টার দিকে আসলাম চৌধুরীর পক্ষের নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে হাসান গোমস্তা মসজিদ এলাকায় পৌঁছালে সেখানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়। একপর্যায়ে তিনটি মিনিবাস ভাঙচুর করা হয়।

ঘটনার জন্য একে অপরকে দায়ী করেছে দুই পক্ষ। কাজী সালাউদ্দিনের দাবি, আসলাম চৌধুরীর অনুসারীরা ককটেল ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচিস্থলে অবস্থান নেন এবং একপর্যায়ে তার নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা করেন।

তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির জন্য তারা কয়েক দিন আগে উপজেলা প্রশাসন ও থানা-পুলিশের কাছ থেকে অনুমতি নিয়েছিলেন। কিন্তু মঙ্গলবার সকাল থেকেই প্রতিপক্ষের নেতা-কর্মীরা সেখানে অবস্থান নেওয়ায় পরিস্থিতির অবনতি ঘটে।

অন্যদিকে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আসলাম চৌধুরীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট মোহাম্মদ মোরসালিন। তার দাবি, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মুন স্টার ক্লাবে হওয়ার কথা থাকলেও পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় তারা এল কে সিদ্দিকী স্কয়ারে কর্মসূচি শুরু করেন। তাদের নেতা-কর্মীরা কোথাও ককটেল বিস্ফোরণ বা হামলা করেননি; বরং সালাউদ্দিনের অনুসারীরাই বিভিন্ন স্থানে তাদের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা করেছেন।

আরও পড়ুনঃ  চুক্তিভিত্তিক বিয়ে নিয়ে ইসলামি শরিয়তের বিধান

প্রায় এক ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধ

সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের প্রতিবাদে দুপুর ২টার দিকে কাজী সালাউদ্দিনের পক্ষের নেতা-কর্মীরা সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়া বাজার এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দুই লেন অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এতে মহাসড়কে যান চলাচল প্রায় এক ঘণ্টা বন্ধ থাকে।

পরে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে সীতাকুণ্ড থানা ও হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের বুঝিয়ে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেয়। এরপর তারা মিছিল নিয়ে সীতাকুণ্ডের দিকে চলে যান।

সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলমগীর বলেন, কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের অনুসারীরা মহাসড়ক অবরোধ করেছিলেন। পুলিশ গিয়ে তাদের বুঝিয়ে অবরোধ তুলে দেয়। এতে প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল।

আরও পড়ুনঃ  ম্যানসিটি ছেড়ে পর্তুগালে গেলেন আর্জেন্টাইন অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার

সাময়িক বন্ধ মিনিবাস চলাচল

সংঘর্ষ ও যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনায় চট্টগ্রাম নগরের অলংকার-সীতাকুণ্ড রুটে মিনিবাস চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে বাস ও হিউম্যান হলার মালিক সমিতি।

সংগঠনটির চট্টগ্রামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. খোরশেদ আলম বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় তাদের তিনটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। যাত্রী ও পরিবহনশ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং যানবাহন রক্ষায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ওই রুটে যাত্রীবাহী যান চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আহতদের বিষয়ে যা জানা গেছে

সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফখরুল ইসলাম জানান, দুই পক্ষের হামলায় দুজন আহত হওয়ার তথ্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের পরিচয় জানা যায়নি।

ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও মহাসড়ক অবরোধের ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।