নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলায় কবরস্থানসংলগ্ন একটি গাছের উঁচু ডাল থেকে কাজল মিয়া (৫৫) নামে এক সাবেক সেনাসদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আর্থিক লেনদেনের বিরোধকে কেন্দ্র করে হত্যার অভিযোগ তুলেছেন নিহতের স্বজনেরা।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে উপজেলার ১ নম্বর বড়কাশিয়া বিরামপুর ইউনিয়নের বিরামপুর উত্তরপাড়া চৌধুরী বাড়ির পেছনের কবরস্থান এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
কাজল মিয়া সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের কাটিয়াম গ্রামের জবান আলীর ছেলে। সেনাবাহিনী থেকে অবসরের পর তিনি ধর্মপাশার একটি সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সকালে কবরস্থানের একটি গাছের উঁচু ডালে দড়িতে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পান তারা। খবর ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে লোকজন জড়ো হন। পরে পুলিশকে জানানো হলে তারা স্থানীয়দের সহায়তায় মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার দুপুর থেকে নিখোঁজ ছিলেন কাজল মিয়া। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে মোহনগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন স্বজনেরা।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের আর্থিক লেনদেন নিয়ে বিরোধের জেরে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তাদের দাবি, শ্বাসরোধে হত্যার পর ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর উদ্দেশ্যে মরদেহ গাছের উঁচু ডালে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও জড়িতদের শাস্তি দাবি করেছেন।
মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর ইসলাম হারুন জানান, পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
প্রতিবেদকের নাম 





















