ঢাকা ০৬:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সংসদীয় সহযোগিতা বাড়াতে ব্রিটিশ আইনপ্রণেতাদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান এনসিটি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভ, পুলিশের লাঠিচার্জের অভিযোগ মাত্র ৮৫২ মিটারের জন্য রক্ষা, ভারতের স্যাটেলাইটের ধ্বংসাবশেষ এড়াল বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ দুই মাসের সর্বনিম্নের পর বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ল ডিসেম্বর ঘিরে দেশজুড়ে সাঁড়াশি অভিযান, এক মাসে গ্রেপ্তার ৫৩ হাজার স্বামীকে খুঁজতে ভারতে গিয়ে জানলেন তাঁর আগেই সংসার, থাই নারীর ৬০ লাখ রুপি দেওয়ার অভিযোগ ঢাকা-জাকার্তা সরাসরি ফ্লাইট চালুর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে ইন্দোনেশিয়া অগ্রণী ব্যাংকের ৯১ গ্রাহকের ৮ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, ৫ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার ছয় কোটি ২০ লাখ বাংলাদেশি দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে, বাড়ছে ছয় অর্থনৈতিক চাপ ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে বিধবার টিপসই, পরে ‘জাল বিয়ের’ কাবিননামা
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

নেত্রকোনায় নদীভাঙন রোধ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, ‘সাগর চুরি’ বলছেন অভিযোগকারী

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৫:৩৭:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫ সময় দেখুন

নেত্রকোনার মদন উপজেলার বাগজান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রক্ষায় নেওয়া নদীভাঙন রোধের জরুরি প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রাক্কলন অনুযায়ী কাজ না করে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের পাশাপাশি প্রকল্প তদারকি কর্মকর্তার যোগসাজশে ঠিকাদার ইচ্ছামতো কাজ করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ সেপ্টেম্বর হোসাইন কবির নামে এক ব্যক্তি ঠিকাদার ও প্রকল্প তদারকির দায়িত্বে থাকা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মুস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মগড়া নদীর ভাঙন থেকে বাগজান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রক্ষায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১৯ লাখ ৮২ হাজার ২৮২ টাকা ব্যয়ে ৮০ মিটার অংশে জরুরি ভাঙন রোধ প্রকল্প নেওয়া হয়।

প্রকল্পের প্রাক্কলন অনুযায়ী, ১২ মিটার দীর্ঘ ১৩টি শক্ত কাঠের বল্লা এবং ৮০ মিটার দৈর্ঘ্যে কমপক্ষে ৩৯টি ব্যারাক বাঁশ দিয়ে পাইলিং করার কথা। পাশাপাশি ২০ মিলিমিটার নাট-বল্টু দিয়ে ওয়ালিং পিস আটকানো, ২৫০ কেজি ওজনের ৩ হাজার ১২৫টি জিও-ব্যাগে বালু ডাম্পিং এবং ১৭৫ কেজি ওজনের ১ হাজার ২১০টি শুকনো বালুর জিও-ব্যাগ স্থাপনের কথা ছিল।

আরও পড়ুনঃ  দুই পা অচল, তবু দড়ির ভরসায় ৪০ ফুট গাছে ওঠেন কামাল

তবে অভিযোগকারীদের দাবি, প্রাক্কলন অনুযায়ী কাজ না করে ভেজা বালু ব্যবহার করা হয়েছে। শক্ত কাঠের বল্লার পরিবর্তে মেহগনি গাছের ডাল ব্যবহার করা হয়েছে এবং প্রকল্পের নির্ধারিত অনেক উপকরণই ব্যবহার করা হয়নি। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়দেরও প্রকল্পের প্রাক্কলন সম্পর্কে জানানো হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, কাজ চলাকালে অনিয়মের অভিযোগে একবার স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ কয়েকজন কাজ বন্ধ করে দেন। পরে আবার কাজ শুরু করে ঠিকাদার নিজের মতো করে তা শেষ করেন।

গত বুধবার (৭ অক্টোবর) সরেজমিনে দেখা যায়, প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে। তবে কাজের মান ও ব্যবহৃত উপকরণ নিয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আশরাফুল ইসলাম আকন্দ বলেন, স্কুল রক্ষায় নদীভাঙন রোধ প্রকল্প নেওয়ার খবরে তারা আশাবাদী হয়েছিলেন। কিন্তু স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে কাজ করায় তারা হতাশ হয়েছেন। প্রকল্পের প্রাক্কলনও কাউকে দেখতে দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  রংপুরের পূজামণ্ডপে সিসিটিভির পাশাপাশি নাইট ভিশন ও রিচার্জেবল ক্যামেরা

সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল্লাহ বলেন, ঠিকাদার একদিন তাকে একটি বালুর বস্তা ওজন করে দেখিয়েছিলেন। সেটিতে ২৮০ কেজি বালু ছিল। তবে জিও-ব্যাগে ভেজা বালু দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। প্রকল্পের প্রাক্কলনে কী ছিল, তা তিনি জানেন না বলেও উল্লেখ করেন।

অভিযোগকারী হোসাইন কবির বলেন, ‘অনিয়ম’ বললে বিষয়টি ছোট করে দেখা হবে। তার দাবি, প্রকল্পে ব্যাপক লুটপাট হয়েছে এবং এ কাজে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মুস্তাফিজুর রহমান ঠিকাদারকে সহযোগিতা করেছেন। তিনি বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

তবে ঠিকাদারের প্রতিনিধি উজ্জ্বল তালুকদার বলেন, তারা কোনো অনিয়ম করেননি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে অভিযোগের বিষয়ে তাদের ডাকা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুনঃ  স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় আটকে ছিল চাকরি, অবশেষে নিয়োগ পাচ্ছেন মিশন আচার্য

অভিযোগ অস্বীকার করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, কোনো প্রকল্প দেওয়ার ক্ষমতা তার নেই। এ বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলীর বক্তব্য নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

বাগজান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাদেকুর রহমান বলেন, গণমাধ্যমে অনিয়মের খবর প্রকাশের পর ঠিকাদার জিও-ব্যাগে বালু ভরার সময় তাকে বা বিদ্যালয়ের পিয়নকে ডেকেছিলেন। তবে এর আগে ব্যবহৃত বল্লাসহ অন্যান্য উপকরণ পরিবর্তন করা হয়নি। জিও-ব্যাগে ভেজা বালু ব্যবহার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। প্রকল্পের প্রাক্কলন সম্পর্কে এখনো কিছু জানতে পারেননি বলে দাবি করেন প্রধান শিক্ষক।

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান বলেন, বাগজান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নদীভাঙন রোধ প্রকল্পে অনিয়মের একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীকে বলা হয়েছে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সংসদীয় সহযোগিতা বাড়াতে ব্রিটিশ আইনপ্রণেতাদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান

নেত্রকোনায় নদীভাঙন রোধ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, ‘সাগর চুরি’ বলছেন অভিযোগকারী

আপডেটের সময়: ০৫:৩৭:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

নেত্রকোনার মদন উপজেলার বাগজান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রক্ষায় নেওয়া নদীভাঙন রোধের জরুরি প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রাক্কলন অনুযায়ী কাজ না করে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের পাশাপাশি প্রকল্প তদারকি কর্মকর্তার যোগসাজশে ঠিকাদার ইচ্ছামতো কাজ করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ সেপ্টেম্বর হোসাইন কবির নামে এক ব্যক্তি ঠিকাদার ও প্রকল্প তদারকির দায়িত্বে থাকা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মুস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মগড়া নদীর ভাঙন থেকে বাগজান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রক্ষায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১৯ লাখ ৮২ হাজার ২৮২ টাকা ব্যয়ে ৮০ মিটার অংশে জরুরি ভাঙন রোধ প্রকল্প নেওয়া হয়।

প্রকল্পের প্রাক্কলন অনুযায়ী, ১২ মিটার দীর্ঘ ১৩টি শক্ত কাঠের বল্লা এবং ৮০ মিটার দৈর্ঘ্যে কমপক্ষে ৩৯টি ব্যারাক বাঁশ দিয়ে পাইলিং করার কথা। পাশাপাশি ২০ মিলিমিটার নাট-বল্টু দিয়ে ওয়ালিং পিস আটকানো, ২৫০ কেজি ওজনের ৩ হাজার ১২৫টি জিও-ব্যাগে বালু ডাম্পিং এবং ১৭৫ কেজি ওজনের ১ হাজার ২১০টি শুকনো বালুর জিও-ব্যাগ স্থাপনের কথা ছিল।

আরও পড়ুনঃ  মিরসরাইয়ে ফার্নেসের গলিত লোহায় দগ্ধ হয়ে চীনা প্রকৌশলীসহ ৩ জনের মৃত্যু

তবে অভিযোগকারীদের দাবি, প্রাক্কলন অনুযায়ী কাজ না করে ভেজা বালু ব্যবহার করা হয়েছে। শক্ত কাঠের বল্লার পরিবর্তে মেহগনি গাছের ডাল ব্যবহার করা হয়েছে এবং প্রকল্পের নির্ধারিত অনেক উপকরণই ব্যবহার করা হয়নি। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়দেরও প্রকল্পের প্রাক্কলন সম্পর্কে জানানো হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, কাজ চলাকালে অনিয়মের অভিযোগে একবার স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ কয়েকজন কাজ বন্ধ করে দেন। পরে আবার কাজ শুরু করে ঠিকাদার নিজের মতো করে তা শেষ করেন।

গত বুধবার (৭ অক্টোবর) সরেজমিনে দেখা যায়, প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে। তবে কাজের মান ও ব্যবহৃত উপকরণ নিয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আশরাফুল ইসলাম আকন্দ বলেন, স্কুল রক্ষায় নদীভাঙন রোধ প্রকল্প নেওয়ার খবরে তারা আশাবাদী হয়েছিলেন। কিন্তু স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে কাজ করায় তারা হতাশ হয়েছেন। প্রকল্পের প্রাক্কলনও কাউকে দেখতে দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  ডেঙ্গুতে একদিনে ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি আরও ১ হাজার ৯০২

সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল্লাহ বলেন, ঠিকাদার একদিন তাকে একটি বালুর বস্তা ওজন করে দেখিয়েছিলেন। সেটিতে ২৮০ কেজি বালু ছিল। তবে জিও-ব্যাগে ভেজা বালু দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। প্রকল্পের প্রাক্কলনে কী ছিল, তা তিনি জানেন না বলেও উল্লেখ করেন।

অভিযোগকারী হোসাইন কবির বলেন, ‘অনিয়ম’ বললে বিষয়টি ছোট করে দেখা হবে। তার দাবি, প্রকল্পে ব্যাপক লুটপাট হয়েছে এবং এ কাজে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মুস্তাফিজুর রহমান ঠিকাদারকে সহযোগিতা করেছেন। তিনি বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

তবে ঠিকাদারের প্রতিনিধি উজ্জ্বল তালুকদার বলেন, তারা কোনো অনিয়ম করেননি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে অভিযোগের বিষয়ে তাদের ডাকা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুনঃ  দুই পা অচল, তবু দড়ির ভরসায় ৪০ ফুট গাছে ওঠেন কামাল

অভিযোগ অস্বীকার করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, কোনো প্রকল্প দেওয়ার ক্ষমতা তার নেই। এ বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলীর বক্তব্য নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

বাগজান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাদেকুর রহমান বলেন, গণমাধ্যমে অনিয়মের খবর প্রকাশের পর ঠিকাদার জিও-ব্যাগে বালু ভরার সময় তাকে বা বিদ্যালয়ের পিয়নকে ডেকেছিলেন। তবে এর আগে ব্যবহৃত বল্লাসহ অন্যান্য উপকরণ পরিবর্তন করা হয়নি। জিও-ব্যাগে ভেজা বালু ব্যবহার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। প্রকল্পের প্রাক্কলন সম্পর্কে এখনো কিছু জানতে পারেননি বলে দাবি করেন প্রধান শিক্ষক।

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান বলেন, বাগজান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নদীভাঙন রোধ প্রকল্পে অনিয়মের একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীকে বলা হয়েছে।