মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে United States এবার হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর কঠোর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ জোরদার করেছে। মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, অবরোধ নীতিমালা কার্যকর করতে এখন পর্যন্ত ৭৮টি বাণিজ্যিক জাহাজকে বিকল্প পথে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। পাশাপাশি আরও চারটি জাহাজের কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর United States Central Command এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের বন্দরমুখী জাহাজগুলোর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ওয়াশিংটনের দাবি, নিষেধাজ্ঞা অমান্যের চেষ্টা ঠেকাতেই এই কঠোর ব্যবস্থা।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে Iran ও Israel-কে ঘিরে সামরিক উত্তেজনা নতুন মাত্রা পায়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার পর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ Strait of Hormuz-এ জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি হয়।
বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য হরমুজ প্রণালী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও গ্যাস পরিবহনের বড় অংশ এই জলপথ দিয়েই সম্পন্ন হয়। ফলে এই অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
কূটনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনে Pakistan মধ্যস্থতার উদ্যোগ নিলেও এখন পর্যন্ত স্থায়ী কোনো সমাধান আসেনি। তবে মার্কিন প্রশাসন ইঙ্গিত দিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ভবিষ্যতে হরমুজ প্রণালী আবারও পুরোপুরি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সংকট দীর্ঘায়িত হলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, জ্বালানি সরবরাহ ও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে এর বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।
প্রতিবেদকের নাম 




















