৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডার পদে সুপারিশের ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ মেধা তালিকা প্রকাশে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) কোনো আইনি বাধা নেই বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালত বলেছেন, বিদ্যমান বিধিমালা অনুযায়ী মেধা তালিকা প্রকাশ করা শুধু বৈধই নয়, এটি একটি বাধ্যতামূলক প্রক্রিয়া।
রোববার (২ আগস্ট) হাইকোর্টের এ রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়।
এর আগে, ৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পিএসসির নেওয়া কয়েকটি পদক্ষেপের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কয়েকশ প্রার্থী হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। রিটের শুনানি শেষে গত ২৫ জুন বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার ও বিচারপতি উর্মি রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় ঘোষণা করেন।
শুনানিকালে পিএসসির পক্ষ থেকে যুক্তি দেওয়া হয়, পরবর্তী বিসিএস পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর আগের বিসিএস থেকে নন-ক্যাডার পদে সুপারিশ করার সুযোগ থাকে না।
তবে আদালত সেই যুক্তি গ্রহণ করেননি। রায়ে বলা হয়, ২০২৩ সালের নন-ক্যাডার নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী সুপারিশ কার্যক্রম চালিয়ে যেতে কোনো আইনি বাধা নেই।
এছাড়া, হাইকোর্ট আগামী ৬০ দিনের মধ্যে ৪৩তম বিসিএসের পূর্ণাঙ্গ মেধা তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে মেধা তালিকা প্রকাশের পর সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের শূন্য পদের চাহিদা, প্রার্থীদের পছন্দ এবং মেধাক্রমের ভিত্তিতে দ্রুত নন-ক্যাডার পদে সুপারিশ কার্যক্রম সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আদালতের এ রায়ের ফলে ৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডার নিয়োগপ্রত্যাশীদের দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কাটবে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।
প্রতিবেদকের নাম 




















