বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন টুর্নামেন্টজুড়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে জিতেছেন গোল্ডেন গ্লাভস। তবে ব্যক্তিগত অর্জনের কৃতিত্ব নিজের ঝুলিতে না নিয়ে সতীর্থদেরই সামনে আনলেন এই স্প্যানিশ তারকা।
রসিকতার সুরে সিমন বলেন, বিশ্বকাপে হাতে পরা গ্লাভসগুলোর খুব বেশি কাজই করতে হয়নি, কারণ প্রতিপক্ষের আক্রমণ তার কাছে পৌঁছানোর আগেই রুখে দিয়েছেন স্পেনের ডিফেন্ডাররা।

মাত্র এক গোল হজম, সাত ম্যাচে ক্লিন শিট
পুরো বিশ্বকাপে সাতটি ম্যাচে ক্লিন শিট রাখেন উনাই সিমন। টুর্নামেন্টে তার বিপক্ষে একমাত্র গোলটি আসে কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামের শার্ল দে কেতেলারের কাছ থেকে।
স্পেনের শক্তিশালী রক্ষণভাগের কারণে পুরো টুর্নামেন্টে সিমনকে বড় কোনো পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়নি। যেখানে আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ শুধু ফাইনালেই ১১টি সেভ করেন, সেখানে পুরো বিশ্বকাপজুড়ে সিমনের মোট সেভ ছিল মাত্র ১০টি।
‘গ্লাভসগুলো কথা বলতে পারলে…’
গোল্ডেন গ্লাভস জয়ের পর মজার ছলে সিমন বলেন,
“এই গ্লাভসগুলো শুধু ফাইনালেই ব্যবহৃত হয়েছে। আমি এই বিশ্বকাপে যেসব গ্লাভস পরে খেলেছি, সেগুলো যদি কথা বলতে পারত, তাহলে হয়তো বলত—তাদের খুব বেশি কাজ করতে হয়নি।”
রেকর্ড গড়ল স্পেন
বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে কম গোল হজম করে শিরোপা জয়ের নতুন রেকর্ড গড়েছে স্পেন। এই অর্জন ভবিষ্যতে অন্য কোনো দলের জন্য ভাঙা কঠিন হবে বলেও মনে করেন উনাই সিমন।

সতীর্থদেরই দিলেন কৃতিত্ব
এই সাফল্যকে ব্যক্তিগত অর্জন হিসেবে দেখতে নারাজ স্পেনের এই গোলরক্ষক।
তিনি বলেন,
“আমি এটাকে ব্যক্তিগত সাফল্য হিসেবে দেখি না। মাত্র এক গোল হজম করার এই রেকর্ড গড়তে আমার সব সতীর্থের অবদান রয়েছে। তাদের সবাইকে নিয়ে আমি গর্বিত এবং কৃতজ্ঞ।”
‘বিশ্বকাপ জয়ের অনুভূতির সঙ্গে কোনো কিছুর তুলনা হয় না’
বিশ্বকাপ জয়ের অনুভূতি নিয়ে উচ্ছ্বসিত সিমন বলেন, স্পেনে ফেরার পরই হয়তো তারা উপলব্ধি করতে পারবেন ঠিক কতটা বড় অর্জন করেছেন।
তার ভাষায়,
“খেলার দুনিয়ায় বিশ্বকাপ জয়ের সঙ্গে অন্য কিছুর তুলনা চলে না। ইউরো কিংবা নেশনস লিগের সঙ্গে এর তুলনা করা যায় না। বিশ্বকাপ জয় সম্পূর্ণ ভিন্ন এক অনুভূতি।”
প্রতিবেদকের নাম 





















