
মার্কিন নিষেধাজ্ঞার প্রভাবে ইরানের আমদানি-রফতানি ২৫ থেকে ৩৫ শতাংশ কমেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। এর মধ্যে রফতানি সবচেয়ে বেশি কমেছে বলে জানান তিনি।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সাংবাদিকদের দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পেজেশকিয়ান বলেন, যুদ্ধবিরতির স্বল্প সময়ে ইরান প্রায় ৯ কোটি ব্যারেল তেল রফতানি করেছিল। তবে নিষেধাজ্ঞার কারণে এখন সেই পরিমাণে তেল রফতানি করা সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি বলেন, যারা নিষেধাজ্ঞার কোনো প্রভাব নেই বলে দাবি করেন, বাণিজ্য কমে যাওয়ার এই পরিসংখ্যানই তাদের জন্য যথেষ্ট প্রমাণ।
এদিকে সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, যেসব দেশ ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে টিকিয়ে রাখতে সহায়তা করবে, তাদের কঠিন পরিণতির মুখে পড়তে হতে পারে।
এমন পরিস্থিতিতে ইরানের প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার চীন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, তুরস্ক, ভারত, পাকিস্তান ও ওমানও যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি সাম্প্রতিক আঞ্চলিক সংঘাতও ইরানের অর্থনীতিতে বাড়তি চাপ তৈরি করছে। ফলে দেশটির তেল রফতানি ও বৈদেশিক বাণিজ্য আরও সংকুচিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















