দেশে চাঁদাবাজির অভিযোগের প্রতিবাদে প্রতীকী ‘গণভিক্ষা ও পুনর্বাসন দানবাক্স’ কর্মসূচি পালন করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ এবং দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তাদের নেতৃত্বে একটি মিছিল বের হয়। মিছিলে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এর মধ্যে ছিল—‘ভিক্ষা লাগলে ভিক্ষা নে, চাঁদাবাজি ছাইড়া দে’ এবং ‘ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও, চাঁদাবাজের আস্তানা’।
এর আগে রাজধানীর বাংলামোটরে ‘পুনর্বাসন দানবাক্স’ স্থাপন ও গণভিক্ষা কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছিলেন হাসনাত আবদুল্লাহ। সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি কর্মসূচির কথা জানান।
পোস্টে হাসনাত আবদুল্লাহ দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে সরকারদলীয় নেতাকর্মীদের একটি অংশ অনাহারে রয়েছে। তিনি ব্যঙ্গাত্মকভাবে সাধারণ মানুষের কাছে অর্থ সহায়তার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এক টাকাও হয়তো কাউকে চাঁদাবাজির পথ থেকে দূরে রাখতে পারে।
তিনি আরও বলেন, চাঁদাবাজির বিকল্প হিসেবে ‘পুনর্বাসন দানবাক্স’ চালু করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রতীকী প্রতিবাদ এবং পুনর্বাসনের বার্তা দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
কর্মসূচিতে এনসিপির নেতাকর্মীরা অংশ নেন। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যেই প্রতীকী এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
হাসনাত আবদুল্লাহর ঘোষণার পর কর্মসূচিটি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়। এ নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
প্রতিবেদকের নাম 




















