ঢাকা ০৮:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রোহিঙ্গা সংকট এখন মানবিকতার পাশাপাশি নিরাপত্তা ও অভিবাসন উদ্বেগ: ঢাকা অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধান: যুবলীগের সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ও স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা বাংলামোটরে চাঁদা দাবির পর গুলিবর্ষণের অভিযোগ, বহিষ্কৃত যুবদল নেতা কারাগারে জুলাই যোদ্ধাদের সুরক্ষা ও দায়মুক্তি সাংবিধানিকভাবে নিশ্চিত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভাঙারি কুড়িয়ে জীবন কাটানো বৃদ্ধের পেনশন অ্যাকাউন্টে ৭২ লাখ টাকা মসজিদের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির শিমু হত্যা মামলায় ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের সাক্ষ্য চীন-ভারত-জাপানসহ এশিয়ার বাজারে বাড়ছে বাংলাদেশের রপ্তানি শাহজালালে তিন যাত্রীর লাগেজে ৬৩১ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ নীতিমালার আওতায় আসছে রাজধানীর ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা: সড়কমন্ত্রী
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

চীন-ভারত-দক্ষিণ কোরিয়ায় বাড়ল বাংলাদেশের রপ্তানি

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:৫৮:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ১০ সময় দেখুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের পাশাপাশি এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ বাজারগুলোতেও বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা দিয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে চীন, ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ কয়েকটি বড় এশীয় বাজারে রপ্তানি বাড়ায় দেশের পণ্য ও বাজার বহুমুখীকরণের সম্ভাবনা আরও শক্তিশালী হয়েছে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে চীনে বাংলাদেশ থেকে পণ্য রপ্তানি হয়েছে ২২ কোটি ৫৪ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলারের। গত বছরের একই সময়ে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ২০ কোটি ৬১ লাখ ৮০ হাজার ডলার। অর্থাৎ এক বছরে দেশটিতে রপ্তানি বেড়েছে ৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

দক্ষিণ কোরিয়ায়ও রপ্তানি বেড়েছে। প্রথম প্রান্তিকে দেশটিতে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ১৩ কোটি ৪৫ লাখ ৫০ হাজার ডলারে, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১২ কোটি ৫৪ লাখ ১০ হাজার ডলার। এতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৭ দশমিক ২৯ শতাংশ।

আরও পড়ুনঃ  রাজধানীর বাজারে শিমের কেজি ২০০ টাকা, পেঁপে মিলছে ৩০ টাকায়

ভারতের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি ৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ বেড়ে ৫১ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। গত বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে দেশটিতে রপ্তানি হয়েছিল ৪৮ কোটি ৩৭ লাখ ১০ হাজার ডলারের পণ্য।

জাপানের বাজারেও সামান্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে দেশটিতে ৩৯ কোটি ৯১ লাখ ১০ হাজার ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। গত বছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৩৯ কোটি ৬১ লাখ ১০ হাজার ডলার।

এশিয়ার এসব বাজারে রপ্তানি বৃদ্ধির পাশাপাশি সামগ্রিক পণ্য রপ্তানিতেও ইতিবাচক ধারা বজায় রয়েছে। ইপিবির হিসাব বলছে, জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে দেশের মোট পণ্য রপ্তানি আয় ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৩০৯ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত বছরের একই সময়ে আয় হয়েছিল ১ হাজার ২৩১ কোটি ডলার।

ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ বলেন, এশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে পণ্যভিত্তিক রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি ক্রেতাদের চাহিদা এবং নতুন পণ্য ও বাজারের সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরি ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা

তিনি বলেন, চীন বাংলাদেশের জন্য বিশাল সম্ভাবনাময় একটি বাজার। সেখানে নতুন নতুন পণ্যের বাজার তৈরির সুযোগ রয়েছে। অন্যদিকে ভৌগোলিক নৈকট্যের কারণে ভারতের সঙ্গে আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে।

চীনের বাজারে পণ্যের বহুমুখীকরণে ইপিবি গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে হাসান আরিফ বলেন, দেশটির বড় ভোক্তা বাজার ও ক্রমবর্ধমান চাহিদা বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলছে।

ইপিবির সহযোগিতায় কয়েকটি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান ২০২৬ সালের ১০ম চীন-দক্ষিণ এশিয়া এক্সপো এবং ৩০তম চায়না কুনমিং আমদানি-রপ্তানি মেলায় অংশ নিয়েছে। এসব আন্তর্জাতিক আয়োজনে অংশ নিয়ে বাংলাদেশি রপ্তানিকারকেরা নিজেদের পণ্য প্রদর্শনের পাশাপাশি সম্ভাব্য ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং বাজারের পরিবর্তিত চাহিদা সম্পর্কে ধারণা নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

ভারতের বাজারে রপ্তানি সম্প্রসারণের বিষয়ে হাসান আরিফ বলেন, ভৌগোলিক নৈকট্য এবং বিশাল ভোক্তা বাজারের কারণে ভারত বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে দেশটির বাজারে শুল্ক ও অশুল্ক বাধা এখনো অন্যতম চ্যালেঞ্জ। এসব প্রতিবন্ধকতা দূর করতে কাজ চলছে।

আরও পড়ুনঃ  চীন-ভারত-জাপানসহ এশিয়ার বাজারে বাড়ছে বাংলাদেশের রপ্তানি

দক্ষিণ কোরিয়ায় তৈরি পোশাকের পাশাপাশি চামড়াজাত পণ্য, জুতা, পাটজাত পণ্য, গৃহসজ্জার বস্ত্র, ওষুধ এবং প্রক্রিয়াজাত খাদ্য রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলেও জানান তিনি।

একইভাবে জাপানের বাজারে চামড়াজাত পণ্য, জুতা, পাটজাত পণ্য, গৃহসজ্জার বস্ত্র, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, ওষুধ ও হালকা প্রকৌশল পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণের সম্ভাবনা রয়েছে।

হাসান আরিফের মতে, এশিয়ার এসব বাজারে রপ্তানি আরও বাড়াতে পণ্যের মান নিশ্চিত করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দেশের চাহিদা, মানদণ্ড ও বিধিবিধান যথাযথভাবে মেনে চলা, নির্ধারিত সময়ে পণ্য সরবরাহ এবং বাজারের চাহিদা সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখা জরুরি।

রপ্তানি বাজার ও পণ্যের বহুমুখীকরণে ইপিবি বিভিন্ন বাণিজ্য মেলা, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল, বাজার অনুসন্ধান এবং প্রচারমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে রপ্তানিকারকদের সহযোগিতা করছে বলেও জানান তিনি।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

রোহিঙ্গা সংকট এখন মানবিকতার পাশাপাশি নিরাপত্তা ও অভিবাসন উদ্বেগ: ঢাকা

চীন-ভারত-দক্ষিণ কোরিয়ায় বাড়ল বাংলাদেশের রপ্তানি

আপডেটের সময়: ০৬:৫৮:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের পাশাপাশি এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ বাজারগুলোতেও বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা দিয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে চীন, ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ কয়েকটি বড় এশীয় বাজারে রপ্তানি বাড়ায় দেশের পণ্য ও বাজার বহুমুখীকরণের সম্ভাবনা আরও শক্তিশালী হয়েছে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে চীনে বাংলাদেশ থেকে পণ্য রপ্তানি হয়েছে ২২ কোটি ৫৪ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলারের। গত বছরের একই সময়ে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ২০ কোটি ৬১ লাখ ৮০ হাজার ডলার। অর্থাৎ এক বছরে দেশটিতে রপ্তানি বেড়েছে ৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

দক্ষিণ কোরিয়ায়ও রপ্তানি বেড়েছে। প্রথম প্রান্তিকে দেশটিতে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ১৩ কোটি ৪৫ লাখ ৫০ হাজার ডলারে, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১২ কোটি ৫৪ লাখ ১০ হাজার ডলার। এতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৭ দশমিক ২৯ শতাংশ।

আরও পড়ুনঃ  সরকারি দামের চেয়ে বেশি দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি, ৩৯ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

ভারতের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি ৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ বেড়ে ৫১ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। গত বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে দেশটিতে রপ্তানি হয়েছিল ৪৮ কোটি ৩৭ লাখ ১০ হাজার ডলারের পণ্য।

জাপানের বাজারেও সামান্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে দেশটিতে ৩৯ কোটি ৯১ লাখ ১০ হাজার ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। গত বছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৩৯ কোটি ৬১ লাখ ১০ হাজার ডলার।

এশিয়ার এসব বাজারে রপ্তানি বৃদ্ধির পাশাপাশি সামগ্রিক পণ্য রপ্তানিতেও ইতিবাচক ধারা বজায় রয়েছে। ইপিবির হিসাব বলছে, জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে দেশের মোট পণ্য রপ্তানি আয় ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৩০৯ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত বছরের একই সময়ে আয় হয়েছিল ১ হাজার ২৩১ কোটি ডলার।

ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ বলেন, এশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে পণ্যভিত্তিক রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি ক্রেতাদের চাহিদা এবং নতুন পণ্য ও বাজারের সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  শর্তের জটিলতায় আটকে ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা, বিতরণ হয়েছে মাত্র ৮০০ কোটি

তিনি বলেন, চীন বাংলাদেশের জন্য বিশাল সম্ভাবনাময় একটি বাজার। সেখানে নতুন নতুন পণ্যের বাজার তৈরির সুযোগ রয়েছে। অন্যদিকে ভৌগোলিক নৈকট্যের কারণে ভারতের সঙ্গে আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে।

চীনের বাজারে পণ্যের বহুমুখীকরণে ইপিবি গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে হাসান আরিফ বলেন, দেশটির বড় ভোক্তা বাজার ও ক্রমবর্ধমান চাহিদা বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলছে।

ইপিবির সহযোগিতায় কয়েকটি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান ২০২৬ সালের ১০ম চীন-দক্ষিণ এশিয়া এক্সপো এবং ৩০তম চায়না কুনমিং আমদানি-রপ্তানি মেলায় অংশ নিয়েছে। এসব আন্তর্জাতিক আয়োজনে অংশ নিয়ে বাংলাদেশি রপ্তানিকারকেরা নিজেদের পণ্য প্রদর্শনের পাশাপাশি সম্ভাব্য ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং বাজারের পরিবর্তিত চাহিদা সম্পর্কে ধারণা নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

ভারতের বাজারে রপ্তানি সম্প্রসারণের বিষয়ে হাসান আরিফ বলেন, ভৌগোলিক নৈকট্য এবং বিশাল ভোক্তা বাজারের কারণে ভারত বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে দেশটির বাজারে শুল্ক ও অশুল্ক বাধা এখনো অন্যতম চ্যালেঞ্জ। এসব প্রতিবন্ধকতা দূর করতে কাজ চলছে।

আরও পড়ুনঃ  নতুন পে স্কেলে বেতন নির্ধারণ শুরু, যেসব তথ্য লাগবে

দক্ষিণ কোরিয়ায় তৈরি পোশাকের পাশাপাশি চামড়াজাত পণ্য, জুতা, পাটজাত পণ্য, গৃহসজ্জার বস্ত্র, ওষুধ এবং প্রক্রিয়াজাত খাদ্য রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলেও জানান তিনি।

একইভাবে জাপানের বাজারে চামড়াজাত পণ্য, জুতা, পাটজাত পণ্য, গৃহসজ্জার বস্ত্র, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, ওষুধ ও হালকা প্রকৌশল পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণের সম্ভাবনা রয়েছে।

হাসান আরিফের মতে, এশিয়ার এসব বাজারে রপ্তানি আরও বাড়াতে পণ্যের মান নিশ্চিত করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দেশের চাহিদা, মানদণ্ড ও বিধিবিধান যথাযথভাবে মেনে চলা, নির্ধারিত সময়ে পণ্য সরবরাহ এবং বাজারের চাহিদা সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখা জরুরি।

রপ্তানি বাজার ও পণ্যের বহুমুখীকরণে ইপিবি বিভিন্ন বাণিজ্য মেলা, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল, বাজার অনুসন্ধান এবং প্রচারমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে রপ্তানিকারকদের সহযোগিতা করছে বলেও জানান তিনি।