রাজধানীর বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দরে বড় ধরনের পরিবর্তন না হলেও আগাম শীতকালীন সবজি শিমের দাম বেড়ে কেজিপ্রতি ২০০ টাকায় উঠেছে। বিপরীতে তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যাচ্ছে পেঁপে। প্রতি কেজি পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়।
শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বেশিরভাগ সবজি ৭০ থেকে ১২০ টাকা
বাজারে বেগুন, করলা, বরবটি, ঢ্যাঁড়স, পটল ও কাঁকরোলসহ সাধারণ সবজির বেশিরভাগই কেজিপ্রতি ৭০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
শসার দাম কিছুটা কমে কেজিপ্রতি ৫০ থেকে ৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। তবে দেশি শসার দাম তুলনামূলক বেশি—প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা।
কাঁচা মরিচ মানভেদে কেজিপ্রতি ১২০ থেকে ১৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
মুরগি ও ডিমের দাম অপরিবর্তিত
রাজধানীর বাজারে মুরগির দামেও তেমন পরিবর্তন দেখা যায়নি। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
ডিমও আগের উচ্চমূল্যেই বিক্রি হচ্ছে। ফার্মের মুরগির ডিমের এক ডজনের দাম ১৫৫ টাকা। চারটি ডিম কিনতে গুনতে হচ্ছে ৫৫ টাকা।
মাছের বাজারেও খুব একটা পরিবর্তন নেই
মাছের বাজারে বিভিন্ন ধরনের মাছ আগের দরেই বিক্রি হচ্ছে। তেলাপিয়া প্রতি কেজি ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা এবং পাঙাশ ২২০ থেকে ২৩০ টাকা দরে পাওয়া যাচ্ছে।
রুই ও কাতলা মাছের দাম কেজিপ্রতি ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা। বড় আকারের রুই বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা দরে।
এ ছাড়া পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা, ট্যাংরা ৭০০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা এবং মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাইম মাছের দাম কেজিপ্রতি ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা। দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং চাষের কই প্রায় ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল মাছ ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
চাষের শিং মাছ আকারভেদে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা এবং মাঝারি আকারের রুই ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারভেদে দামে পার্থক্য
বাজারে রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে কেজিপ্রতি এক হাজার টাকার বেশি খরচ হতে পারে। মাছের আকার, মান এবং জীবিত না মৃত—এসবের ওপর দাম নির্ভর করছে।
এ ছাড়া রাজধানীর একেক বাজারে একই পণ্যের দামে কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত পার্থক্য দেখা যাচ্ছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















