বাংলাদেশের বিমান চলাচলের চাহিদা ও দেশের স্বার্থ বিবেচনা করেই যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি বলেছেন, এ সিদ্ধান্তের পেছনে কোনো ‘গোপন এজেন্ডা’ নেই।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফর ও ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে কথা বলার সময় তিনি এ তথ্য জানান।
বোয়িং কেনার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন কবির বলেন, আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণ এবং দেশের বিমান চলাচল খাতকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই বহর বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছে।
প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফর প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বিশ্ব কূটনীতিতে নতুন সুযোগ তৈরি করেছে। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের মাধ্যমে বাংলাদেশের অবস্থান ও বিভিন্ন অগ্রাধিকার বিশ্ব সম্প্রদায়ের সামনে তুলে ধরা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
হুমায়ুন কবির বলেন, জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ, নারী ও তরুণদের ক্ষমতায়ন, রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, শান্তি এবং বৈশ্বিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান, জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
তার দাবি, নিউইয়র্ক সফরের চার কর্মদিবসে এসব বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। জাতিসংঘে বাংলাদেশের এবারের অংশগ্রহণ সফল হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ ভাষণ নিয়ে বিরোধী দলের সমালোচনার প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির বলেন, সফরের উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম সম্পর্কে যথাযথ তথ্য না জেনেই বিরোধীরা সমালোচনা করছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, একই পরিবারের তিন ব্যক্তির বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের মধ্য দিয়ে একটি অনন্য ইতিহাস তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান ও যোগাযোগ আরও বিস্তৃত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রতিবেদকের নাম 




















