অনলাইন ডেস্ক | প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬,
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্সের নথি আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) হাইকোর্টে পাঠানো হতে পারে। তবে এ জন্য মামলার পূর্ণাঙ্গ রায়ে বিচারকের স্বাক্ষর সম্পন্ন হওয়া প্রয়োজন।
গত রোববার ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার পর সোমবার দুই আসামিকে কারাগারের কনডেম সেলে স্থানান্তর করা হয়েছে।
চার কার্যদিবসেই বিচার সম্পন্ন
আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ১ জুন সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। পরদিন ২ জুন মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।
একই দিনে মামলার ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন করা হয়। এরপর ৩ জুন আসামিপক্ষের আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন। মাত্র চার কার্যদিবসের মধ্যেই মামলার বিচারকাজ শেষ করে রায় ঘোষণা করা হয়।
ডেথ রেফারেন্স কী?
বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী, নিম্ন আদালত কোনো আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিলে সেই রায় কার্যকর হওয়ার আগে বাধ্যতামূলকভাবে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন নিতে হয়। এ প্রক্রিয়াকেই ‘ডেথ রেফারেন্স’ বলা হয়।
হাইকোর্ট রায়ের নথিপত্র পর্যালোচনা করে মৃত্যুদণ্ড বহাল, পরিবর্তন বা বাতিল করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেন।
প্রতিবেদকের নাম 




















