মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের অনুরোধে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (৩০ জুন) কাতারের রাজধানী দোহায় দুই দেশের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে বড় হাতের অক্ষরে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, “ইরান একটি বৈঠকের অনুরোধ করেছে। আগামীকাল দোহায় এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে।”
তবে ট্রাম্পের এই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগেই সম্পূর্ণ ভিন্ন অবস্থান জানায় তেহরান। ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদী বলেন, চলতি সপ্তাহে কাতারে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে ইরানের ‘টেকনিক্যাল টিমের’ কোনো বৈঠকের পরিকল্পনা নেই।
এতে সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের বক্তব্যে স্পষ্ট অসঙ্গতি দেখা দিয়েছে। একদিকে ট্রাম্প বৈঠককে নিশ্চিত বলে দাবি করছেন, অন্যদিকে ইরান তা সরাসরি অস্বীকার করছে।
দুই দেশের পরস্পরবিরোধী অবস্থানের ফলে দোহায় সম্ভাব্য এই বৈঠক আদৌ অনুষ্ঠিত হবে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে।
এদিকে, কাতারে অবরুদ্ধ থাকা ১২০০ কোটি ডলারের মধ্যে ৬০০ কোটি ডলারের সম্পদ ছেড়ে দেওয়া হবে বলে দাবি করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। একই সঙ্গে তিনি জানান, ইরানের তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল খাতের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞাও তুলে নেওয়া হয়েছে বলে তাদের দাবি।
প্রতিবেদকের নাম 











