বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে নীতি সুদহার (রেপো রেট) কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ১০ শতাংশ থেকে ৫০ বেসিস পয়েন্ট কমিয়ে নতুন নীতি সুদহার ৯ দশমিক ৫০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের মনিটারি পলিসি কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নতুন সুদহার আগামী রোববার থেকে কার্যকর হবে।
ঋণের সুদ কমার আশা
নীতি সুদহার কমানোর ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে আগের তুলনায় কম সুদে অর্থ ধার নিতে পারবে। এর প্রভাব গ্রাহক পর্যায়ের ঋণের সুদহারেও পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে ব্যবসায়িক ঋণ গ্রহণ সহজ হবে এবং বিনিয়োগে ইতিবাচক গতি আসতে পারে।
২১ মাস পর বড় সিদ্ধান্ত
দীর্ঘ ২১ মাস পর নীতি সুদহারে পরিবর্তন আনল বাংলাদেশ ব্যাংক। অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগ পরিস্থিতি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং বৈদেশিক লেনদেনের সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রত্যাশা, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়বে, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আরও ত্বরান্বিত হবে।
কেন বাড়ানো হয়েছিল সুদহার?
উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ২০২২ সালের পর থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক ধারাবাহিকভাবে নীতি সুদহার বাড়িয়ে আসছিল। সংকোচনমুখী মুদ্রানীতির অংশ হিসেবে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগও নেওয়া হয়।
সে ধারাবাহিকতায় নীতি সুদহার ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২০২৪ সালের আগস্টে ১০ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছিল। এতদিন সেই হারই বহাল ছিল। নতুন সিদ্ধান্তের মাধ্যমে প্রায় দুই বছর পর সুদহার কমানোর পথে ফিরল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
প্রতিবেদকের নাম 



















