ঢাকা ০৩:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ইনানীতে পাঁচতারকা হোটেল কর্মচারীর রহস্যজনক মৃত্যু, মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পুলিশ চেকপোস্টে ভয়াবহ হামলা, নিহত ৭ পুলিশ; পাল্টা অভিযানে নিহত ৮ হামলাকারী পাবনায় সিঁদ কেটে ঘরে ঢুকে স্কুলশিক্ষিকাকে হত্যা, মরদেহ উদ্ধার টয়লেটের ট্যাংকি থেকে আলিম পরীক্ষায় দায়িত্বে অবহেলা: কেন্দ্র সচিব ও ট্যাগ অফিসার সাময়িক বরখাস্ত নবম পে স্কেল নিয়ে নতুন ব্যাখ্যা দিলেন অর্থমন্ত্রী, দ্রুত আসছে প্রজ্ঞাপন অবসরের পর মেসিকে নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্বকাপ ফাইনালের রেফারি বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনার জেরে পাঁচজনের বিরুদ্ধে ফিফার অভিযোগ ডিএমপির তিন থানায় নতুন ওসি, বদলি ৬ পুলিশ পরিদর্শক সিলেটের পথে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা, হবিগঞ্জের ঘটনার অভিযোগ তদন্তের দাবি অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে পুষ্টিবিদদের ভূমিকা জোরদারের তাগিদ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

নতুন অর্ডারের চেয়ে উৎপাদন বাড়ানোতেই বোয়িংয়ের যত মনোযোগ

“নতুন অর্ডারের চেয়ে উৎপাদনেই জোর, কৌশল বদলাচ্ছে বোয়িং”

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং এখন নতুন অর্ডার সংগ্রহের চেয়ে উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি ও সময়মতো বিমান সরবরাহ নিশ্চিত করাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, বিদ্যমান অর্ডারের পরিমাণই যথেষ্ট শক্তিশালী, তাই এখন মূল লক্ষ্য উৎপাদন প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর, নিরাপদ ও স্থিতিশীল করা।

লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী ফার্নবরো এয়ারশো উপলক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বোয়িং কমার্শিয়াল এয়ারপ্লেনসের প্রধান নির্বাহী স্টেফানি পোপ বলেন, বর্তমান বাজারে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো নির্ধারিত সময়ে গ্রাহকদের কাছে বিমান সরবরাহ করা। সে কারণে প্রতিষ্ঠানটি জনপ্রিয় ৭৩৭ ম্যাক্স বিমানের মাসিক উৎপাদন ৪৭টিতে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ করছে। পরবর্তী ধাপে এই সংখ্যা বাড়িয়ে মাসে ৫২টি করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বিজ্ঞাপনের চুক্তির প্রলোভনে ডেকে নির্যাতনের অভিযোগ, থানায় অভিনেত্রী স্নিগ্ধার মামলা

বর্তমানে প্রায় ২৬ বিলিয়ন ডলারের নিট ঋণ বহন করছে বোয়িং। এই ঋণের চাপ কমাতে এবং ভবিষ্যৎ গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে অর্থায়নের জন্য ৭৩৭ ম্যাক্স ও ৭৮৭ ড্রিমলাইনারের ধারাবাহিক উৎপাদন ও সরবরাহ নিশ্চিত করাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে প্রতিষ্ঠানটি।

আরও পড়ুনঃ  বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি বাণিজ্য বন্ধ

তবে উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি নিরাপত্তার বিষয়েও কোনো ছাড় দিতে চায় না বোয়িং। ২০২৪ সালের একটি মাঝ-আকাশের দুর্ঘটনার পর মার্কিন নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদনের ওপর কঠোর সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এখন প্রতিটি ধাপে নিরাপত্তা যাচাই এবং ঝুঁকি মূল্যায়নের ভিত্তিতে উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে।

অন্যদিকে, বৈশ্বিক বাজারে প্রতিদ্বন্দ্বী এয়ারবাস-এর সঙ্গে প্রতিযোগিতায়ও চাপের মুখে রয়েছে বোয়িং। বিশেষ করে ন্যারোবডি বিমানের বাজারে এয়ারবাসের এ৩২০ সিরিজ বর্তমানে এগিয়ে রয়েছে। তাই উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতের নতুন প্রযুক্তিনির্ভর বিমান তৈরির কাজও এগিয়ে নিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে তাদের প্রকৌশলীরা ৭৩৭ ম্যাক্স-৭, ৭৩৭ ম্যাক্স-৯ এবং ৭৭৭-৯ মডেলের সার্টিফিকেশন কার্যক্রম নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  স্বৈরাচারের পুনরুত্থানের সুযোগ নেই, জনগণের অধিকার রক্ষায় সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

বিশ্লেষকদের মতে, তাৎক্ষণিক বড় কোনো ঘোষণা না দিয়ে উৎপাদন ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য করে তোলার কৌশলই বোয়িংয়ের দীর্ঘমেয়াদি পুনরুদ্ধারের ভিত্তি হতে পারে। উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে পারলে প্রতিষ্ঠানটি যেমন ঋণের চাপ কমাতে পারবে, তেমনি বৈশ্বিক বিমান শিল্পেও নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে সক্ষম হবে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ইনানীতে পাঁচতারকা হোটেল কর্মচারীর রহস্যজনক মৃত্যু, মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার

নতুন অর্ডারের চেয়ে উৎপাদন বাড়ানোতেই বোয়িংয়ের যত মনোযোগ

আপডেটের সময়: ০৩:১৯:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

“নতুন অর্ডারের চেয়ে উৎপাদনেই জোর, কৌশল বদলাচ্ছে বোয়িং”

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং এখন নতুন অর্ডার সংগ্রহের চেয়ে উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি ও সময়মতো বিমান সরবরাহ নিশ্চিত করাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, বিদ্যমান অর্ডারের পরিমাণই যথেষ্ট শক্তিশালী, তাই এখন মূল লক্ষ্য উৎপাদন প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর, নিরাপদ ও স্থিতিশীল করা।

লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী ফার্নবরো এয়ারশো উপলক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বোয়িং কমার্শিয়াল এয়ারপ্লেনসের প্রধান নির্বাহী স্টেফানি পোপ বলেন, বর্তমান বাজারে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো নির্ধারিত সময়ে গ্রাহকদের কাছে বিমান সরবরাহ করা। সে কারণে প্রতিষ্ঠানটি জনপ্রিয় ৭৩৭ ম্যাক্স বিমানের মাসিক উৎপাদন ৪৭টিতে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ করছে। পরবর্তী ধাপে এই সংখ্যা বাড়িয়ে মাসে ৫২টি করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  দেশের ৮ জেলায় ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত

বর্তমানে প্রায় ২৬ বিলিয়ন ডলারের নিট ঋণ বহন করছে বোয়িং। এই ঋণের চাপ কমাতে এবং ভবিষ্যৎ গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে অর্থায়নের জন্য ৭৩৭ ম্যাক্স ও ৭৮৭ ড্রিমলাইনারের ধারাবাহিক উৎপাদন ও সরবরাহ নিশ্চিত করাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে প্রতিষ্ঠানটি।

আরও পড়ুনঃ  শিক্ষিকার ভাইরাল রিলস ঘিরে তদন্তের সিদ্ধান্ত, কী বলছে শিক্ষা প্রশাসন?

তবে উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি নিরাপত্তার বিষয়েও কোনো ছাড় দিতে চায় না বোয়িং। ২০২৪ সালের একটি মাঝ-আকাশের দুর্ঘটনার পর মার্কিন নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদনের ওপর কঠোর সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এখন প্রতিটি ধাপে নিরাপত্তা যাচাই এবং ঝুঁকি মূল্যায়নের ভিত্তিতে উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে।

অন্যদিকে, বৈশ্বিক বাজারে প্রতিদ্বন্দ্বী এয়ারবাস-এর সঙ্গে প্রতিযোগিতায়ও চাপের মুখে রয়েছে বোয়িং। বিশেষ করে ন্যারোবডি বিমানের বাজারে এয়ারবাসের এ৩২০ সিরিজ বর্তমানে এগিয়ে রয়েছে। তাই উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতের নতুন প্রযুক্তিনির্ভর বিমান তৈরির কাজও এগিয়ে নিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে তাদের প্রকৌশলীরা ৭৩৭ ম্যাক্স-৭, ৭৩৭ ম্যাক্স-৯ এবং ৭৭৭-৯ মডেলের সার্টিফিকেশন কার্যক্রম নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  ফ্যামিলি কার্ড নিয়োগে ভাইভা বোর্ডে ‘বহিরাগত’, স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন

বিশ্লেষকদের মতে, তাৎক্ষণিক বড় কোনো ঘোষণা না দিয়ে উৎপাদন ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য করে তোলার কৌশলই বোয়িংয়ের দীর্ঘমেয়াদি পুনরুদ্ধারের ভিত্তি হতে পারে। উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে পারলে প্রতিষ্ঠানটি যেমন ঋণের চাপ কমাতে পারবে, তেমনি বৈশ্বিক বিমান শিল্পেও নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে সক্ষম হবে।