নেইমার, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও রদ্রিগোদের মতো তারকা ছাড়াই চিলির বিপক্ষে দাপুটে জয় পেয়েছে ব্রাজিল। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে লাতিন আমেরিকা অঞ্চলের ম্যাচে চিলিকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। নতুন কোচ কার্লো আনচেলত্তির অধীনে দলের পারফরম্যান্স নিয়ে সমর্থকদের আগ্রহ থাকলেও মাঠের খেলায় হতাশ করেনি সেলেসাওরা।
ব্রাজিলের জয়ে আলো ছড়িয়েছেন এস্তেভাও উইলিয়ান, যিনি ‘মেসিনিও’ বা ছোট মেসি নামে পরিচিত। মারাকানায় ম্যাচের প্রথমার্ধেই গোল করে দলকে এগিয়ে দেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড।
আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসির বড় ভক্ত এস্তেভাও। ক্লাব বিশ্বকাপে মেসির দল ইন্টার মায়ামির বিপক্ষে খেলার পর প্রিয় তারকার সঙ্গে দেখা করতেও ছুটে গিয়েছিলেন তিনি।
মারাকানায় চিলির বিপক্ষে ম্যাচেও মেসির সঙ্গে এক কাকতালীয় মিল তৈরি হয় এস্তেভাওয়ের। ম্যাচের ৩৮ মিনিটে তাঁর করা গোলে এগিয়ে যায় ব্রাজিল। মেসির গোলের সময়ের সঙ্গে মিল থাকায় বিষয়টি বাড়তি আলোচনায় আসে।
শুরু থেকেই চিলিকে চাপে রাখে ব্রাজিল। একের পর এক আক্রমণ করলেও ফিনিশিংয়ের দুর্বলতায় প্রথম দিকে গোলের দেখা পাচ্ছিল না স্বাগতিকরা। শেষ পর্যন্ত এস্তেভাওয়ের গোলে ভাঙে সেই অচলাবস্থা। ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় ব্রাজিল।
দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের গতি আরও বাড়ায় সেলেসাওরা। ম্যাচের ৭২ মিনিটে লুকাস পাকেতার গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। এর চার মিনিট পর ব্রুনো গুইমারেসের গোলে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ব্রাজিল।
ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও ব্রাজিলের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি চিলি। শেষ পর্যন্ত তিন গোলের ব্যবধানেই মাঠ ছাড়ে দুই দল।
বল দখল, আক্রমণ ও গোলের সুযোগ তৈরিতে ম্যাচজুড়ে আধিপত্য ছিল ব্রাজিলের। ৬৫ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রেখে মোট ২২টি শট নেয় তারা, যার আটটি ছিল লক্ষ্যে। সব মিলিয়ে তারকাদের অনুপস্থিতিতেও শক্তিশালী পারফরম্যান্সে সহজ জয় তুলে নেয় আনচেলত্তির দল।
প্রতিবেদকের নাম 




















