জাতীয় সংসদে ‘পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল-২০২৬’ পাস হয়েছে। এর মাধ্যমে পাবলিক পরীক্ষায় প্রযুক্তিনির্ভর জালিয়াতি ও অন্যান্য অনিয়মের বিরুদ্ধে নতুন শাস্তির বিধান কার্যকর করা হয়েছে।
প্রধান বিষয়গুলো:
- ডিজিটাল কারসাজি (হ্যাকিং, ডেটাবেজে অননুমোদিত প্রবেশ, তথ্য পরিবর্তন, মুছে ফেলা বা গোপন করা) নতুন অপরাধ হিসেবে আইনে যুক্ত হয়েছে।
- এসব অপরাধে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হবে।
- অনলাইনে বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁসের শাস্তি সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড। (আগের আইনে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ছিল।)
- পরীক্ষাকেন্দ্রে নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস বহন বা বহনের চেষ্টা এবং পরীক্ষাসংক্রান্ত বৈধ নির্দেশনা অমান্য করলেও একই ধরনের শাস্তি দেওয়া যাবে।
- পরীক্ষার্থীকে অসদুপায়ে সহায়তার জন্য চুক্তি বা চুক্তির চেষ্টা করলে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হবে।
- কোনো পরীক্ষক ইচ্ছাকৃতভাবে উত্তরপত্র অতিমূল্যায়ন বা অবমূল্যায়ন করলে, তৃতীয় পরীক্ষকের মূল্যায়নে তা প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে।
- কোনো শিশু এ ধরনের অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে শিশু আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন:
নতুন আইনে ডিজিটাল জালিয়াতিকে স্পষ্টভাবে অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সর্বোচ্চ শাস্তি আগের ১০ বছর থেকে কমিয়ে ৫ বছর করা হয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















