রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলা সদরের মডেল মসজিদ পাহাড়ি ঢলের ভাঙনের কারণে মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে। টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট পাহাড়ি ঢলের প্রবল স্রোতে ছড়ার পাড়ের প্রায় ৯ মিটার অংশ ধসে যাওয়ায় যেকোনো সময় বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
শুধু মডেল মসজিদই নয়, পাহাড়ি ঢলের কারণে উপজেলা ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রসংলগ্ন কবরস্থানে যাওয়ার রাস্তা ও একটি কালভার্টও ভাঙনের মুখে পড়েছে।
স্থানীয়রা জানান, সাম্প্রতিক ভারি বর্ষণের ফলে পাহাড়ি ছড়ায় পানির প্রবাহ বেড়ে যায়। প্রবল স্রোতে ছড়ার তীরের বড় একটি অংশ ভেঙে পড়েছে। গত কয়েক দিনের মধ্যে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।
তারা জানান, এর আগেও ভাঙন দেখা দিলেও স্থায়ীভাবে প্রতিরোধে কোনো কার্যকর প্রকল্প নেওয়া হয়নি। স্থানীয় দায়িত্বশীল প্রকৌশলীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও এখনো পর্যন্ত স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে অভিযোগ করেন তারা।
কাপ্তাই উপজেলা মডেল মসজিদের খতিব হাফেজ মো. সোলাইমান বলেন, প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ও জুমার দিনে বিপুলসংখ্যক মুসল্লি এই মসজিদে আসেন। ভাঙনের কারণে মসজিদের নিরাপত্তা নিয়ে সবাই উদ্বিগ্ন। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে কবরস্থানে যাওয়ার একমাত্র কালভার্টটিও ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
কাপ্তাই উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা দিলদার হোসেন বলেন, পাহাড়ি ঢলে কবরস্থানে যাওয়ার রাস্তা ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। দ্রুত স্থায়ী তীর সংরক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায়ন না করলে বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে।
কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রায়হানুল ইসলাম জানান, ভাঙনের বিষয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়েছে। পরিস্থিতি গুরুতর হওয়ায় দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে।
রাঙামাটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী তয়ন কুমার ত্রিপুরা বলেন, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। প্রকৌশলীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং স্থায়ীভাবে ভাঙন প্রতিরোধে কাজ শুরু হয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















