
অবশেষে বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে সরকারি চাকরিজীবীদের নবম জাতীয় পে স্কেল ২০২৬। এ নিয়ে আলোচনা চলছে প্রশাসন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ে। নতুন বেতন কাঠামোতে নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যম আয়ের কর্মচারীদের জন্য টিফিন ভাতা বাড়ানোর একটি প্রস্তাব বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, বর্তমান ২০০ টাকার মাসিক টিফিন ভাতা বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে ভাতাটি প্রায় ৫ গুণ বৃদ্ধি পাবে।
সর্বশেষ ২০১৫ সালের অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেলে টিফিন ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছিল ২০০ টাকা। দীর্ঘ সময় পর নতুন পে স্কেলে এই ভাতা ১ হাজার টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব থাকায় মাঠপর্যায়ের ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীদের মধ্যে এ নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা তৈরি হয়েছে।
একনজরে টিফিন ভাতা বৃদ্ধির তথ্য:
বর্তমান টিফিন ভাতা: মাসে ২০০ টাকা
নবন পে স্কেলে প্রস্তাবিত ভাতা: মাসে ১,০০০ টাকা
বৃদ্ধির হার: ৫০০ শতাংশ অর্থাৎ (৫ গুণ)
যারা পাবেন: ১১ থেকে ২০ গ্রেডের সকল সরকারি কর্মচারী ও প্রাথমিক শিক্ষকবৃন্দ।
প্রশাসন সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে ভাতা পুনর্নির্ধারণের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে।
কাদের জন্য প্রযোজ্য
প্রস্তাবিত এই সুবিধা মূলত সরকারি কর্মচারীদের নিম্ন গ্রেড (১১–২০ গ্রেড) এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সহায়ক পদে কর্মরতদের জন্য প্রযোজ্য হতে পারে বলে জানা গেছে।
অন্যান্য ভাতা বৃদ্ধির আলোচনাও চলছে
নতুন পে স্কেল বাস্তবায়িত হলে শুধু টিফিন ভাতাই নয়, বিভিন্ন ভাতাতেও পরিবর্তনের আলোচনা চলছে। এর মধ্যে রয়েছে—
সর্বনিম্ন মূল বেতন: ২০তম গ্রেডে মূল বেতন ৮,২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০,০০০ টাকা করার চূড়ান্ত সুপারিশ করা হয়েছে।
বৈশাখী ভাতা: বর্তমানের ২০% থেকে বাড়িয়ে মূল বেতনের ৫০% করার প্রস্তাব রয়েছে।
শিক্ষা ভাতা: সন্তানদের শিক্ষা ভাতা ১,৫০০ টাকা বাড়িয়ে ২,০০০ টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে।
নতুন সুবিধা: প্রথমবারের মতো সরকারি কর্মচারীদের জন্য চালু হচ্ছে স্বাস্থ্যবীমা এবং প্রতিবন্ধী সন্তানদের জন্য মাসিক ২,০০০ টাকা অতিরিক্ত ভাতা।
মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, সব ঠিক থাকলে আগামী ১ জুলাই থেকেই এই নতুন বেতন কাঠামো ও বর্ধিত ভাতাসমূহ ধাপে ধাপে কার্যকর করা হবে এবং শিগগিরই গেজেট প্রকাশ হবে।
arif 



















