২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বগুড়ার শহীদ খোকন পার্কে আলোকচিত্র প্রদর্শনী, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, স্মৃতিচারণা এবং শহিদ পরিবারকে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। “স্মৃতিতে অমলিন ৩৬ জুলাই” কর্মসূচি বাস্তবায়ন কমিটির উদ্যোগে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা। উদ্বোধন করেন বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এম. আর. ইসলাম স্বাধীন। মুখ্য আলোচক ছিলেন পল্লী উন্নয়ন একাডেমির মহাপরিচালক ড. আব্দুল মজিদ প্রামাণিক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেন।
এ সময় আরও বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের প্রশাসক একেএম আহসানুল তৈয়ব জাকির এবং আদালতের পিপি সাইফুল ইসলাম। বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং আহতদের প্রতি সম্মান জানিয়ে আন্দোলনের বিভিন্ন স্মৃতি তুলে ধরেন।
আলোচনা শেষে পাঁচটি শহিদ পরিবারের সদস্যদের হাতে ‘জুলাই স্মৃতি সম্মাননা’ তুলে দেওয়া হয়। সম্মাননা গ্রহণ করেন শহিদ রাতুলের বাবা জিয়াউর রহমান, শহিদ কমরউদ্দিন খা বান্গির মা, শহিদ শিমুল মণ্ডলের স্ত্রী, শহিদ মাহাফুজের বড় ভাই এবং শহিদ সেলিমের ভাই উজ্জ্বল।
অনুষ্ঠানে আয়োজকরা জানান, নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস তুলে ধরা এবং শহিদদের আত্মত্যাগ সংরক্ষণ করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক সাকিব খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্মৃতিচারণা করেন সদস্য সচিব আজিম উদ্দিন। এছাড়া নিজেদের আন্দোলনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান সরকার, সরকারি আজিজুল হক কলেজ ছাত্রদল নেতা আতিকুল ইসলাম বিপ্লব, ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা মিজানুর রহমান পলাশ এবং আহত জুলাই যোদ্ধা সাব্বির আহমেদ ও জাকির।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুর্লভ আলোকচিত্র ও প্রামাণ্য ভিডিও এলইডি পর্দায় প্রদর্শন করা হয়। উপস্থিত দর্শনার্থীরা গভীর আগ্রহ নিয়ে প্রদর্শনী উপভোগ করেন।
প্রতিবেদকের নাম 




















