ঢাকা ০২:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

বিভ্রান্তকারীদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৯:৪২:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ১২ সময় দেখুন

দেশে বিভ্রান্তি ও গুজব ছড়ানো ব্যক্তিদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, অতীতে যারা কী ভূমিকা রেখেছে, তা বিবেচনায় নিয়ে তাদের কর্মকাণ্ডের ওপর নজর রাখতে হবে।

রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে পুরাতন কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, ভিক্ষু ও পাদ্রীসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের সম্মানী প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে অনেক বিভ্রান্তকারী ও রটনাকারী রয়েছে। তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। অতীতের কর্মকাণ্ড বিবেচনা করে ভবিষ্যতে তারা কী করছে, সেদিকেও নজর রাখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশকে স্থিতিশীল রাখতে হবে। কোনো বিভ্রান্তকারীর কথায় বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না। কেউ বিভ্রান্তি ছড়াতে এলে অতীতের মতো তাদের যথাযথ জবাব দিতে হবে।

বিভিন্ন রাজনৈতিক সংকটে কিছু গোষ্ঠীর ভূমিকার সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৮৬ ও ১৯৯৬ সালের রাজনৈতিক ঘটনাবলি এবং গত ১৭ বছরের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে রাজপথে তাদের উল্লেখযোগ্য কোনো ভূমিকা ছিল না।

তিনি বলেন, গত ১৭ বছরের আন্দোলনে বিএনপি ও তাদের মিত্র দলগুলোর নেতাকর্মীরা গুম, খুন, নির্যাতন ও অত্যাচারের শিকার হয়েছেন। অথচ রাজপথে অনুপস্থিত থাকা কিছু মানুষ এখন সংস্কারের নামে বড় বড় কথা বলছেন এবং বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন।

আরও পড়ুনঃ  আরও এক বছর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি

প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, বিএনপিই ২০২২ সালে সর্বপ্রথম রাষ্ট্রীয় সংস্কারের রূপরেখা জনগণের সামনে তুলে ধরেছিল। এরও আগে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশে সংস্কারের প্রথম প্রস্তাবনা তৈরি হয়েছিল।

জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের কার্যকর বাস্তবায়ন, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা প্রদান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে হবে।

কৃষি খাতের আধুনিকায়ন ও তরুণদের কর্মসংস্থানের জন্য নতুন মিল-কারখানা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, মানুষকে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তুলতে না পারলে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। দেশের প্রতিটি নাগরিককে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

অন্য কোনো দেশের অনুকরণে নয়, বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য বলেও জানান তিনি। এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলার কথা বলেন, যেখানে সমাজের প্রতিটি শ্রেণির মানুষ রাষ্ট্রের কাছ থেকে প্রাপ্য মর্যাদা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা পাবেন।

আরও পড়ুনঃ  সঞ্চয়পত্রের উৎসে কর পুনর্বহালসহ ৪ দাবি ঢাকা ট্যাক্সেস বারের

নারীর ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী। নারীদের পিছিয়ে রেখে কোনো দেশ এগিয়ে যেতে পারে না। তাদের আত্মনির্ভরশীল ও ক্ষমতায়িত করতেই ফ্যামিলি কার্ডের মতো কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, নারীদের স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে পড়াশোনার সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি ভালো ফলাফলের জন্য সরকারি সহায়তার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।

কৃষকের কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা সরকারের অগ্রাধিকার। এরই অংশ হিসেবে কৃষক কার্ড চালু করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে, যার ফলে দেশের ১৩ লাখ কৃষক উপকৃত হয়েছেন।

এ ছাড়া সেচ সুবিধা বাড়ানো ও পানি সংকট দূর করতে দেশব্যাপী ২৫০ কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু প্রাতিষ্ঠানিক সনদ অর্জন নয়, শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও ভাষাগত দক্ষতার মাধ্যমে পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  সান্তাহার রেলওয়ে স্টেশনে নেসান্তাহার রেলওয়ে স্টেশনে নেশাজাতীয় ইনজেকশনসহ যুবক গ্রেপ্তারশাজাতীয় ইনজেকশনসহ যুবক গ্রেপ্তার

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের চালু করা ‘নতুন কুঁড়ি’ প্রতিযোগিতা পুনরায় চালুর কথাও জানান তিনি। তরুণদের মেধা ও প্রতিভার বিকাশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুযোগ তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী।

সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিবসহ ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের আত্মনির্ভরশীল রাখতে বিশেষ সামাজিক ভাতা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি অসচ্ছল, শারীরিক প্রতিবন্ধী ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য রাষ্ট্রীয় সহায়তাও অব্যাহত রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বৈরাচারের সময় বঞ্চনার শিকার ১ লাখ ২৩ হাজার শিক্ষকের অবসর ভাতার জটিলতা নিরসন করে অর্থ প্রদান সম্পন্ন করেছে বর্তমান বিএনপি সরকার।

বিএনপি জনগণের কল্যাণের রাজনীতি করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষায় সহায়তা, কৃষকের উৎপাদন বাড়ানো এবং নতুন কলকারখানা গড়ে তোলার মাধ্যমে মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করাই বিএনপির রাজনীতির লক্ষ্য।

নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিটি অঙ্গীকার পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের জন্য এবং মানুষের জন্য কাজ করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারলেই দেশের ভাগ্যের পরিবর্তন সম্ভব।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

বিভ্রান্তকারীদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেটের সময়: ০৯:৪২:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

দেশে বিভ্রান্তি ও গুজব ছড়ানো ব্যক্তিদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, অতীতে যারা কী ভূমিকা রেখেছে, তা বিবেচনায় নিয়ে তাদের কর্মকাণ্ডের ওপর নজর রাখতে হবে।

রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে পুরাতন কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, ভিক্ষু ও পাদ্রীসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের সম্মানী প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে অনেক বিভ্রান্তকারী ও রটনাকারী রয়েছে। তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। অতীতের কর্মকাণ্ড বিবেচনা করে ভবিষ্যতে তারা কী করছে, সেদিকেও নজর রাখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশকে স্থিতিশীল রাখতে হবে। কোনো বিভ্রান্তকারীর কথায় বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না। কেউ বিভ্রান্তি ছড়াতে এলে অতীতের মতো তাদের যথাযথ জবাব দিতে হবে।

বিভিন্ন রাজনৈতিক সংকটে কিছু গোষ্ঠীর ভূমিকার সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৮৬ ও ১৯৯৬ সালের রাজনৈতিক ঘটনাবলি এবং গত ১৭ বছরের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে রাজপথে তাদের উল্লেখযোগ্য কোনো ভূমিকা ছিল না।

তিনি বলেন, গত ১৭ বছরের আন্দোলনে বিএনপি ও তাদের মিত্র দলগুলোর নেতাকর্মীরা গুম, খুন, নির্যাতন ও অত্যাচারের শিকার হয়েছেন। অথচ রাজপথে অনুপস্থিত থাকা কিছু মানুষ এখন সংস্কারের নামে বড় বড় কথা বলছেন এবং বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন।

আরও পড়ুনঃ  জার্মানির সহায়তায় ভারতের ৬ সাবমেরিন প্রকল্পে গতি, অনুমোদনের অপেক্ষায় বড় প্রতিরক্ষা চুক্তি

প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, বিএনপিই ২০২২ সালে সর্বপ্রথম রাষ্ট্রীয় সংস্কারের রূপরেখা জনগণের সামনে তুলে ধরেছিল। এরও আগে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশে সংস্কারের প্রথম প্রস্তাবনা তৈরি হয়েছিল।

জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের কার্যকর বাস্তবায়ন, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা প্রদান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে হবে।

কৃষি খাতের আধুনিকায়ন ও তরুণদের কর্মসংস্থানের জন্য নতুন মিল-কারখানা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, মানুষকে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তুলতে না পারলে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। দেশের প্রতিটি নাগরিককে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

অন্য কোনো দেশের অনুকরণে নয়, বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য বলেও জানান তিনি। এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলার কথা বলেন, যেখানে সমাজের প্রতিটি শ্রেণির মানুষ রাষ্ট্রের কাছ থেকে প্রাপ্য মর্যাদা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা পাবেন।

আরও পড়ুনঃ  দিল্লির আমন্ত্রণে তারেক রহমান কি ভারত সফরে যাবেন?

নারীর ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী। নারীদের পিছিয়ে রেখে কোনো দেশ এগিয়ে যেতে পারে না। তাদের আত্মনির্ভরশীল ও ক্ষমতায়িত করতেই ফ্যামিলি কার্ডের মতো কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, নারীদের স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে পড়াশোনার সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি ভালো ফলাফলের জন্য সরকারি সহায়তার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।

কৃষকের কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা সরকারের অগ্রাধিকার। এরই অংশ হিসেবে কৃষক কার্ড চালু করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে, যার ফলে দেশের ১৩ লাখ কৃষক উপকৃত হয়েছেন।

এ ছাড়া সেচ সুবিধা বাড়ানো ও পানি সংকট দূর করতে দেশব্যাপী ২৫০ কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু প্রাতিষ্ঠানিক সনদ অর্জন নয়, শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও ভাষাগত দক্ষতার মাধ্যমে পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  সঞ্চয়পত্রের উৎসে কর পুনর্বহালসহ ৪ দাবি ঢাকা ট্যাক্সেস বারের

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের চালু করা ‘নতুন কুঁড়ি’ প্রতিযোগিতা পুনরায় চালুর কথাও জানান তিনি। তরুণদের মেধা ও প্রতিভার বিকাশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুযোগ তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী।

সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিবসহ ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের আত্মনির্ভরশীল রাখতে বিশেষ সামাজিক ভাতা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি অসচ্ছল, শারীরিক প্রতিবন্ধী ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য রাষ্ট্রীয় সহায়তাও অব্যাহত রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বৈরাচারের সময় বঞ্চনার শিকার ১ লাখ ২৩ হাজার শিক্ষকের অবসর ভাতার জটিলতা নিরসন করে অর্থ প্রদান সম্পন্ন করেছে বর্তমান বিএনপি সরকার।

বিএনপি জনগণের কল্যাণের রাজনীতি করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষায় সহায়তা, কৃষকের উৎপাদন বাড়ানো এবং নতুন কলকারখানা গড়ে তোলার মাধ্যমে মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করাই বিএনপির রাজনীতির লক্ষ্য।

নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিটি অঙ্গীকার পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের জন্য এবং মানুষের জন্য কাজ করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারলেই দেশের ভাগ্যের পরিবর্তন সম্ভব।