ঢাকা ০৮:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বাবার মরদেহ বাড়িতে রেখে পরীক্ষা, ঋতুর জিপিএ-৫; উচ্চশিক্ষা নিয়ে শঙ্কা রংপুরে বেশি আসন পাওয়ায় উন্নয়ন বঞ্চিত করা হচ্ছে: ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশ চা বোর্ডে নিয়োগ, ১৩ পদে চাকরি পাবেন ৩৬ জন কেন অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করল ১১ দলীয় জোট ব্যাংক রেজল্যুশন আইন সংশোধনের খসড়ায় মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত অনুমোদন স্থানীয় সরকার নির্বাচন: পোস্টার বন্ধ, বিলবোর্ডে মিলল অনুমতি সৌদির মরুভূমিতে ফিরল হারিয়ে যাওয়া অনাগার, জন্ম নিল শত বছর পর প্রথম শাবক শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে উত্তাল ভারত, ঝাড়খণ্ডে পুলিশের লাঠিচার্জ-জলকামান হরমুজ ঘিরে অনিশ্চয়তায় বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল তেলের দাম মেঘনায় ঘূর্ণিস্রোতে সাড়ে ৪ হাজার বস্তা সিমেন্টসহ ট্রলার ডুবি
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

বোনকে ‘বিধবা’, ছেলে-ভাতিজাকে ‘প্রতিবন্ধী’ সাজিয়ে মেম্বারের পরিবারে ৫ ভাতা

“ভাতার তালিকায় ইউপি সদস্যের পরিবারের ৫ জন, উঠছে অনিয়মের অভিযোগ”

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ভাতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এক ইউপি সদস্যের পরিবারের সদস্যদের ঘিরে। অভিযোগ, রায়পুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. মুনির উদ্দিনের পরিবারের পাঁচ সদস্য বিভিন্ন সরকারি ভাতা পাচ্ছেন। এর মধ্যে বিবাহিত বোনের নামে বিধবা ভাতা এবং ছেলে ও ভাতিজার নামে প্রতিবন্ধী ভাতা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, প্রকৃত দরিদ্র, অসচ্ছল ও প্রতিবন্ধীদের বাদ দিয়ে ইউপি সদস্যের পরিবারের সদস্যদের ভাতার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় অসন্তোষও তৈরি হয়েছে।

বিবাহিত বোনের নামে বিধবা ভাতা

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইউপি সদস্য মুনির উদ্দিনের বোন সাবরিনা আক্তার পিংকির নামে নিয়মিত বিধবা ভাতা দেওয়া হচ্ছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, তিনি বিধবা নন।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৩ জানুয়ারি রায়পুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবু লোকমানের সঙ্গে সাবরিনার বিয়ে হয়। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম সদর রেজিস্ট্রি অফিসে নকলনবিশ হিসেবে কর্মরত। তার স্বামীও একটি পরিবহন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন।

আরও পড়ুনঃ  গুলশানে রেস্তোরাঁয় আওয়ামী লীগের গোপন বৈঠক, গ্রেপ্তার ৬

অর্থাৎ বিয়ে ও পুনর্বিবাহের বিষয়টি স্থানীয়ভাবে জানা থাকলেও তার নামে বিধবা ভাতা চালু রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে ইউপি সদস্য মুনির উদ্দিন বলেন, তার বোনের আগে বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছিল। পরে তৎকালীন এসিল্যান্ড ও ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করেই তাকে বিধবা ভাতার আওতায় আনা হয়েছিল।

তবে বিবাহবিচ্ছেদের পর পুনরায় বিয়ে করলে বিধবা ভাতা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে কি না—এ প্রশ্নের স্পষ্ট কোনো উত্তর দিতে পারেননি তিনি।

সুস্থ ছেলে ও ভাতিজার নামেও প্রতিবন্ধী ভাতা

মুনির উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ আবরার বিন মুনিরের নামেও প্রতিবন্ধী ভাতার এমআইএস নম্বর রয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের দাবি, আবরার শারীরিকভাবে সুস্থ এবং একটি হেফজখানায় পড়াশোনা করছেন।

একই অভিযোগ উঠেছে ইউপি সদস্যের বড় ভাই মো. আলম উদ্দিনের ছেলে হাসান বিন আলম সাজিদকে নিয়েও। তার নামেও প্রতিবন্ধী ভাতা নেওয়া হচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

আরও পড়ুনঃ  জুলাইযোদ্ধাদের সিএনজি ও রিকশা উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী

স্থানীয়দের ভাষ্য, সাজিদ রায়পুর এজাহারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার নিয়মিত শিক্ষার্থী। ২০২৭ সালে তার দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

ছেলে ও ভাতিজার নামে প্রতিবন্ধী ভাতা থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে মুনির উদ্দিন বলেন, তাদের প্রতিবন্ধী কার্ড রয়েছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও যাচাই-বাছাইয়ের পরই তাদের ভাতার আওতায় আনা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে সমাজসেবা কার্যালয়ে যোগাযোগ করার কথাও বলেন তিনি।

বাবা-মায়ের নামেও সরকারি সুবিধা

ইউপি সদস্যের পরিবারের ভাতাপ্রাপ্ত সদস্যের তালিকায় তার বাবা-মায়ের নামও রয়েছে। মুনির উদ্দিনের বাবা মো. শামসুল আলমের নামে প্রতিবন্ধী ভাতা এবং মা তাহেরা বেগমের নামে বয়স্ক ভাতার কার্ড রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সব মিলিয়ে ইউপি সদস্যের পরিবারের পাঁচ সদস্য সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন ধরনের ভাতা পাচ্ছেন।

প্রকৃত প্রতিবন্ধীর ভাতা পেতে হয়রানির অভিযোগ

অন্যদিকে, একই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. সেলিম উদ্দিন অভিযোগ করেছেন, তার জন্মগত বাক্‌প্রতিবন্ধী বোন সেলিনা আক্তারকে ভাতা পেতে দীর্ঘদিন ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রথমবার বৈঠকে বসছেন ভারতীয় হাইকমিশনার

সেলিমের দাবি, প্রায় পাঁচ বছর আগে তার বোন সমাজসেবা কার্যালয় থেকে সুবর্ণ কার্ড পেলেও ইউপি সদস্যের বাধার কারণে তখন ভাতা পাননি। পরে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর প্রায় এক বছর আগে তার নাম ভাতার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।

অনিয়ম প্রমাণ হলে ব্যবস্থা

অভিযোগের বিষয়ে আনোয়ারা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রিজোয়ান উদ্দীন জানান, বিধি অনুযায়ী কোনো নারী পুনরায় বিয়ে করার পর বিধবা ভাতা পাওয়ার সুযোগ নেই। এ ধরনের তথ্য পাওয়া গেলে ভাতা বাতিলের ব্যবস্থা রয়েছে।

ইউপি সদস্যের ছেলে ও ভাতিজার নামে প্রতিবন্ধী ভাতা দেওয়ার বিষয়টিও যাচাই করে দেখা হবে বলে জানান তিনি।

তার ভাষ্য, তদন্তে যদি অসত্য তথ্য, ভুল তথ্য প্রদান বা কোনো ধরনের অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

বাবার মরদেহ বাড়িতে রেখে পরীক্ষা, ঋতুর জিপিএ-৫; উচ্চশিক্ষা নিয়ে শঙ্কা

বোনকে ‘বিধবা’, ছেলে-ভাতিজাকে ‘প্রতিবন্ধী’ সাজিয়ে মেম্বারের পরিবারে ৫ ভাতা

আপডেটের সময়: ০৭:১৬:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

“ভাতার তালিকায় ইউপি সদস্যের পরিবারের ৫ জন, উঠছে অনিয়মের অভিযোগ”

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ভাতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এক ইউপি সদস্যের পরিবারের সদস্যদের ঘিরে। অভিযোগ, রায়পুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. মুনির উদ্দিনের পরিবারের পাঁচ সদস্য বিভিন্ন সরকারি ভাতা পাচ্ছেন। এর মধ্যে বিবাহিত বোনের নামে বিধবা ভাতা এবং ছেলে ও ভাতিজার নামে প্রতিবন্ধী ভাতা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, প্রকৃত দরিদ্র, অসচ্ছল ও প্রতিবন্ধীদের বাদ দিয়ে ইউপি সদস্যের পরিবারের সদস্যদের ভাতার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় অসন্তোষও তৈরি হয়েছে।

বিবাহিত বোনের নামে বিধবা ভাতা

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইউপি সদস্য মুনির উদ্দিনের বোন সাবরিনা আক্তার পিংকির নামে নিয়মিত বিধবা ভাতা দেওয়া হচ্ছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, তিনি বিধবা নন।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৩ জানুয়ারি রায়পুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবু লোকমানের সঙ্গে সাবরিনার বিয়ে হয়। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম সদর রেজিস্ট্রি অফিসে নকলনবিশ হিসেবে কর্মরত। তার স্বামীও একটি পরিবহন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন।

আরও পড়ুনঃ  জুলাই শহীদদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে কাজ করতে হবে: জামায়াত আমির

অর্থাৎ বিয়ে ও পুনর্বিবাহের বিষয়টি স্থানীয়ভাবে জানা থাকলেও তার নামে বিধবা ভাতা চালু রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে ইউপি সদস্য মুনির উদ্দিন বলেন, তার বোনের আগে বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছিল। পরে তৎকালীন এসিল্যান্ড ও ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করেই তাকে বিধবা ভাতার আওতায় আনা হয়েছিল।

তবে বিবাহবিচ্ছেদের পর পুনরায় বিয়ে করলে বিধবা ভাতা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে কি না—এ প্রশ্নের স্পষ্ট কোনো উত্তর দিতে পারেননি তিনি।

সুস্থ ছেলে ও ভাতিজার নামেও প্রতিবন্ধী ভাতা

মুনির উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ আবরার বিন মুনিরের নামেও প্রতিবন্ধী ভাতার এমআইএস নম্বর রয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের দাবি, আবরার শারীরিকভাবে সুস্থ এবং একটি হেফজখানায় পড়াশোনা করছেন।

একই অভিযোগ উঠেছে ইউপি সদস্যের বড় ভাই মো. আলম উদ্দিনের ছেলে হাসান বিন আলম সাজিদকে নিয়েও। তার নামেও প্রতিবন্ধী ভাতা নেওয়া হচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

আরও পড়ুনঃ  ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫০৪, উদ্ধার অস্ত্র-মাদক

স্থানীয়দের ভাষ্য, সাজিদ রায়পুর এজাহারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার নিয়মিত শিক্ষার্থী। ২০২৭ সালে তার দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

ছেলে ও ভাতিজার নামে প্রতিবন্ধী ভাতা থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে মুনির উদ্দিন বলেন, তাদের প্রতিবন্ধী কার্ড রয়েছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও যাচাই-বাছাইয়ের পরই তাদের ভাতার আওতায় আনা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে সমাজসেবা কার্যালয়ে যোগাযোগ করার কথাও বলেন তিনি।

বাবা-মায়ের নামেও সরকারি সুবিধা

ইউপি সদস্যের পরিবারের ভাতাপ্রাপ্ত সদস্যের তালিকায় তার বাবা-মায়ের নামও রয়েছে। মুনির উদ্দিনের বাবা মো. শামসুল আলমের নামে প্রতিবন্ধী ভাতা এবং মা তাহেরা বেগমের নামে বয়স্ক ভাতার কার্ড রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সব মিলিয়ে ইউপি সদস্যের পরিবারের পাঁচ সদস্য সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন ধরনের ভাতা পাচ্ছেন।

প্রকৃত প্রতিবন্ধীর ভাতা পেতে হয়রানির অভিযোগ

অন্যদিকে, একই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. সেলিম উদ্দিন অভিযোগ করেছেন, তার জন্মগত বাক্‌প্রতিবন্ধী বোন সেলিনা আক্তারকে ভাতা পেতে দীর্ঘদিন ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  রাশিয়ার পাশে উত্তর কোরিয়া, এবার দক্ষিণ কোরিয়ার সহায়তা চায় ইউক্রেন

সেলিমের দাবি, প্রায় পাঁচ বছর আগে তার বোন সমাজসেবা কার্যালয় থেকে সুবর্ণ কার্ড পেলেও ইউপি সদস্যের বাধার কারণে তখন ভাতা পাননি। পরে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর প্রায় এক বছর আগে তার নাম ভাতার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।

অনিয়ম প্রমাণ হলে ব্যবস্থা

অভিযোগের বিষয়ে আনোয়ারা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রিজোয়ান উদ্দীন জানান, বিধি অনুযায়ী কোনো নারী পুনরায় বিয়ে করার পর বিধবা ভাতা পাওয়ার সুযোগ নেই। এ ধরনের তথ্য পাওয়া গেলে ভাতা বাতিলের ব্যবস্থা রয়েছে।

ইউপি সদস্যের ছেলে ও ভাতিজার নামে প্রতিবন্ধী ভাতা দেওয়ার বিষয়টিও যাচাই করে দেখা হবে বলে জানান তিনি।

তার ভাষ্য, তদন্তে যদি অসত্য তথ্য, ভুল তথ্য প্রদান বা কোনো ধরনের অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।