ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান নির্বাচক হিসেবে প্রজ্ঞান ওঝার নাম ঘোষণা করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। অজিত আগারকারের উত্তরসূরি হিসেবে দায়িত্ব পাচ্ছেন সাবেক এই বাঁহাতি স্পিনার। একই সঙ্গে নির্বাচক কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন সাবেক ক্রিকেটার রমেশ পাওয়ার। তবে ওঝার নিয়োগ ঘিরে এরই মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, বোর্ডের নিয়ম মেনেই কি তাঁকে প্রধান নির্বাচক করা হয়েছে?
পশ্চিমাঞ্চলের প্রতিনিধি খুঁজতে বেগ পেতে হয় বোর্ডকে
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিসিসিআইয়ের নিয়ম অনুসারে আগারকার পশ্চিমাঞ্চলের প্রতিনিধি হওয়ায় তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে একই অঞ্চল থেকে নির্বাচক নিয়োগের কথা ছিল। এ জন্য পশ্চিমাঞ্চলের বেশ কয়েকজন সাবেক ক্রিকেটারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল বোর্ড। তবে তাঁদের কেউই দায়িত্ব নিতে আগ্রহ দেখাননি।
পরবর্তী সময়ে নিয়ম মেনে আবেদন গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করে বিসিসিআই। কিন্তু বোর্ডের প্রত্যাশা অনুযায়ী প্রার্থী পাওয়া যায়নি। এ পরিস্থিতিতে নির্বাচক কমিটির ভারপ্রাপ্ত প্রধানের দায়িত্বে থাকা প্রজ্ঞান ওঝাকেই স্থায়ীভাবে প্রধান নির্বাচক করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ওয়াসিম জাফরকে ঘিরেও আলোচনা
ভারতীয় ক্রিকেটে প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, নির্বাচক কমিটির সদস্যদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা ব্যক্তিকে সাধারণত চেয়ারম্যান করা হয়। এ কারণে প্রধান নির্বাচক হওয়ার দৌড়ে ওয়াসিম জাফরের নামও আলোচনায় ছিল।
গুঞ্জন ছিল, সাবেক ভারতীয় ওপেনার ওয়াসিম জাফর নির্বাচকপ্রধানের পদে আবেদন করেছিলেন। আন্তর্জাতিক ম্যাচের সংখ্যায় ওঝার চেয়ে এগিয়ে থাকায় তাঁর নিয়োগের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত জাফর নির্বাচক কমিটিতে জায়গা পাননি। এ নিয়েই নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
নির্বাচক কমিটিতে রমেশ পাওয়ার
এদিকে ভারতের নারী দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে সাফল্য পেয়েছেন রমেশ পাওয়ার। তাঁর কোচিংয়ে দল এশিয়া কাপ ও কমনওয়েলথ গেমসে রুপা জিতেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
দুই সদস্যের পরামর্শক কমিটি একমত হয়ে পাওয়ারের নাম সুপারিশ করেছিল। শেষ পর্যন্ত তাঁকে নির্বাচক কমিটির সদস্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
আগামী বছর ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত ভারতীয় দলের খেলোয়াড় নির্বাচন ও দল গঠনের দায়িত্ব পালন করবে এই কমিটি। তবে প্রজ্ঞান ওঝার নিয়োগ নিয়ে ওঠা প্রশ্নের বিষয়ে বিসিসিআইয়ের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
প্রতিবেদকের নাম 

























