সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনের ফেসবুক ও মেসেঞ্জার-সংক্রান্ত তথ্য চেয়ে মেটার কাছে চিঠি পাঠিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ও বিশেষ তদন্ত কর্মকর্তা তানভীর হাসান জোহা।
তিনি বলেন, তদন্তে সাবেক সেনা কর্মকর্তাসহ ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী এবং শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদের নাম বা ছবি ব্যবহার করা একাধিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টের সন্ধান পাওয়া গেছে। এসব অ্যাকাউন্টের কিছু ব্যবহারকারী আওয়ামী লীগের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজের এডিটর ও অ্যাডমিন হিসেবেও যুক্ত ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তদন্তে মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনের সঙ্গে তাদের যোগাযোগের তথ্যও পাওয়া গেছে। এ কারণেই মেটার কাছে সংশ্লিষ্ট তথ্য চাওয়া হয়েছে।
তানভীর হাসান জোহা বলেন, প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া গেলে এসব অ্যাকাউন্টের প্রকৃত পরিচালনাকারী, তাদের পারস্পরিক যোগাযোগ এবং সংশ্লিষ্ট ডিজিটাল নেটওয়ার্ক সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও জানান, তদন্তে মোজাফফর হোসেনের ব্যবহৃত একটি ই-মেইল অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে চারটি গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইসে লগইনের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে তার সঙ্গে কারা যোগাযোগ রেখেছিলেন, তিনি কবে দেশে এসেছেন এবং কোনো ভুয়া ইলেকট্রনিক বা শারীরিক পরিচয় ব্যবহার করেছেন কি না—সেসব বিষয়ও তদন্তে উঠে আসতে পারে।
এর আগে, ২৩ জুলাই ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে ফেনীতে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। একই সঙ্গে তাকে দুই দিনের জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেওয়া হয়।
প্রায় ৪৫ বছর পলাতক থাকার পর গত ১৫ জুলাই রাতে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পরদিন তাকে ঢাকা সেনানিবাসের মিলিটারি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
প্রতিবেদকের নাম 



















