ঢাকা ১১:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
১১-দলীয় ঐক্যের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ ঘোষণা তিন দিনের সফরে সৌদি আরব গেলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী অস্ত্র-সংকটের তথ্য জানতেন না ট্রাম্প, হেগসেথের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় বোনের বিয়ের বাজার শেষে নিথর দেহে ফিরলেন ভাই দুর্ঘটনায় আহতদের জরুরি চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সব হাসপাতালে সার্কুলারের নির্দেশ হাইকোর্টের আলভারেজকে পেতে ১১৫ মিলিয়ন ইউরো খরচ করতে প্রস্তুত বার্সেলোনা! চাঁদপুরে মামলা পরিচালনাকালে আইনজীবীর মৃত্যু হামলার নির্দেশ দেন ওবায়দুল কাদের, ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হলো কল রেকর্ড অনুশ্রীর স্বপ্ন পূরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী, উপহার দিলেন হারমোনিয়াম বাদ দিতে হলো ইমরান হাশমির নতুন সিনেমার ৪ মিনিটের দৃশ্য
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

‘রাতে ওনারা পাশাপাশি বসেন, মাঝখানে চোখ হারায় কর্মীরা’— ফেসবুকে তাসনিম জারা

রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে যে সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক বোঝাপড়া দেখা যায়, তার প্রতিফলন তৃণমূল পর্যায়ের রাজনীতিতে নেই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা। তার ভাষ্য, নেতারা পরস্পরের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখলেও রাজনৈতিক সংঘাতের মূল্য দিতে হয় মাঠপর্যায়ের কর্মীদের।

বুধবার (৫ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

পোস্টে তাসনিম জারা লেখেন, একই দিনে তিনি দুটি ভিন্ন দৃশ্য দেখেছেন। প্রথমটিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্মান জানিয়ে মঞ্চে নিজের পাশে বসান। দ্বিতীয় ঘটনায় একটি অনুষ্ঠানে সৃষ্ট হট্টগোলের সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ মাইকে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেনকে নাম ধরে ডাকেন। পরে আখতার হোসেন মঞ্চে উঠে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন।

আরও পড়ুনঃ  ঢাকাসহ ১৩ জেলায় ঝোড়ো হাওয়া-বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কসংকেত

তিনি লেখেন, “মঞ্চে সৌহার্দ্যের কমতি নেই। নাম ধরে ডাকা যায়, পাশে বসানো যায়।”

এরপর হবিগঞ্জের আলিফ নামে এক তরুণের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, কয়েক দিন আগে রাজনৈতিক সংঘর্ষে পড়ে ১৮ বছর বয়সী ওই তরুণ তার বাম চোখের দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পারস্পরিক বোঝাপড়া যদি তৃণমূল পর্যন্ত পৌঁছাত, তাহলে হয়তো এমন ঘটনা এড়ানো সম্ভব হতো।

আরও পড়ুনঃ  প্রধানমন্ত্রীর সিল-স্বাক্ষর জাল করে প্রতারণা, সংঘবদ্ধ চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার

মাঠপর্যায়ের রাজনীতির বাস্তবতা তুলে ধরে তিনি লেখেন, “মাঠে অবশ্য এই বোঝাপড়া নামে না। নামে ঘৃণা, হুঙ্কার আর ‘দেখে নেওয়ার’ হুমকি। মঞ্চ থেকে ছোড়া সেই হুঙ্কারের জের ধরে মাঠে গিয়ে সেটা হয় লাঠি, রড, ইট।”

আরও পড়ুনঃ  হাসিনার আমলে সাড়ে ৪ হাজারের বেশি মানুষ হত্যার শিকার: আইনমন্ত্রী

রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও কর্মীদের বাস্তবতার পার্থক্য তুলে ধরে তিনি আরও লেখেন, “অথচ রাতে ওনারা ক্ষমতার টেবিলে পাশাপাশি বসেন। ফোনে দীর্ঘক্ষণ আলাপ করেন। মাঝখানে চোখ হারায় আলিফের মতো মাঠের কর্মীরা।”

রাজনীতিতে সৌজন্য, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের সংস্কৃতি শুধু শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তাসনিম জারা। তার মতে, এমন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে উঠলে মাঠপর্যায়ের সহিংসতা কমবে এবং কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহজ হবে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

১১-দলীয় ঐক্যের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ ঘোষণা

‘রাতে ওনারা পাশাপাশি বসেন, মাঝখানে চোখ হারায় কর্মীরা’— ফেসবুকে তাসনিম জারা

আপডেটের সময়: ০৮:০৭:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে যে সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক বোঝাপড়া দেখা যায়, তার প্রতিফলন তৃণমূল পর্যায়ের রাজনীতিতে নেই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা। তার ভাষ্য, নেতারা পরস্পরের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখলেও রাজনৈতিক সংঘাতের মূল্য দিতে হয় মাঠপর্যায়ের কর্মীদের।

বুধবার (৫ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

পোস্টে তাসনিম জারা লেখেন, একই দিনে তিনি দুটি ভিন্ন দৃশ্য দেখেছেন। প্রথমটিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্মান জানিয়ে মঞ্চে নিজের পাশে বসান। দ্বিতীয় ঘটনায় একটি অনুষ্ঠানে সৃষ্ট হট্টগোলের সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ মাইকে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেনকে নাম ধরে ডাকেন। পরে আখতার হোসেন মঞ্চে উঠে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন।

আরও পড়ুনঃ  জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তা, নিষিদ্ধ সংগঠনের ওপর থাকবে গোয়েন্দা নজরদারি

তিনি লেখেন, “মঞ্চে সৌহার্দ্যের কমতি নেই। নাম ধরে ডাকা যায়, পাশে বসানো যায়।”

এরপর হবিগঞ্জের আলিফ নামে এক তরুণের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, কয়েক দিন আগে রাজনৈতিক সংঘর্ষে পড়ে ১৮ বছর বয়সী ওই তরুণ তার বাম চোখের দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পারস্পরিক বোঝাপড়া যদি তৃণমূল পর্যন্ত পৌঁছাত, তাহলে হয়তো এমন ঘটনা এড়ানো সম্ভব হতো।

আরও পড়ুনঃ  জুলাইয়ে দেশে এলো ২৮৬ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স

মাঠপর্যায়ের রাজনীতির বাস্তবতা তুলে ধরে তিনি লেখেন, “মাঠে অবশ্য এই বোঝাপড়া নামে না। নামে ঘৃণা, হুঙ্কার আর ‘দেখে নেওয়ার’ হুমকি। মঞ্চ থেকে ছোড়া সেই হুঙ্কারের জের ধরে মাঠে গিয়ে সেটা হয় লাঠি, রড, ইট।”

আরও পড়ুনঃ  প্রধানমন্ত্রীর সিল-স্বাক্ষর জাল করে প্রতারণা, সংঘবদ্ধ চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার

রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও কর্মীদের বাস্তবতার পার্থক্য তুলে ধরে তিনি আরও লেখেন, “অথচ রাতে ওনারা ক্ষমতার টেবিলে পাশাপাশি বসেন। ফোনে দীর্ঘক্ষণ আলাপ করেন। মাঝখানে চোখ হারায় আলিফের মতো মাঠের কর্মীরা।”

রাজনীতিতে সৌজন্য, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের সংস্কৃতি শুধু শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তাসনিম জারা। তার মতে, এমন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে উঠলে মাঠপর্যায়ের সহিংসতা কমবে এবং কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহজ হবে।