পাবনার বেড়া উপজেলার আমিনপুর থানার কাজিরহাট এলাকায় যমুনা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া দুই স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তারা সম্পর্কে মামাতো-ফুফাতো ভাই এবং দুজনই নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে পদ্মা সেতু-সংলগ্ন বাওয়া এলাকা থেকে বিনয় রায়ের (১৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে যমুনা নদীর কাজিরহাট ঢালারচর এলাকার দাশপাড়া পয়েন্ট থেকে উদ্ধার করা হয় প্রভাত সরকারের (১৪) মরদেহ।
মরদেহ উদ্ধারের সময় নদীপাড়ে শত শত মানুষ ভিড় করেন। হৃদয়বিদারক এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
নিহত বিনয় রায় টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ধলতোষা গ্রামের অনুতোষ রায়ের ছেলে। প্রভাত সরকার গাজীপুর সদর উপজেলার মিটুলাল সরকারের ছেলে। তারা সম্পর্কে মামাতো-ফুফাতো ভাই এবং উভয়েই নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুই শিক্ষার্থী আমিনপুর থানার খানপুরা মধ্যপাড়া এলাকায় শ্রী নিমাই করাতির বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। সোমবার দুপুরে বাড়ির পাশের যমুনা নদীর নটাখোলা পয়েন্টে গোসল করতে নামলে একপর্যায়ে নদীর তীব্র স্রোতে তলিয়ে যান তারা।
স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধারের চেষ্টা চালালেও তাদের খুঁজে পাননি। পরে খবর পেয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরি দল যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। মঙ্গলবার দিনভর অভিযানের পর বিকেলে ডুবুরি দল প্রভাত সরকারের মরদেহ উদ্ধার করে। তবে আলো স্বল্পতার কারণে সেদিন সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিক উদ্ধার অভিযান স্থগিত করা হয়। এরপরও স্থানীয়রা ডিঙি নৌকা নিয়ে নদীতে অনুসন্ধান চালিয়ে যান।
বুধবার বিকেল ৩টার দিকে পদ্মা সেতুর কাছে বাওয়া এলাকায় বিনয় রায়ের মরদেহ ভেসে ওঠে। খবর পেয়ে নৌ-পুলিশ স্পিডবোটে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়।
কাজিরহাট নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ অরবিন্দ সরকার জানান, দুই শিক্ষার্থীর মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
প্রতিবেদকের নাম 

























