যশোরের অভয়নগরে নিষিদ্ধ একটি চরমপন্থী দলের সক্রিয় সদস্য হিসেবে পরিচিত বাহারুল মল্লিকের (৫০) গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার রানাগাতী গ্রাম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মরদেহের পাশ থেকে পিস্তলের একটি ব্যবহৃত গুলির খোসা এবং লাল টেপে মোড়ানো ককটেলসদৃশ একটি বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বাড়ি ছেড়েছিলেন ১৫ বছর আগে
নিহত বাহারুল মল্লিক রানাগাতী গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রের ভাষ্য, প্রায় ১৫ বছর আগে তিনি বাড়ি ছেড়ে চলে যান। এরপর থেকে নিষিদ্ধ একটি চরমপন্থী সংগঠনের কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন বলে এলাকায় প্রচার রয়েছে।
এলাকায় নিয়মিত না থাকলেও তিনি মুঠোফোনে মাঝেমধ্যে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন বলে জানা গেছে।
রাস্তার পাশে পড়ে ছিল রক্তাক্ত মরদেহ
স্থানীয়রা জানান, সোমবার ভোরে রানাগাতী গ্রামের একটি রাস্তার পাশে বাহারুলকে রক্তাক্ত ও নিথর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হলে অভয়নগর থানার সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বাহারুলের শরীরে গুলির চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, রোববার রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্ত বা তার প্রতিপক্ষ গ্রুপের সদস্যরা তাকে গুলি করে হত্যার পর রাস্তার পাশে মরদেহ ফেলে রেখে যেতে পারে। তবে হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো
পুলিশ জানিয়েছে, সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর বাহারুলের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চরমপন্থী বা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রতিবেদকের নাম 



















