ঢাকা ০৫:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বিশ্বকাপ শেষে অনুশীলনে ফিরলেন মেসি, কলম্বাসের বিপক্ষে মাঠে নামতে পারেন ন্যাটোর সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে অভিযোগ উত্তর কোরিয়ার পটিয়ায় কলা চুরির সন্দেহে বাকবিতণ্ডা, পিটিয়ে হত্যা; গ্রেপ্তার ১ রাজধানীর দুই মেট্রো স্টেশনে ‘বোমা সদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ জামায়াতকে নিষিদ্ধের তিন দিনের মাথায় সরকার পালাতে বাধ্য হয়েছিল: ডা. শফিকুর রহমান পাকিস্তানে কয়লাখনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত অন্তত ৩২ বাঁশখালীতে মৎস্যঘের দখল নিয়ে গোলাগুলি, নিহত ১ শিক্ষার্থীর সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, কুয়াকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী সাময়িক বরখাস্ত রাজধানীর পাশে কেরানীগঞ্জে ইয়াবা তৈরির কারখানায় র‌্যাবের অভিযান, আটক ৪ ফিফার নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে বাংলাদেশের গ্রুপেই খেলবে নেপাল
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল রাখল যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট, ট্রাম্পের উদ্যোগ বাতিল

 

যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুদের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকার বহাল রেখেছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করার উদ্যোগকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে ৬-৩ ভোটে ঐতিহাসিক রায় দিয়েছেন আদালতের বিচারপতিরা।

প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতে জানান, যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে বা অস্থায়ীভাবে অবস্থানকারী বাবা-মায়ের ঘরে জন্ম নেওয়া শিশুরাও সংবিধানের ১৪তম সংশোধনী অনুযায়ী জন্মের পরপরই মার্কিন নাগরিক হিসেবে গণ্য হবে।

আরও পড়ুনঃ  ‘এক ঘণ্টার মধ্যেই ইরানের অধিকাংশ সেতু ধ্বংস করে দিতে পারি’— ট্রাম্প

ট্রাম্প ক্ষমতায় ফেরার পর এক নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করার চেষ্টা করেন। তার প্রশাসনের যুক্তি ছিল, অবৈধ অভিবাসী বা অস্থায়ী ভিসাধারীদের সন্তানরা সংবিধানের ‘যুক্তরাষ্ট্রের এখতিয়ারের অধীন’ নয়। তবে সুপ্রিম কোর্ট সেই যুক্তি প্রত্যাখ্যান করে জানায়, এই নির্বাহী আদেশ সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর পরিপন্থী এবং ফেডারেল আইন লঙ্ঘন করে।

এই রায়কে ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতির জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। রায়ের পর প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটিকে ‘খুবই দুর্ভাগ্যজনক’ বলে উল্লেখ করেন এবং আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

আরও পড়ুনঃ  তিন শর্তে পুনরায় লাইসেন্স পেল আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

অন্যদিকে নাগরিক অধিকার সংগঠনগুলো রায়কে স্বাগত জানিয়েছে। ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফরিজ বলেন, সুপ্রিম কোর্ট আবারও নিশ্চিত করেছে যে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া প্রত্যেক ব্যক্তি মার্কিন নাগরিক।

তবে নয়জন বিচারপতির মধ্যে তিনজন—ক্লারেন্স থমাস, নিল গরসাচ ও স্যামুয়েল আলিটো—এই রায়ের বিরোধিতা করেন।

ট্রাম্পের চিফ অব স্টাফ স্টিফেন মিলার এই সিদ্ধান্তকে সুপ্রিম কোর্টের ইতিহাসের ‘সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক’ রায় হিসেবে আখ্যা দেন। তিনি বলেন, নাগরিকত্ব কখনোই পুরো বিশ্বের জন্য জন্মগত অধিকার হতে পারে না।

আরও পড়ুনঃ  চেক বাউন্স মামলায় হাইকোর্টের বার্তা: কারাবাস নয়, অগ্রাধিকার পাবে পাওনাদারের অর্থ ফেরত

উল্লেখ্য, ১৮৬৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধের পর সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত দাসদের অধিকার নিশ্চিত করতে সংবিধানের ১৪তম সংশোধনী যুক্ত করা হয়। তখন থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া প্রায় সবাই নাগরিকত্ব পেয়ে আসছেন।

এই রায়ের ফলে ট্রাম্পের অভিবাসন-সংক্রান্ত নীতিগত পরিকল্পনায় বড় ধরনের আইনি বাধা তৈরি হলো।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বিশ্বকাপ শেষে অনুশীলনে ফিরলেন মেসি, কলম্বাসের বিপক্ষে মাঠে নামতে পারেন

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল রাখল যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট, ট্রাম্পের উদ্যোগ বাতিল

আপডেটের সময়: ১২:১৫:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

 

যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুদের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকার বহাল রেখেছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করার উদ্যোগকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে ৬-৩ ভোটে ঐতিহাসিক রায় দিয়েছেন আদালতের বিচারপতিরা।

প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতে জানান, যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে বা অস্থায়ীভাবে অবস্থানকারী বাবা-মায়ের ঘরে জন্ম নেওয়া শিশুরাও সংবিধানের ১৪তম সংশোধনী অনুযায়ী জন্মের পরপরই মার্কিন নাগরিক হিসেবে গণ্য হবে।

আরও পড়ুনঃ  জুলাইয়ের অর্জন ১৮ কোটি মানুষের, কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়: জামায়াত আমির

ট্রাম্প ক্ষমতায় ফেরার পর এক নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করার চেষ্টা করেন। তার প্রশাসনের যুক্তি ছিল, অবৈধ অভিবাসী বা অস্থায়ী ভিসাধারীদের সন্তানরা সংবিধানের ‘যুক্তরাষ্ট্রের এখতিয়ারের অধীন’ নয়। তবে সুপ্রিম কোর্ট সেই যুক্তি প্রত্যাখ্যান করে জানায়, এই নির্বাহী আদেশ সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর পরিপন্থী এবং ফেডারেল আইন লঙ্ঘন করে।

এই রায়কে ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতির জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। রায়ের পর প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটিকে ‘খুবই দুর্ভাগ্যজনক’ বলে উল্লেখ করেন এবং আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

আরও পড়ুনঃ  আদিবাসীদের অধিকার নিয়ে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর

অন্যদিকে নাগরিক অধিকার সংগঠনগুলো রায়কে স্বাগত জানিয়েছে। ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফরিজ বলেন, সুপ্রিম কোর্ট আবারও নিশ্চিত করেছে যে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া প্রত্যেক ব্যক্তি মার্কিন নাগরিক।

তবে নয়জন বিচারপতির মধ্যে তিনজন—ক্লারেন্স থমাস, নিল গরসাচ ও স্যামুয়েল আলিটো—এই রায়ের বিরোধিতা করেন।

ট্রাম্পের চিফ অব স্টাফ স্টিফেন মিলার এই সিদ্ধান্তকে সুপ্রিম কোর্টের ইতিহাসের ‘সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক’ রায় হিসেবে আখ্যা দেন। তিনি বলেন, নাগরিকত্ব কখনোই পুরো বিশ্বের জন্য জন্মগত অধিকার হতে পারে না।

আরও পড়ুনঃ  দরুদ পড়লে যেভাবে দূর হয় দুশ্চিন্তা

উল্লেখ্য, ১৮৬৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধের পর সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত দাসদের অধিকার নিশ্চিত করতে সংবিধানের ১৪তম সংশোধনী যুক্ত করা হয়। তখন থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া প্রায় সবাই নাগরিকত্ব পেয়ে আসছেন।

এই রায়ের ফলে ট্রাম্পের অভিবাসন-সংক্রান্ত নীতিগত পরিকল্পনায় বড় ধরনের আইনি বাধা তৈরি হলো।