
দেশের শিল্পখাতে বিনিয়োগ বাড়াতে বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন সুবিধার আওতায় এখন একজন উদ্যোক্তা সর্বোচ্চ ১ কোটি মার্কিন ডলার পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন।
সম্প্রতি জারি করা এক সার্কুলারে জানানো হয়েছে, একক ব্যাংকের মাধ্যমে এই ঋণের সীমা ১০ মিলিয়ন ডলার হলেও একাধিক ব্যাংকের যৌথ বা সিন্ডিকেটেড অর্থায়নের ক্ষেত্রে তা বাড়িয়ে ২০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত নেওয়া যাবে।
নতুন নীতিমালায় ব্যাংকগুলোর জন্য তহবিলের সুদের হার তাদের আর্থিক সক্ষমতা বা ‘ক্যামেলস’ রেটিং অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়েছে। শক্তিশালী ব্যাংকগুলো তুলনামূলক কম সুদে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে অর্থ নিতে পারবে, যা শেষ পর্যন্ত উদ্যোক্তাদের জন্য কম খরচে ঋণ পাওয়ার সুযোগ তৈরি করবে।
এছাড়া গ্রাহক পর্যায়ে সুদের হার নিয়ন্ত্রণেও সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। ব্যাংকগুলো তাদের তহবিল ব্যয়ের ওপর সর্বোচ্চ ২ থেকে ৩ শতাংশের বেশি সুদ নিতে পারবে না। ফলে দীর্ঘমেয়াদি শিল্প ঋণ আগের তুলনায় আরও সাশ্রয়ী হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
আগের নীতিমালায় আন্তর্জাতিক বাজারদর ‘SOFR’-এর ওপর ভিত্তি করে সুদ নির্ধারণ করা হলেও নতুন নিয়মে প্রক্রিয়াটি সহজ করা হয়েছে। এতে বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বৈদেশিক মুদ্রায় অর্থায়ন পাওয়া সহজ হবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই উদ্যোগের ফলে উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ বাড়বে, শিল্পায়নের গতি ত্বরান্বিত হবে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
প্রতিবেদকের নাম 













