ঢাকা ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রোলেক্স হাতে আপ্লুত শাকিব বললেন— ‘এটা এখন অমূল্য’ পুঠিয়ায় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর বাড়িঘর ভাঙচুর-লুটপাট, ৬ দিন পর মামলা নিল পুলিশ মেসিকে দলে নেওয়ার ‘রসিকতা’ করলেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট স্ত্রী আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলায় অভিনেতা জাহের আলভী কারাগারে দুর্ঘটনায় আহত অভিনেতা জোভান, জানালেন ভয়াবহ অভিজ্ঞতা মহাখালীতে ঝটিকা মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ; আটক ৩ ব্যাংক খাতে বড় ধস, লোকসান বেড়ে ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা: বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে ‘ভয়েস ফর গ্লোবাল বাংলাদেশিজ’ প্রতিনিধিদলের বৈঠক “সবার আগে বগুড়া নয়, সবার আগে বাংলাদেশ”— সংসদে এনসিপি এমপির বক্তব্য বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ওপর নজর রাখছে ইসরায়েল, দাবি ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতের
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

‘সংসদে ঋণ খেলাপিদের ‘ঋণখেলাপি’ বলতে না পারলে আর কোথায় বলবো?’

  • arif
  • আপডেটের সময়: ০৯:০৭:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
  • ৩ সময় দেখুন

সংসদে ঋণখেলাপি সদস্যদের ‘ঋণখেলাপি’ হিসেবে উল্লেখ করা নিয়ে আপত্তির সমালোচনা করেছেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, সংসদে ঋণ খেলাপিদের ‘ঋণখেলাপি’ বলতে না পারলে আর কোথায় বলব?’

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এসব কথা বলেন। সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সভাপতিত্ব করেছেন।

বিরোধী দলীয় চীফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, আমি আমার প্রথম অধিবেশনের বক্তব্যে এখানে অনেক সম্মানিত সংসদ সদস্য তাদের কত কত ঋণখেলাপি রয়েছে, সে সংখ্যাও উল্লেখ করেছি। তাদের সম্মানের নাম প্রকাশ করিনি। এখন যেই দল ঋণ খেলাপিদের নমিনেশন দিয়ে তাদেরকে সংসদে নিয়ে আসে, এটা তো তাদের দায়িত্ব, তাদের উপরে দায় চাপায়, এখন যদি সংসদে এতগুলো ঋণখেলাপি থাকে, তাহলে এই সংসদকে তো ঋণ খেলাফিদের সংসদ বলবে।

আরও পড়ুনঃ  জেলা প্রশাসকের আশ্বাসে ৫ জেলায় পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার

তিনি আরও বলেন, সরকারদলীয় লোকেরা যারা মেজরিটি টু থার্ড মেজরিটি করেছে, তারা ঋণ খেলাফিদের সংসদ নিয়ে এসেছে, এটা সাধারণ মানুষ এটা স্বাভাবিকভাবেই বলবে। আর আমরা সংসদকে সার্বভৌম বলতেছি। এখন এই সংসদে যদি আমরা ঋণ খেলাপিদের ঋণখেলাপি বলতে না পারি, এই সংসদে তাহলে স্পিকার আমরা আর কোথায় বলব?

তার আগে গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুল হক মিলন বলেন, ‘প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সবাই বলছেন যে এই সংসদ একটি ব্যতিক্রমধর্মী সংসদ। অনেক আন্দোলন-সংগ্রাম ও ত্যাগের বিনিময়ে, একটি সর্বজন গ্রহণযোগ্য অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে এই সংসদ গঠিত হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশে-বিদেশে আমরা সম্মানিত হয়েছি, দেশবাসীও সম্মানিত হয়েছে। বিগত অনেক বছর ‘ভোটারবিহীন’ নির্বাচনের মাধ্যমে সংসদকে কলুষিত করা হয়েছিল। সেই জায়গা থেকে এই সংসদের মর্যাদা অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক উচ্চে বলে আমরা মনে করি।’

আরও পড়ুনঃ  চলন্ত অবস্থায় বিচ্ছিন্ন হলো ট্রেনের ইঞ্জিন, মাঝপথে আটকা যাত্রীরা

নিজের ভাবমূর্তি নিজেরা ক্ষুণ্ন না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দুঃখজনক হলেও সত্য, আমরা বক্তব্য রাখার সময় হয়তো খেয়াল করি না, কিন্তু অবচেতন বা সচেতন মনে এমন কিছু কথা সংসদে উচ্চারণ করি, যা আমাদের নিজেদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে, মর্যাদাকে খাট করে। আজকের বক্তব্য চলাকালীন বলা হয়েছে– ‘ঋণ খেলাপিদের এই সংসদে দাঁড়িয়ে কথা বলতে হচ্ছে’।

আরও পড়ুনঃ  হাম টিকাদানে গাফিলতি হলে কঠোর ব্যবস্থা: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

এর প্রেক্ষিতে ফজলুল হক মিলন বলেন, ‘কথাটি যেই বলুক, বাংলা ভাষায় একটি কথা আছে— ‘বেড়ায় যদি ক্ষেত খায়, সেই ক্ষেত টিকানো যায় না’। এই সংসদে নির্বাচিত হয়ে নিজেদের মর্যাদা নিজেরা হানি করার জন্য যদি আত্মঘাতী কথা বলি, তবে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। একজন ঋণখেলাপি কখনোই সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারে না। সেখানে এটিকে ‘ঋণ খেলাপিদের সংসদ’ কী করে বলা হয়?’

 

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

রোলেক্স হাতে আপ্লুত শাকিব বললেন— ‘এটা এখন অমূল্য’

‘সংসদে ঋণ খেলাপিদের ‘ঋণখেলাপি’ বলতে না পারলে আর কোথায় বলবো?’

আপডেটের সময়: ০৯:০৭:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

সংসদে ঋণখেলাপি সদস্যদের ‘ঋণখেলাপি’ হিসেবে উল্লেখ করা নিয়ে আপত্তির সমালোচনা করেছেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, সংসদে ঋণ খেলাপিদের ‘ঋণখেলাপি’ বলতে না পারলে আর কোথায় বলব?’

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এসব কথা বলেন। সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সভাপতিত্ব করেছেন।

বিরোধী দলীয় চীফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, আমি আমার প্রথম অধিবেশনের বক্তব্যে এখানে অনেক সম্মানিত সংসদ সদস্য তাদের কত কত ঋণখেলাপি রয়েছে, সে সংখ্যাও উল্লেখ করেছি। তাদের সম্মানের নাম প্রকাশ করিনি। এখন যেই দল ঋণ খেলাপিদের নমিনেশন দিয়ে তাদেরকে সংসদে নিয়ে আসে, এটা তো তাদের দায়িত্ব, তাদের উপরে দায় চাপায়, এখন যদি সংসদে এতগুলো ঋণখেলাপি থাকে, তাহলে এই সংসদকে তো ঋণ খেলাফিদের সংসদ বলবে।

আরও পড়ুনঃ  টানা ৯৮ দিন কাজ, অতিরিক্ত চাপে হাসপাতালে ভর্তি জেনিফার লোপেজ

তিনি আরও বলেন, সরকারদলীয় লোকেরা যারা মেজরিটি টু থার্ড মেজরিটি করেছে, তারা ঋণ খেলাফিদের সংসদ নিয়ে এসেছে, এটা সাধারণ মানুষ এটা স্বাভাবিকভাবেই বলবে। আর আমরা সংসদকে সার্বভৌম বলতেছি। এখন এই সংসদে যদি আমরা ঋণ খেলাপিদের ঋণখেলাপি বলতে না পারি, এই সংসদে তাহলে স্পিকার আমরা আর কোথায় বলব?

তার আগে গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুল হক মিলন বলেন, ‘প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সবাই বলছেন যে এই সংসদ একটি ব্যতিক্রমধর্মী সংসদ। অনেক আন্দোলন-সংগ্রাম ও ত্যাগের বিনিময়ে, একটি সর্বজন গ্রহণযোগ্য অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে এই সংসদ গঠিত হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশে-বিদেশে আমরা সম্মানিত হয়েছি, দেশবাসীও সম্মানিত হয়েছে। বিগত অনেক বছর ‘ভোটারবিহীন’ নির্বাচনের মাধ্যমে সংসদকে কলুষিত করা হয়েছিল। সেই জায়গা থেকে এই সংসদের মর্যাদা অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক উচ্চে বলে আমরা মনে করি।’

আরও পড়ুনঃ   বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনা ক্যাম্পে পরিবর্তন, ছুটি নিলেন নিকোলাস কাপালদো

নিজের ভাবমূর্তি নিজেরা ক্ষুণ্ন না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দুঃখজনক হলেও সত্য, আমরা বক্তব্য রাখার সময় হয়তো খেয়াল করি না, কিন্তু অবচেতন বা সচেতন মনে এমন কিছু কথা সংসদে উচ্চারণ করি, যা আমাদের নিজেদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে, মর্যাদাকে খাট করে। আজকের বক্তব্য চলাকালীন বলা হয়েছে– ‘ঋণ খেলাপিদের এই সংসদে দাঁড়িয়ে কথা বলতে হচ্ছে’।

আরও পড়ুনঃ  হাম টিকাদানে গাফিলতি হলে কঠোর ব্যবস্থা: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

এর প্রেক্ষিতে ফজলুল হক মিলন বলেন, ‘কথাটি যেই বলুক, বাংলা ভাষায় একটি কথা আছে— ‘বেড়ায় যদি ক্ষেত খায়, সেই ক্ষেত টিকানো যায় না’। এই সংসদে নির্বাচিত হয়ে নিজেদের মর্যাদা নিজেরা হানি করার জন্য যদি আত্মঘাতী কথা বলি, তবে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। একজন ঋণখেলাপি কখনোই সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারে না। সেখানে এটিকে ‘ঋণ খেলাপিদের সংসদ’ কী করে বলা হয়?’