সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘিরে চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, ‘অবিলম্বে চাঁদাবাজদের জিম্মিদশা থেকে প্রিয় মাতৃভূমি মুক্তি পাবে, ইনশাআল্লাহ।’
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম।
পোস্টে তিনি দাবি করেন, রাতে জুলাই আন্দোলনের সহযোদ্ধা ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে ভাঙচুর করা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, ভাঙচুর ও লুটপাটের পেছনে চাঁদা না দেওয়া কিংবা সম্পত্তি দখলের মতো অভিযোগ থাকতে পারে।
নাহিদ প্রশ্ন তোলেন, রাজধানীর ইসিবি চত্বরের ওই এলাকায় চাঁদা তোলা বা সম্পত্তি দখলের মতো ঘটনা ঘটানোর ‘দুঃসাহস’ কারা দেখাতে পারে।
তিনি আরও বলেন, কোনো স্থাপনা অবৈধ হলে বা কেউ কোনো সম্পত্তি দখল করে রাখলে তা উদ্ধারে আইন ও আদালতের আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে এ ধরনের আচরণ কেন হচ্ছে, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।
এরপর বিএনপির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের অভিযোগ তুলে নাহিদ ইসলাম বলেন, তাঁর দাবি অনুযায়ী ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বিকেল থেকেই এসব কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে এবং পরবর্তী সময়ে এর পরিমাণ ও পরিধি বেড়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, এতে দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষ জিম্মি হয়ে পড়েছে।
নাহিদ বলেন, এসব ঘটনায় সরকারের কাছে বিচার চাওয়াকে তিনি অর্থহীন মনে করেন। তবে তাঁর প্রত্যাশা, ‘অবিলম্বে চাঁদাবাজদের জিম্মিদশা থেকে প্রিয় মাতৃভূমি মুক্তি পাবে।’
এদিকে, সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার কারণ নিয়ে পুলিশের বক্তব্য নাহিদের অভিযোগের সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। ঢাকা মহানগর পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটির সঙ্গে চাঁদাবাজির কোনো সম্পর্ক পাওয়া যায়নি; বরং নিউ গিনি প্রপার্টিজের সঙ্গে পাশের জমির মালিকের জমি নিয়ে বিরোধের জেরেই হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে তাদের ধারণা। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তারের কথাও জানিয়েছে পুলিশ।
ফলে হামলার প্রকৃত কারণ ও এর সঙ্গে চাঁদাবাজির অভিযোগের সম্পর্ক—দুই বিষয়েই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের তথ্যই এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















